রাজ্য থেকে টিবি দূর করতে টার্গেট! নিরন্তর প্রচেষ্টা উত্তর প্রদেশের যোগী সরকারের
এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মেট্রো রেল, উত্তর প্রদেশ জুড়ে চলছে কর্মযজ্ঞ। তবে সমগ্র উন্নয়নের মধ্যে যে স্বাস্থ্যও পড়ে তা ভাল করেই জানেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। যে কারণে রাজ্য থেকে টিবি নির্মূল করতে ব্যাপক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। গত পাঁচ বছরে ডিবিটির মাধ্যমে উত্তর প্রদেশের ১৬.৯০ লক্ষ টিবি রোগী পুষ্টি সহায়তা গিসেবে ৪২২ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

টিবি নির্মূল করতে প্রচেষ্টা উত্তর প্রদেশে
মুখ্যমন্ত্রী শুক্রবার বলেছেন, উত্তর প্রদেশে টিবি নির্মূল করতে সরকার অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ শুক্রবার বারাণসীতে ওয়ার্ল্ড টিবি সামিটে হাজির ছিলেন।
মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন শুধু উত্তর প্রদেশেই নয়, সারা দেশ থেকেই টিবি নির্মূল হবে। এব্যাপারে ভারত জয়ী হবে বলে, আত্মবিশ্বাসী মুখ্যমন্ত্রী। বিশ্ব টিবি দিবসে বারাণসীতে টিবি নিয়ে এক অনুষ্ঠানে ভাষণ দিচ্ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য পূরণের দিকে এগিয়ে চলেছে
যোগী আদিত্যনাথ বলেছেন, ২০২৫ সালের মধ্যে ভারতকে টিবি-মুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য পূরণের দিকে এগিয়ে চলেছে দেশ। তিনি বলেছেন, ভারতের সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য উত্তর প্রদেশে একটা সময় ২১ শতাংশ টিবি রোগী ছিল। গত ৫ বছরে উত্তর প্রদেশে প্রায় ১৭ লক্ষ টিবি রোগীকে পুষ্টি সহায়তা হিসেবে ৪২২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, ২.৭০ লক্ষ রোগীকে আশ্রয় দেওয়ার পাশাপাশি পুষ্টি-সহ খাবার দেওয়া হয়েছে। এর ফলে এইসব রোগীর মধ্যে ৭০ শতাংশের রোগ নিরাময় হয়ে গিয়েছে এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বিশ্ব যক্ষা দিবসে প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, পিএম আয়ুশ্মাণ ওয়েলনেস সেন্টারে টিবি রোগ নিরাময়ে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ৮০ হাজারের বেশি কিট বিতরণ করা হয়েছে। সরকার রাজ্যের ২৫ কোটি জনগণকে সুস্থ রাখতে প্রতিশ্রুতি বদ্ধ বলে জানিয়েছেন তিনি। যোগী বলেছেন, দেশ আজ নতুন উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর নেতৃত্বে প্রতিটি ক্ষেত্রে দেশ প্রতিটি ক্ষেত্রে এগিয়ে চলেছে।

উত্তর প্রদেশের কমেছে মায়েদের মৃত্যুর হার
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, উত্তরপ্রদেশে আগে প্রতিলক্ষে মায়েদের মৃত্যুর হার ছিল ২৮৫, এখন তা প্রতি লক্ষে ১৮৭-তে নেমেছে। তিনি জানিয়েছেন, আগে প্রতি হাজারে শিশুমৃত্যুর হার ছিল ৫৭, এখন তা ৩৮-এর নেমেছে।
তিনি বলেছেন, বিশ্বের সামনে কোভিড মোকাবিলায় ভারত একটা মডেল। তিনি বলেছেন, উত্তর প্রদেশে ৪০ কোটি কোভিড ভ্যাকসিন বিনামূল্যে দেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications