২০২৪-এর নির্বাচনে কেন সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে দূরে বিজেপি? কারণ নিয়ে কী বলছে আরএসএস
তৃতীয়বারের জন্য এনডিএ সরকার গঠিত হয়েছে কেন্দ্রে। তবে সেই সরকারে বিজেপির নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতা নেই। বিজেপির ৩৭০ আর এনডিএ-র ৪০০ পার করার ডাক দেওয়ার পরেও কেন ২৪০-এ আটকে গেল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিজেপির অন্দরমহলে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের সঙ্গে কারণ বিশ্লেষণ করছে আরএসএসও।
আরএসএসের মুখপাত্র অর্গানাইজারে বলা হয়েছে,. এবারের নির্বাচনে বিজেপির নেতা-কর্মীরা সাহায্যের জন্য আরএসএসের কাছে যাননি। অর্গানাইজারে আরএসএসের সদস্য রতন সারদার একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে বিজেপির এই আসন প্রাপ্তিকে নেতাদের অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের ফল বলেও বর্ণনা করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে বিজেপির নেতা-কর্মীরা বুঝতে পারেনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ৪০০ পার করার আহ্বান তাঁদের জন্য লক্ষ্য আর বিরোধীদের কাছে চ্যালেঞ্জের।

কঠোর পরিশ্রম নিয়ে প্রশ্ন
সাধারণভাবে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমেই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হয়। সেই কথাই আরএসএসের মুখপত্রে প্রকাশিত প্রবন্ধে বলা হয়েছে। সেখানে কটাক্ষ করে বলা হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টার এবং সেলফি শেয়ার করে সেই ফল অর্জন করা যায় না।
সেখানে বলা হয়েছে, বিজেপির নেতা-কর্মীরা নরেন্দ্র মোদীর নামের গৌরব উপভযোগ করছিল। সেই কারণে রাস্তায় তাঁদের আওয়াজ শোনা যায়নি। এই নির্বাচনের পল অনেকের কাছেই শিক্ষার বলেও মন্তব্য করা হয়েছে অর্গানাইজারে। সেখানে বলা হয়েছে ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের ফলই বলে দিচ্ছে বিজেপি আরও ভাল কিছু করতে হবে।
সাংসদ ও মন্ত্রীদের সমালোচনা
প্রকাশিত প্রবন্ধে বিজেপির সাংসদ ও মন্ত্রীদের সমালোচনা করে বলা হয়েছে, সাধারণ নাগরিকরা স্থানীয় সাংসদ ও বিধায়কদের সঙ্গে দেখা করতে পারেন না। মন্ত্রীদের ক্ষেত্রে সেই কাজ আরও কঠিন। যা সংবেদনশীলতার সঙ্গে মোকাবিলা করা হয়নি।
আরএসএস-বিজেপি সম্পর্ক
ওই প্রবন্ধে আরএসএস ও বিজেপির সম্পর্কের কথাও বলা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে আরএসএস বিজেপির ক্ষেত্রে শক্তি নয়। কারণ বিশ্বের সব থেকে বড় দল হিসেবে পরিচিত বিজেপির নিজেদেরই অনেক কর্মী রয়েছে। ভোটারদের কাছে পৌঁছনো, দলের অ্যাজেন্ডা ব্যাখ্যা করা, ভোটার কার্ড বিতরণ-সহ নির্বাচনী কাজ করা তাঁদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।
আরএসএসের কাজ
অন্যদিকে আরএসএস দেশকে প্রভাবিত করে এমন ইস্যুগুলি নিয়ে মানুষের মধ্যে সয়চেতনতা বৃদ্ধির কাজ চালিয়ে গিয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ১৯৭৩-৭৭-এর সময়কাল ছাড়া আরএসএস সরাসরি রাজনীতিতে অংশ নেয়নি। সেই সময় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই ছিল।
আরএসএস ২০১৪ সালে একশো শতাংশ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল। সেই প্রচারাভিযানে ভোটদানের হার বৃদ্ধি পেয়েছিল এবং সরকার পরিবর্তন হয়েছিল বলেও দাবি করা হয়েছে সেই প্রবন্ধে।
-
অসম-পণ্ডিচেরিতে রেকর্ড ভোটিং, কেরলে ছাপিয়ে গেল পাঁচ বছর আগের রেকর্ড, কোন রাজ্যে কত ভোট পড়ল? -
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশে রদবদল! বিধানসভা নির্বাচনের আগে ১০০ জন আধিকারিকের বদলি -
এসআইআরে রাজ্যজুড়ে কত লক্ষ নাম, কোন জেলায় সর্বোচ্চ ছাঁটাই? কী বলছে পরিসংখ্যান -
রেশন দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের ১২টি জায়গায় ইডির ম্যারাথন তল্লাশি -
দুন বুক ফেস্টিভ্যালে গাড়োয়ালি ও কুমায়ুনী ভাষার দাপট, প্রকাশ পেল ২৬টি নতুন বই -
মমতার পাড়ায় দাঁড়িয়েই মুখ্যমন্ত্রীকে হারানোর হুঙ্কার শুভেন্দু অধিকারীর, সারলেন ভবানীপুরে প্রচার -
অবিশ্বাস্য ব্যাটিং মুকুল চৌধুরীর! লখনৌয়ের কাছে জেতা ম্যাচ হেরে জয়ের খাতাই খুলতে পারল না কেকেআর -
'ভাতার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাংলার মা-বোনেদের মন ভোলানো যাবে না', অমিত শাহকে কটাক্ষ অভিষেকের -
সুপ্রতিম সরকার সহ বাংলার ৩ আইপিএসকে তামিলনাড়ুতেই ভোট পর্যবেক্ষক নিয়োগ, অবিলম্বে পৌঁছনোর নির্দেশ কমিশনের -
ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হলে ইরানের সঙ্গে কী করবেন? হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন ট্রাম্প -
আমেরিকার 'অযৌক্তিক' দাবির কারণেই ভেস্তে গেল শান্তি আলোচনা, কী কী অভিযোগ ইরানের -
ইরান-আমেরিকা কূটনৈতিক আলোচনার আগে তেহরানকে সতর্ক করলেন জেডি ভ্যান্স











Click it and Unblock the Notifications