টিকাকরণ শুরু হলেও ২০২২ সালের আগে ভ্যাকসিন পাবেন না তরুণেরা! নয়া সিদ্ধান্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার
টিকাকরণ শুরু হলেও ২০২২ সালের আগে ভ্যাকসিন পাবেন না তরুণেরা! নয়া সিদ্ধান্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার
ক্রমেই করোনা গ্রাসে তলিয়ে যাচ্ছে গোটা বিশ্ব। ইতিমধ্যেই আক্রান্তের সংখ্যা ৪ কোটি ছুঁইছুঁই। মারা গেছেন ১১ লক্ষের বেশি মানুষ। অন্যদিকে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ভারতের করোনা মানচিত্রও। ইতিমধ্যেই আক্রান্তের সংখ্যা ৭৩ লক্ষের গণ্ডি পার করেছে। মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ১১ হাজারের গণ্ডি পার করেছে। যদিও এখনও দেখা নেই কোনও কার্যকরী করোনা ভ্যাকসিনের। এমতাস্থায় আরও আশঙ্কার কথা শোনাচ্ছেন ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন শীর্ষ স্থানীয় কর্মকর্তারা।

২০২২ সালের আগে ভ্যাকসিন পাবেন সুস্থ ও তরুণেরা
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বিজ্ঞানী ডাঃ সৌম্য স্বামীনাথন স্পটতই জানাচ্ছেন স্বাস্থ্যবান ব্যক্তি এবং তরুণেরা ২০২২ সালের আগে কোনও ভাবেই করোনা ভ্যাকসিন পাবেন না। হু-র অন্যতম প্রধান এই বিজ্ঞানীর মতে ভ্যাকিসন আবিষ্কারের পর তা প্রয়োগে ছাড়পত্র পেলেও প্রাথমিক পর্যায়ে তা বিতরণের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর্মী সহ প্রথমসারির সমস্ত করোনা যোদ্ধা, প্রবীণরাই অগ্রাধিকার পাবেন।

ভ্যাকসিন বিতরণ সংক্রান্ত জটিলতা এড়াতে আগেই ভাগেই পরিকল্পনা সারছে হু
ওয়াকিবাহল মহলের ধারণা বিশ্বের এই বিপুল জনসংখ্যার কতা মাথাক রেখেই ভ্যাকসিন বিতরণ সংক্রান্ত জটিলতা এড়াতে আগেই ভাগেই পরিকল্পনা সেড়ে রাখছে হু। যদিও এই ক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিচালন সমিতি ও বিশেষজ্ঞরা এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি বলেই জানান সৌম্য স্বামীনাথন। করোনা যুদ্ধে বর্তমানে যারা সামনের সারি থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারাই ভ্যাকসিন প্রাপক হিসাবে সর্বাগ্রে অগ্রাধিকার পাবেন বলেও এদিন বারবার পরিষ্কার করে দিতে দেখা যায় সৌম্য স্বামীনাথনকে।

কী বলছেন সৌম্য স্বামীনাথন
এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে সৌম্য স্বামীনাথন আরও বলেন, "সাধারণ মানুষ এখন ভাবতে শুরু করেছে যে আগামী বছরের জানুয়ারীর শুরু থেকে এপ্রিলের মধ্যে তাঁরা ভ্যাকিসন হাতে পেয়ে যাবেন। এবং তারপর থেকে সব স্বাভাবিক হয়ে যাবে। কিন্তু বাস্তবে এই চিত্র দেখা নাও যেতে পারে।" তাঁর সাফ কথা ২০২১ সালের মধ্যে বাস্তবিক ভাবে ভ্যাকসিনের দেখা মিললেও তার প্রয়োগ শুরু হবে স্বল্প পরিসরেই।

অন্তিম পর্যায়ের ট্রায়ালে ১০টি করোনা ভ্যাকসিন
এদিকে বর্তমানে গোটা বিশ্বজুড়ে প্রায় ১০টি করোনা ভ্যাকসিন অন্তিম পর্যায়ের ট্রায়ালে রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সর্বাধিক আশা যোগাচ্ছে ভারত, ইংল্যান্ড, আমেরিকা ও রাশিয়ার তৈরি করোনা ভ্যাকসিন। এদিকে ইতিমধ্যেই সামজিক পরিসরে রাশিয়ার করোনা ভ্যাকসিন স্পুটনিক-ভি প্রয়োগও শুরু করেছে রাশিয়া। একইসাথে আগামী বছরের মধ্যে ভ্যাকসিন প্রস্তুতি ও সরবরাহে গোটা বিশ্বকে নতুন দিশা দেখাতে চলেছে ভারত। সিরাম ইন্সটিটিউটের হাত ধরে তৈরি হতে চলেছে কয়েক কোটি করোনা ভ্যাকসিন।
{quiz_390}












Click it and Unblock the Notifications