হোয়াইট ফাঙ্গাস নিয়ে চিন্তার কিছু নেই! ব্ল্যাক ফাঙ্গাস অনেক বেশি ভয়ঙ্কর বলছেন ডাক্তাররা
একে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে রক্ষে নেই তার উপরে হাজির হোয়াইট ফাঙ্গাস। উত্তর প্রদেশে ৭০ বছরের এক বৃদ্ধের শরীরে দেখা মিলেছে এই হোয়াইট ফাঙ্গাসের সংক্রমণ। তাতেই নড়েচড়ে বসেছে যোগী প্রশাসন। গত একমাসে উত্তর প্রদেশে করোনা সংক্রমণ কিছ
একে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে রক্ষে নেই তার উপরে হাজির হোয়াইট ফাঙ্গাস। উত্তর প্রদেশে ৭০ বছরের এক বৃদ্ধের শরীরে দেখা মিলেছে এই হোয়াইট ফাঙ্গাসের সংক্রমণ। তাতেই নড়েচড়ে বসেছে যোগী প্রশাসন। গত একমাসে উত্তর প্রদেশে করোনা সংক্রমণ কিছুটা কমেছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। '
তাতে একটু হলেও স্বস্তি পেয়েছিল যোগী সরকার। কিন্তু তার মধ্যেই হোয়াই ফাঙ্গাসের সংক্রমণ ধরা পড়ায় ফের উদ্বেগ বেড়েছে। শুধু তাই নয়, আরও বেশ কয়েকট জায়গাতে হোয়াইট ফাঙ্গাস ধরা পড়েছে।

কালোর থেকে সাদা ছত্রাক অনেক বেশি ক্ষতিকারক?
চিকিৎসকদের একাংশের দাবি, ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের চেয়েও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে হোয়াইট ফাঙ্গাস। কেন এই নতুন ছত্রাক আরও বেশি ভয়ের? চিকিৎসকেরা বলছেন, ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণ শুধুমাত্র মুখের আশপাশের অঙ্গগুলিতেই হয়। কিন্তু হোয়াইট ফাঙ্গাস খুব দ্রুত অন্য অঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে। ফুসফুস, যকৃৎ, বৃক্ক, যৌনাঙ্গ- সমস্ত অঙ্গই অত্যন্ত দ্রুত সংক্রমিত হতে পারে এই ভাইরাসে। নখের মাধ্যমে শরীরের নানা জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে এটি। তার পরে অঙ্গগুলিকে বিকলও করে দিতে পারে এই ছত্রাক। ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণে মৃত্যুর হার অত্যন্ত বেশি। হোয়াইট ফাঙ্গাসের সংক্রমণে মৃত্যুর হার সম্পর্কে এখনও স্পষ্ট কোনও ধারণা নেই। কিন্তু নানা অঙ্গে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার প্রবণতা দেখে বিজ্ঞানীদের আন্দাজ, এটি আরও বেশি বিপজ্জনক হতে পারে। যদিও এখনও এই বিষয়ে যথেষ্ট ধোঁয়াশা রয়েছে।

হোয়াইট ফাঙ্গাস ইয়ে ভুল ধারণা ছড়াচ্ছে
ব্ল্যাক ফাঙ্গাস নাকি হোয়াইট ফাঙ্গাস কোনটা বেশি ক্ষতিকারক? তা নিয়ে ইতিমধ্যে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তবে সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, হোয়াইট ফাঙ্গাস কোনও রোগ নয়। ডাক্তারদের একাংশ জানাচ্ছে, হোয়াইট হাউস একটা মিথ। এটি ভুল ধারণা জনমানসের মধ্যে ছড়াচ্ছে বলেও মত ডাক্তারদের একাংশ। ইনফেকশন ডিসিস বিশেষজ্ঞ ঈশ্বর গিলাদা জানাচ্ছেন, এটি একটি ফাঙ্গাল ইনফেকশন। এখনও পর্যন্ত ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের থেকে এই ফাঙ্গাস অনেক বেশি যে ক্ষতিকর তেমন কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলেই জানাচ্ছেন তিনি। তবে এই বিষয়ে আরেকটু গবেষণা প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে।

বৃদ্ধের শরীরে ধরা পড়ে এই ফাঙ্গাস
সদ্য করোনা সংক্রমণ কাটিয়ে উঠেছেন উত্তর প্রদেশের মৌয়ের বাসিন্দা ৭০ বছরের ওই বৃদ্ধ। দিল্লি হাসপাতালে চিকিৎসা হয়েছিল। এপ্রিল মাসেই ছাড়া পেয়েছিলেন তিনি। তারপর থেকে সুস্থই ছিলেন তিনি। গত কয়েকদিন ধরে প্রায় দৃষ্টি শক্তি হারিয়ে ফেলেছেন সেই বৃদ্ধ। চোখের মধ্যে সাদা জেলি জাতীয় তরল জমা হতে দেখা গিয়েছে। প্রাথমিক ভাবে চোখের কোনও ইনফেকশন বলেই মনে হয়েছিল সেটা। সেরকমই চিকিৎসা চলছিল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। চিকিৎসকরা জানিয়েছে করোনা থেকে সেরে ওঠার পর অনেক রোগীরই চোখে সমস্যা হয়। বিশেষ করে যাঁরা স্টেরয়েড নেন এবং ডায়াবেটিকের রোগী তাঁদের শরীরে এই ধরনের সমস্যা দেয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন হোটাইট ফাঙ্গাল ইনফেকশ প্রথমে চিহ্নিত করা যায়নি। পরে একাধিক লক্ষ্মণ দেখে সেটা চিহ্নিত করা হয়েছে।

মহিলা এবং শিশুদের বেশি পরিমাণে আক্রান্ত করতে পারে
বিজ্ঞানীদের একাংশের মত, হোয়াইট ফাঙ্গাস গর্ভবতী মহিলা এবং শিশুদের বেশি পরিমাণে আক্রান্ত করতে পারে। তাই অতি দ্রুত এই ছত্রাক সম্পর্কে আরও জানার চেষ্টা করছেন তাঁরা। ডাক্তারদের একাংশ বলছে, মনে হচ্ছে যে ছত্রাকটি হল কোভিড পরবর্তী অ্যাসপারজিলোসিস (এক ধরনের ফাঙ্গাস)। যা সাদা রঙেরই হয়। কিন্তু হোয়াইট ফাঙ্গাসের তুলনায় ব্ল্যাক ফাঙ্গাস অনেক বেশি মারাত্মক। তাই হোয়াইট ফাঙ্গাস যে বেশি ভয়াবহ হয়ে উঠবে তা মানা যায় না।''












Click it and Unblock the Notifications