নির্বাচনে দল জিতেছে, কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর পদ পেতে ব্যর্থ শিবরাজ ও বসুন্ধরা! তাঁদের ভবিষ্যতের পথ কী?
এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি হিন্দি বলয়ের তিন রাজ্যে জয় পেয়েছে। এই তিন রজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন তা নিয়ে কৌতুহল ছিল অসীম। প্রথমেই হেভিওয়েটদের নাম উঠে এসেছিল। কিন্তু তাঁদেরকে বাদ দিয়ে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নতুন নেতাদের বেছে নেয় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে। বলা যেতে পারে তিন রাজ্যের ক্ষেত্রেই চমক ছিল। তবে বেশি চমক ছিল রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশের ক্ষেত্রে।
বিজেপির তরফে ছত্তিশগড়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রমন সিংকে অধ্যক্ষের পদ দিয়েছে। যেটা সাংবিধানিক পদ। কিন্তু রাজস্থান কিংবা মধ্যপ্রদেশের ক্ষেত্রে তা ঘটেনি। দুই রাজ্যের দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে এবং শিবরাজ সিং চৌহানের অবস্থান এখন অন্য বিধায়কদের মতোই। ইতিমধ্যে শিবরাজ সিং চৌহান ২০২৪-এর জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছেন বলে জানিয়েছেন।

১২ ডিসেম্বর সাংবাদিক সম্মেলনে শিবরাজ সিং চৌহানের সামনে প্রশ্ন ছিল সবাই দিল্লি গেলেও তিনি গেলেন না কেন? সেই সময় তিনি বলেন, তিনি নিজে কিছু চাইতে যাওয়ার আগে মরতে পছন্দ করবেন। তাই তিনি দিল্লি যাননি।
অনেকেই বলেন, বিজেপিতে সংগঠনের কাজ যাঁরা ভাল করেন, শক্তিশালী করেন, তাঁদেরকে পুরস্কার দেওয়া হয়। এবার শিবরাজ সিং চৌহানও কঠোর পরিশ্রম করেছিলেন, প্রচার চালিয়েছিলেন এবং সব শেষে দলকে জয় এনে দিয়েছিলেন। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে পাঁচবারের সাংসদ, ছয়বারের বিধায়ক এবং চারবারের মুখ্যমন্ত্রীকে দল আবার মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসায়নি।
দল এখনও পর্যন্ত তাঁকে বড় কোনও দায়িত্ব না দিলেও মধ্যপ্রদেশে তাঁর জনপ্রিয়তার সুযোগ নিয়ে লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করতে পারে।
তবে বসুন্ধরা রাজের পরিস্থিতি শিবরাজ সিং চৌহানের থেকে খারাপ। দল তাঁকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে। আপাতত তাঁর অবস্থান একজন সাধারণ বিধায়কের মতো হলেও, দল তাঁকে লোকসভা নির্বাচনে সুযোগ দিতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের অনুমান। পাঁচবারের সাংসদ বসুন্ধরা রাজেকে দল এখন লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী করে কিনা এখন সেটাই দেখার।












Click it and Unblock the Notifications