পাবলিক সেফটি অ্যাক্টের অধীনে আটক ওমর ও মুফতি, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ
কাশ্মীরের ন্যাশনাল কনফারেন্স দলের নেতা ওমর আবদুল্লাহ এবং পিপলস ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (পিডিপি) প্রধান মেহবুবা মুফতিকে পাবলিক সেফটি অ্যাক্টের অধীনে আটক করে রাখা হয়েছে।
কাশ্মীরের ন্যাশনাল কনফারেন্স দলের নেতা ওমর আবদুল্লাহ এবং পিপলস ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (পিডিপি) প্রধান মেহবুবা মুফতিকে পাবলিক সেফটি অ্যাক্টের অধীনে আটক করে রাখা হয়েছে। গতকাল এই কথা জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। একই আইনের অধীনে আটক রয়েছেন ওমর আব্দু্ল্লাহর বাবা ফারুক আব্দুল্লাহও।

প্রসঙ্গত,১৯৭৮ সালে জননিরাপত্তা আইন সংক্রান্ত এই পিএসএ আইটনি পাশ করিয়েছিলেন জম্মু ও কাশ্মীরের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী তথা ফারুখ আব্দুল্লাহর বাবা শেখ আবদুল্লাহ। প্রায় চার দশক আগের এই আইন অনুসারে, কোনও বিচার ছাড়াই এই আইনে যে কাউকে দুবছর পর্যন্ত আটক করে রাখা যায়। কয়েক দশক ধরে জঙ্গি, বিচ্ছিন্নতাবাদী এবং ইট-পাটকেল ছোড়ার অপরাধে যুক্তদের বিরুদ্ধে এই আইন ব্যবহার করা হচ্ছিল।
৫ আগস্ট জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহারের ঘোষণার মধ্য দিয়ে কাশ্মিরের বিশেষ অধিকার বাতিল করা হয়। এরপর অপর একটি আইন পাশ করিয়ে জম্মু ও কাশ্মিরকে এবং লাদাখকে পৃথক দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করার কথা ঘোষণা করা হয়।
এই পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে কাশ্মীর জুড়ে মোতায়েন করা হয় বিপুলসংখ্যক অতিরিক্ত নিরাপত্তারক্ষী। ইন্টারনেট-মোবাইল পরিষেবা বন্ধ রাখা হয় বহুদিন। গ্রেফতার করা হয় সেখানকার বিচ্ছিনতাবাদী নেতা ও রাজনৈতিক নেতাদের। ৩৭০ ধারা বাতিলের ঘোষণার আগেই প্রাক্তন দুই মুখ্যমন্ত্রী ওমর আব্দুল্লাহ ও মেহবুবা মুফতিকে আটক করা হয়। কেন্দ্রের দাবি, উপত্যকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতেই প্রতিরোধমূলক ভাবে এই নেতাদের আটক করে রাখা হয়েছে। অবশ্য এইভাবে রাজনৈতিকদের আটক করে রাখার বিরুদ্ধে বহুবার সরব হয়েছে বিরোধীরা।
এর আগে ২০১৬ সালে হিজবুল মুজাহিদিন জঙ্গি বুরহান ওয়ানির মৃত্যুর পর, অশান্ত হয়ে ওঠে কাশ্মীর উপত্যকা । প্রতিবাদে রাস্তায় নামে স্থানীয়রা। সেই সময় ৫৫০ জনেরও বেশি লোককে জননিরাপত্তা আইনে আটক করা হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications