Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

দোলেই তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি! সতর্কতার তালিকায় থাকা শহরগুলির মধ্যে আছে কি বাংলার কোনও জায়গা

Weather Update: দেশ জুড়েই চলছে বসন্ত। তবে এই বসন্তে বাংলা-সহ বিভিন্ন রাজ্যে ইতিমধ্যে বর্ষার মতো বৃষ্টির মুখে পড়েছে। আবার তা শেষ হওয়ার পরে তাপমাত্রা যথাস্থানে ফিরতে শুরু করেছে। দেশের বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থাগুলি দোল পেরোলেই তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি পার হওয়ার সতর্কবার্তা দিয়েছে।

সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, এবার দোলেই তাপমাত্রা বাড়তে চলেছে। দোলেই কোথাও কোথাও ৪০ ডিগ্রি ছুঁয়ে যেতে পারে। আর দোল পেরোলেই তা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পার হয়ে যেতে পারে। শুধু একটি দুটি জায়গায় নয়, অনেক জায়গাতেই তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে থাকবে বলে সতর্ক করা হয়েছে। এব্যাপারে জলবায়ু পরিবর্তনকে দায়ী করা হয়েছে।

গবেষণায় গত কয়েক দশকের মার্চের তাপমাত্রা বিশ্লেষণ করে এবারের মার্চের তাপমাত্রা বৃদ্ধির ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছে। দেখা গিয়েছে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে শীতের পরে মার্চে একধাক্কায় দেশের অনেক জায়গাতেই তাপমাত্রা রেকর্ড বৃদ্ধি পেয়েছে।

তাপমাত্রা বৃদ্ধির বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ১৯৭০-এর দশকে শুধুমাত্র তিন রাজ্য মহারাষ্ট্র, বিহার ও ছত্তিশগড়ে দোলের সময় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রিতে পৌঁছেছিল। কিন্তু এবার এর সঙ্গে রাজস্থান, গুজরাত, তেলেঙ্গানা, মধ্যপ্রদেশ ও অন্ধ্রপ্রদেশেও এই পরিস্থিতি তৈরি হতে চলেছে।

গবেষণায় ১৯৭০-এর জানুয়ারি থেকে ২০২৩-এর ডিসেম্বরের প্রতিটি মাসের জন্য আলাদা করে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সেখানেই বলা হয়েছে মার্চে দোলের সময় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি পেরিয়ে যেতে পাারে।

রাজ্যের নামের পাশাপাশি যেসব শহরে এই তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে তা নিয়েও বলা হয়েছে। অন্তত দশটি শহরে দোলেই তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে রিপোর্টে। তালিকায় ছত্তিশগড়ের বিলাসপুর রয়েছে সব থেকে আগে। সেখানে সব থেকে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি পেরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া অন্য শহরগুলির মধ্যে রয়েছে ইন্দোর, ভোপালও।

এর বাইরে যেসব শহরে তাপমাত্রা অচিরেই ৪০ ডিগ্রি ছুঁতে পারে কিংবা পেরিয়ে যেতে পারে তার মধ্যে রয়েছে, মহারাষ্ট্রের নাগপুর, ছত্তিশগড়ের ভিলাই, রাজস্থানের কোটা, ছত্তিশগড়ের রায়পুর, তামিলনাড়ুর মাদুরাই, রাজস্থানের যোধপুর, গুজরাতের বরোদা, উত্তর প্রদেশের বারাণসী, মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়র, উত্তর প্রদেশের মির্জাপুর ও প্রয়াগরাজ।

অন্যদিকে আবহাওয়া দফতরের তরফে বলা হয়েছে, এই সময় এল নিনোর প্রভাব বেশি থাকে। যে কারণে দেশের বিভিন্ন অংশে তাপপ্রবাহও জারি থাকতে পারে। এল নিনো তখনই ঘটে, যখন নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল স্বাভাবিকের থেকে বেশি উষ্ণ হয়, আর লা নিনা ঘটে, যখন বিপরীত হয়। এল নিনোর ফলে ভারতে বর্ষার সময় শুষ্ক আবহাওয়া থাকে। আর লা নিনার প্রভাবে জুলাই থেকে অক্টোবরে অতিরিক্ত বৃষ্টি হয়। লা নিনা বসন্ত ও গ্রীষ্মে অতিরিক্ত তাপের জন্যও দায়ী বলে জানানো হয়েছে আবহাওয়া দফতরের তরফে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+