যোগীর জন্ম নিয়ন্ত্রণ বিলের বিরোধিতায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদ
যোগীর জন্ম নিয়ন্ত্রণ বিলের বিরোধিতায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদ
দুইয়ের বেশি সন্তান থাকলে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ, পদোন্নতি কিছুই হবে না। সরকারি সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হবেন অভিভাবক। জনসংখ্যা বৃদ্ধি রুখতে এবার এমনই খসড়া বিল পেশ করেছে যোগী সরকার। তবে, অপ্রত্যাশিতভাবে হলেও এই বিলের সর্বপ্রথম বিরোধিতা করল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।

কী রয়েছে সেই বিলে?
বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, অতিরিক্ত জনসংখ্যা একইসঙ্গে ভারতের শক্তি ও দুর্বলতা উভয়ই। জনসংখ্যায় রাশ টানা গেলেই উন্নতি আসন্ন দেশের। ব্যতিক্রম নয় উত্তরপ্রদেশও, তাই রাজ্যের ক্রমবর্দ্ধমান জনসংখ্যাকে রুখতে সম্প্রতি একটি বিল প্রস্তুত করেছে যোগী সরকার৷ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ১৯ জুলাই অবধি এই বিল নিয়ে জনমত সংগ্রহও করছে তারা৷ দুই সন্তান ধারণকারী সরকারি চাকুরিজীবীদের সুযোগ সুবিধা থেকে শুরু করে বছরে দু'বার বেতন বৃদ্ধি। বেতন ও অন্যান্য ভাতা সমেত এক বছরের মাতৃত্বকালীন অথবা পিতৃত্বকালীন ছুটি। একযোগে সমস্ত সুযোগ সুবিধার কথা লেখা আছে সরকারি ওয়েবসাইটে৷ তবে এবার এই জনমত সংগ্রহের সময়ই এর বিরোধিতা করল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।

কী নিয়ে বিরোধিতা?
বিশ্ব হিন্দু পরিষদের বক্তব্য, জন্ম নিয়ন্ত্রণ বিলের একটি সৎ ও মহৎ উদ্দেশ্য থাকলেও এর ছ'নম্বর ধারার ২ নং উপধারা এবং ৭ নং ধারা মোটেও সমর্থনযোগ্য না। কারণ এই দুই ধারায় বলা হয়েছে, যাদের দুইয়ের বেশি সন্তান থাকবে, তাঁরা সরকারি চাকরিতে যোগ দিতে পারবেন না। এবং একটিমাত্র সন্তানের অভিভাবকদের বছরে দুবার অতিরিক্ত বেতনবৃদ্ধি হবে৷ এই বিল আইন আকারে পাশ হলে আদতে ক্ষতি হিন্দুদেরই। কারণ তাঁরাই শুধুমাত্র চাকরির চিন্তা করেন। তাই কাজেই এই আইন মেনে চলতে গেলে কমবে হিন্দু জনসংখ্যা৷ অন্যদিকে মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষরা চাকরির বিষয়ে অতটাও চিন্তিত নন। তাঁরা যথারীতি জনসংখ্যা বাড়িয়েই চলবেন৷

যোগীকে চিঠি
ওয়েবসাইটে নিজেদের মত জানানো তো রয়েছেই৷ একইসঙ্গে এই মর্মে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে একটি চিঠিও পাঠিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। তাঁদের দাবি, হিন্দু স্বার্থ রক্ষার্থেই এই প্রতিবাদে নেমেছেন তাঁরা৷












Click it and Unblock the Notifications