স্কুলের শৌচালয়ে দুই ছাত্রীকে নিগ্রহ, প্রতিবাদে বদলাপুর স্টেশনে ভাঙচুর, পুলিশের লাঠিচার্জ
আরজি কর হাসপাতালের ঘটনায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আন্দোলন চলছে৷ এবার মহারাষ্ট্রের বদলাপুর এলাকায় নির্যাতনের অভিযোগ উঠল৷ খুদে দুই স্কুলছাত্রীর উপর নির্যাতন চলেছে। ঘটনা সামনে আসতেই এদিন তুলকালাম হয়েছে বদলাপুরে।
থানে জেলার একটি স্কুলে দুই ছাত্রীর সঙ্গে এই ঘটনা ঘটেছে। ঘটনা জানাজানি হতেই চড়াও হন অভিভাবকরা। সঙ্গে ছিল স্থানীয় সাধারণ মানুষ। এদিন বদলাপুর স্টেশনে বিক্ষোভ, রেল অবরোধ করা হয়। ভাঙচুর হয়। পুলিশকেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করতে হয়।

কী হয়েছিল স্কুলে? জানা গিয়েছে, গত ১৬ আগস্ট বেসরকারি ইংরাজি মাধ্যম স্কুলের ঘটনা৷ খুদে দুই ছাত্রীর সঙ্গে শৌচালয়ের ভিতর এক সাফাইকর্মী অসভ্যতা করে৷ দুই ছাত্রীই পরে বাড়িতে গিয়ে ঘটনার কথা জানায়। পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। মঙ্গলবার জনরোষ গিয়ে পড়ে স্কুলের উপর৷ এদিন সকাল থেকেই উত্তেজনা ছড়ায়।
বদলাপুর রেল স্টেশনে বিক্ষোভ দেখানো হয়। লাইনের উপর বিক্ষোভকারীরা বসে পড়েন। তাদের অনুরোধ করলেও অবরোধ ওঠেনি৷ পুলিশ অবরোধ তুলতে আসে। তখন ক্ষোভ আরও ছড়িয়ে পড়ে। ভাংচুর চালানো হয়। লাইনে ট্রেন দাঁড়িয়ে যায়৷ পরিস্থিতি আয়ত্ত্বে আনতে পুলিশকেও লাঠিচার্জ করতে হয়৷ পুলিশকে লক্ষ্য করেও রেললাইনের পাথর ছোঁড়া হয়।
থানায় অভিযোগ দায়েরের পরেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিভাবকরা স্কুলের ম্যানেজমেন্টের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছে৷ ছাত্রীদের নিরাপত্তা দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ স্কুল কর্তৃপক্ষ৷ এই কথা বলা হচ্ছে। কেন স্কুলের শৌচালয়ে কোনও মহিলা এটেন্ডেন্ট ছিলেন না? স্কুলের একাধিক সিসিটিভি কেন খারাপ? সেই সব প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
স্কুলের তরফে অভিযোগের পরেই অধ্যক্ষকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। ক্লাস টিচার ও ন্যানিকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে৷ স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের সঙ্গেও কথা বলছে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক রঙও লেগেছে।
সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। মহারাষ্ট্রের উপ মুখ্যমন্ত্রী বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন৷ বিচার যাতে ফাস্ট ট্রযাক কোর্টে হয়৷ সেই আবেদন বিরোধী কংগ্রেস শিবিব থেকে দাবি করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications