SSC Case: বাতিলই হয়ে গেল ২৬ হাজার চাকরি! এসএসসি মামলায় রায় সুপ্রিম কোর্টের; বেতন ফেরতের নির্দেশ
SSC Case: ২০১৬ সালের এসএসসি মামলায় গোটা প্যানেল বাতিলের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল রাখল সর্বোচ্চ আদালত। চাল ও কাঁকর আলাদা করা গেল না। চাকরি চলে গেল ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের। তবে যাদের চাকরি গেল, তাদের মধ্যে নিয়ম বহির্ভূতদের চার বছরের বেতন ৩ মাসের মধ্যে ফেরত দিতে হবে।
পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের ঘোষণা, বড় ধরনের জালিয়াতি হয়েছে যা ঠিক করা সম্ভব নয়। নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে বয়সের ছাড় দিতে হবে। এমনটাই নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের। রাজ্য ও চাকরিহারাদের আবেদনে সাড়া মিলল না সুপ্রিম কোর্টে। গোটা প্রক্রিয়াতেই গরমিল রয়েছে বলে মন্তব্য বিচারপতির। ৩ মাসের মধ্যে নতুন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ।

স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)-এর ২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলার রায় ঘোষণা সুপ্রিম কোর্টের। সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্না এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চ রায় ঘোষণা করে। গত ১০ ফেব্রুয়ারি শীর্ষ আদালতে এসএসসি মামলার শুনানি শেষ হয়। রায় ঘোষণা স্থগিত রেখেছিল আদালত। বুধবার সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্ট জানায়, বৃহস্পতিবার মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।
প্রসঙ্গত, দুর্নীতির অভিযোগে গত ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ার গোটা প্যানেল বাতিল করে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি দেবাংশু বসারক ও বিচারপতি মহম্মদ সব্বরের ওই রায়ের ফলে চাকরি হারান ২৫ হাজার ৭৫৩ জন। চাকরিচ্যুত হন একাদশ-দ্বাদশ, নবম-দশমের শিক্ষক এবং গ্রুপ ডি ও গ্রুপ-সির কর্মীরা।
রায়কে চ্যালেঞ্জ করে পাল্টা সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য। কারা যোগ্য এবং কারা অযোগ্য শুনানিতে বার বার এই প্রশ্ন ওঠে। সঠিক ভাবে যোগ্য-অযোগ্যদের বাছাই করা সম্ভব কি না সেই প্রশ্নও তোলে আদালত। শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন চাকরিচ্যুত বেশ কয়েকজন। আলাদা করে মধ্যশিক্ষা পর্ষদও মামলা করে। ১৯ ডিসেম্বর থেকে একাধিকবার মামলার চূড়ান্ত শুনানি শুরু করে সুপ্রিম কোর্ট। অবশেষে ১০ ফেব্রুয়ারি শেষ হয় শুনানি। যদিও রায়দান স্থগিত রাখে শীর্ষ আদালত।
১০ ফেব্রুয়ারি এসএসসি মামলার চূড়ান্ত শুনানিতে বিভিন্ন পক্ষের হয়ে সওয়াল করেছিলেন অভিষেক মনু সিংভি, মুকুল রোহতগি, পিএস পাতওয়ালা, মনিন্দর সিং, প্রশান্ত ভূষণ, করুণা নন্দী, রঞ্জিত কুমার, মীনাক্ষী অরোরা ও শ্যাম দিওয়ানের মতো বিশিষ্ট আইনজীবীরা। তবে সওয়াল জবাব শেষে কোনও পক্ষই যোগ্য ও অযোগ্যদের পৃথকীকরণ নিয়ে সদুত্তর দিতে পারেনি। এই পুরো প্যানেল বাতিলের নির্দেশ বহাল থাকবে কি না, তা নিয়ে সন্দিহান ছিলেন সকলে। অবশেষে সেই রায়ই বহাল রইল।












Click it and Unblock the Notifications