করোনা থেকে নয়! ব্ল্যাক ফাঙ্গাস হওয়ার মূল কারণ সামনে আনলেন ভিকে পাল
স্টেরয়েড থেকেই ছড়ায় ব্ল্যাক ফাঙ্গাস। শনিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে এমনটাই ব্যাখ্যা দিলেন নীতি আয়োগের সদস্য ড. ভিকে পাল। করোনা সারিয়ে উঠেছেন এমন রোগীদের শরীরে স্টেরয়েডের কারণেই এই ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ছড়ায় বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।
স্টেরয়েড থেকেই ছড়ায় ব্ল্যাক ফাঙ্গাস। শনিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে এমনটাই ব্যাখ্যা দিলেন নীতি আয়োগের সদস্য ড. ভিকে পাল। করোনা সারিয়ে উঠেছেন এমন রোগীদের শরীরে স্টেরয়েডের কারণেই এই ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ছড়ায় বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

এ দিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ড.পাল বলেন, 'স্টেরয়েড জীবনদায়ী। কিন্তু করোনা আক্রান্তদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের আগে সেই স্টেরয়েড যদি বেশি মাত্রায় দেওয়া হয় আর অনির্দিষ্ট সময় ধরে তা সেবন করেন রোগীরা, তাহলেই বিপদ বাড়ে।' চিকিৎসকেরা যাতে সঠিক মাত্রার স্টেরয়েড দেন, সে ব্যাপারে সচেতন করেছেন তিনি।
তিনি জানিয়েছেন, প্রয়োজনের থেকে বেশি ডোজ দিলে আর স্টেরয়েডের নেগেটিভ প্রভাব পড়তে শুরু করে শরীরে। এতে ডায়াবেটিক রোগীদের ক্ষতি হতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন। ড. পাল জানিয়েছেন করোনা থেকে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ছড়ায় এটা ভুল ধারনা।
করোনাকালের আগেই এই ধরনের ছত্রাকের অস্তিত্ব ছিল বলে জানান তিনি। আগেই ডায়াবেটিক রোগীদের মধ্যে এই ছত্রাকের প্রবণতা থাকত, তবে এমন মহামারির আকারে ছড়াতে দেখা যায়নি বলে জানান তিনি।
এই রোগ সম্পর্কে সচেতন করেছে এইমসের ডিরেক্টর ড. রণদীপ গুলেরিয়া। তিনি জানিয়েছেন, করোনা সেরে যাওয়ার পরও যদি শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করেন তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলতে হবে। ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করতে এমনই বার্তা দিয়েছেন এইমসের ডিরেক্টর।
তিনি জানিয়েছেন, করোনার পরও যদি মাথা ব্যাথা না কমে, মুখের কোনও অংশ অবশ হয়ে যায়, তাহলে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে মিউকরমাইকোসিসের পরীক্ষা করার প্রয়োজন আছে। দাঁতও পড়ে যেতে পারে এই রোগে। এক্স রে বা স্ক্যান করলে ধরা পড়ে এই রোগ।
প্রয়োজনে নাজাল এন্ডোস্কোপি করতে হয়। রক্ত পরীক্ষাতেও ধরা পড়ে ছত্রাক।












Click it and Unblock the Notifications