মধ্যরাতের ধাক্কা বিজেপির! মহারাষ্ট্রে শুরু রিসর্ট রাজনীতি
রিসর্টের রাজনীতি। দলের বিধায়কদের দলবদলের হাত থেকে বাঁচাতে রেখে দেওয়া হয় রিসর্টে। যা অতি সাম্প্রতিক সময়ে দেখা গিয়েছে কর্নাটকে।
রিসর্টের রাজনীতি। দলের বিধায়কদের দলবদলের হাত থেকে বাঁচাতে রেখে দেওয়া হয় রিসর্টে। যা অতি সাম্প্রতিক সময়ে দেখা গিয়েছে কর্নাটকে। শনিবার সকালে দেবেন্দ্র ফডনবিশের শপথ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মহারাষ্ট্রেও রিসর্টের রাজনীতি শুরু হয়ে গেল বলে অনেকেই মনে করছেন।

শুক্রবার বিকেলে শিবসেনা, এনসিপি, কংগ্রেস একসঙ্গে জানিয়েছিল মহারাষ্ট্রে সরকার তৈরি করার কথা। যদিও শনিবার সকালে অন্য চিত্র। এনসিপির শারদ পাওয়ার, যিনি আবার শারদ পাওয়ার ভাইপোও বটে, দেবেন্দ্র ফডনবিশকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে উপ মুখ্যমন্ত্রীর পদে শপথ নেন।
সকালে কাকা শারদ পাওয়ার জানা, ভাইপোর অবস্থান সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না। যদিও শারদ পাওয়ারের মেয়ে সুপ্রিয়া সুলে ঘোষণা করে দেন, এনসিপি এবং পাওয়ার পরিবারে বিভাজনের কথা।
এই পরিস্থিতিতে দেবেন্দ্র ফডনবিশ মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী আর অজিত পাওয়ার তার ডেপুটি। ফড়নবিশকে তাঁর সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে হবে। অন্যদিকে শিবসেনা, এনসিপি এবং কংগ্রেস নিশ্চিত বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণে ব্যর্থ হবেন ফড়নবিশ।
মহারাষ্ট্রের সবকটি রাজনৈতিক দলই এখন তাদের বিধায়কদের মহারাষ্ট্র থেকে আলাদা করতে শুরু করে দিয়েছেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, কংগ্রেস তাদের বিধায়কদের রাজ্য থেকে বাইরে নিয়ে যেতে চায়। এর আগে তারা দলের বিধায়কদের মধ্যপ্রদেশে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে চিন্তু করেছিলেন। এবার তারা চিন্তু করছেন বিধায়কদের রাজস্থানের জয়পুরে নিয়ে যেতে। মধ্যপ্রদেশ ও জয়পুর উভয়ই কংগ্রেস শাসিত।
এনসিপি সূত্রে জানা গিয়েছে, তারাও বিধায়কদের 'নিরাপদ' জায়গায় নিয়ে যেতে চায়। তবে তার আগে তারা দেখে নিচ্ছে, বিধায়কদের মধ্যে কতজন শারদ পাওয়ারের সঙ্গে আর কতজন অজিত পাওয়ারের সঙ্গে রয়েছেন।
অন্যদিকে শিবসেনার বিধায়কদের মুম্বইয়ের এক হোটেলে রাখা হয়েছে। তারা অপেক্ষা করছেন, কখন দলের সুপ্রিমো তাঁদের মধ্যে আসবেন।












Click it and Unblock the Notifications