বিধ্বংসী ইয়াসের আগে ভারতের আকাশে সূর্যকে ঘিরে বিরল 'রিং', নেপথ্যে কোন ঘটনা
কার্যত ঘড়ির কাঁটায় টিক টিক শব্দে এগিয়ে চলছে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের কাউন্টজাউন। আবহাওয়া দফতর জানিয়ে দিয়েছে ১৫৫ থেকে ১৬৫ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসছে এই ঝড়। কলকাতার বুকে এই ঝড় ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার গতিবেগে ধেয়ে আসছে। এদিকে, কলকাতা থেকে ১৮৮১ কিলোমিটার দূরে বেঙ্গালুরুর আকাশে দেখা গেল এক বিরল ঘটনা।

বেঙ্গালুরুর আকাশে বিরল দৃশ্য
২০১৬ সালে এমন দৃশ্য কলকাতার বুকে দেখা গিয়েছে। এবার বেঙ্গালুরু দেখল এই বিরল দৃশ্য। সূর্যকে ঘিরে এতটি রংধনু রঙের বলয় এদিন বেঙ্গালুরুর আকাশে দেখা যায়।চোখ ধাঁধানো এই 'রিং' দেখতে মানুষ ঘর থেকে বের হন। মুহূর্তে ছবি ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়।

২২ ডিগ্রি হ্যালো রিং কেন হয়?
প্রসঙ্গত, জ্যোতির্বিদ্যার ভাষায় এই রহস্যময় বলয়কে '২২ ডিগ্রি হ্যালো রিং' বলা হয়। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলেন, বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে ছোট ছোট বরফ কণা রয়েছে। সূর্যের আলো স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে পড়ে তা প্রতিসরণ হয়। এই হ্য়ালো ২২ ডিগ্রি থেকে ৫০ ডিগ্রি পর্যন্ত হতে পারে।

বলয় সবচেয়ে উজ্জ্বল কখন হয়?
জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় , এই বিরল বলয় যা সূর্যকে ঘিরে থাকে, তা ২২ ডিগ্রি হলে সবচেয়ে বেশি উজ্জ্বল হয়। তবে এর থেকে ঠিকরে বেরিয়ে আসা আলো বৃত্তাকার রংধনুর মতো দেখতে লাগে। যার মোহময় রূপ বহু জ্যোতির্বিজ্ঞানপ্রেমীর কাছে আকর্ষক বস্তু।

চন্দ্রেরও থাকে বলয়
বিজ্ঞান বলছে, শুধু সূর্য নয়, চাঁদের চারপাশেও এমন বিরল বলয় দেখা যায়। তবে সূর্যের বলয়ের উজ্জ্বলতার কাছে চাঁদের চারপাশের বলয়ের উজ্জ্বলতা অনেকটাই ম্লান। তবে একদিকে করোনার মতো মারণ প্রকোপ, অন্যদিকে, সাইক্লোন , তার মাঝে আকাশের বুকে এমন বিরল দৃশ্য ঘিরে বহু জল্পনাধর্মী আলোচনাও সোশ্যাল মিডিয়ায় উঠে আসতে শুরু করেছে। অনেকেই এর জ্যোতিষগত প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।












Click it and Unblock the Notifications