জ্যোতিরাদিত্য দল ছাড়তেই রাহুল গান্ধী কী বললেন! উঠছে এক পুরনো নৈশভোজের প্রসঙ্গ
গত বছরের শেষের দিকে, দেশের এক ধনপিত ব্যবসায়ীর বাড়িতে কমল নাথ ও জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকে নিয়ে নৈশভোজে যান রাহুল গান্ধী। মধ্যপ্রেদেশে কমল বনাম জ্যোতি যুদ্ধ থামানোর চেষ্টা করা ছিল সেই বৈঠকের উদ্দেশ্য। তবে সেখানে ঘটে যায় হিতে বিপরীত! আর তারপর মঙ্গলবার জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া কংগ্রেস ছাড়ার পর রাহুল গান্ধীকে এই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে , তিনি মুখ খোলেন।

ক্যাফেতে বসেছিলেন রাহুল.. তারপর?
মঙ্গলবার দোলের দিন মধ্যপ্রদেশ ঘিরে গোটা দেশের রাজনীতি তোলপাড় হয়েছে। প্রবল মোদী হাওয়া কাটিয়ে জিতে নেওয়া মধ্যপ্রদেশ যে সেদিন থেকেই হাত ছাড়া হতে পারে , তার অশনি সংকেত দেখেছে কংগ্রেস। এরপরই আসে জ্যোতিরাদিত্যর ইস্তফার খবর। এমন দিনে সন্ধ্যেবেলা দিল্লির একটি ক্যাফেতে দেখা যায় রাহুল গান্ধী বসে রয়েছেন বন্ধুদের সঙ্গে। এরপর আজ এক সাংবাদিক তাঁকে প্রশ্ন করেন জ্যোতিরাদিত্য প্রসঙ্গে।

জ্যোতিরাদিত্য প্রসঙ্গে কী বলেন রাহুল?
১১ মার্চ সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে দেখা হতেই রাহুল গান্ধী বলেন 'গুড মর্নিং'। এরপর জ্যোতিরাদিত্য প্রসঙ্গ উত্থাপন হতেই তিনি বলেন, এখনই কিছু বলতে চাননা তিনি। যদিও তার খানিক আগেই রাহুল ক্ষোভের সুরে বিজেপির বিরুদ্ধে টুইট করেন।

রাহুলের টুইট
মধ্যপ্রদেশে সরকারের পতন প্রসঙ্গ টেনে, রাহুল টুইটে বলেন, ' এই যে.. পিএমও ইন্ডিয়া.. আপনি যখন নির্বাচিত হওয়া কংগ্রেসের সরকারকে ফেলতে ব্যস্ত, তখন এটা কি দেখেছেন যে বিশ্ব বাজারে তেলের দাম ৩৫ শতাংশ কমেছে। আপনারা কি এর সুফল ভারতবাসীর কাছে তুলেধরতে পারবেন ৬পেট্রোলের দাম ৬০ টাকা প্রতি লিটারের আওতায় করে দিয়ে?..' যাতে অর্থনীতি স্থির অবস্থা থেকে চালিকা শক্তি নেয়, তার সপক্ষে সওয়াল করেন রাহুল গান্ধী।

জ্যোতিরাদিত্যর ইস্তফার দিন কেমন ছিলেন রাহুল?
উল্লেখ্য,জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া যেদিন ইস্তফা দেন তারপরই কংগ্রেস থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়। আর সেই দিন সন্ধ্যেবেলা দিল্লির একটি বিলাসবহুল ক্যাফেতে বন্ধুদের সঙ্গে খোশমেজাজে দেখা যায় রাহুলকে

গত বছরে তিন নেতার নৈশভোজ
এই ঘটনা গত বছরের। যে সময় কমল নাথ ও জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকে নিয়ে এক ধনকুবেরের বাড়িতে নৈশভোজে যান রাহুল গান্ধী। আর সেখানে দুই মধ্যপ্রদেশের নেতার মধ্যে ঠান্ডা লড়াউ থামানোর চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু লাভের লাভ হয় না। সেই সময় দুর্নীতি নিয়ে মুখ খোলেন সিন্ধিয়া। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যে সমস্ত আমলারা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত তাঁদের কমলনাথ সরকরা কেন বদলি করছেন না? যার সদুত্তর দিতে পারেননি রাহুল। আর কমল নাথের সমর্থনেই রাহুলের বার্তা আরও স্পষ্ট হয়। এরপর থেকেই ক্ষোভ আরও বাড়ে জ্যোতিরাদিত্যর।












Click it and Unblock the Notifications