১৫ দিন আগেই নাকি কৃষি বিল প্রত্যাহারের ছক তৈরি করে ফেলেন মোদী! রইল ভিতরের সেই 'গোপন' তথ্য

প্রবল চাপের কাছে নতি স্বীকার মোদী সরকারের। তিন বিতকিত কৃষি আইন প্রত্যাহার করে নিল মোদী সরকার। বিতকিত আইন তুলে নেওয়ার পরেও বিরোধীদের তোপের মুখে কেন্দ্র। আগামী বেশ কয়েকটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। আর সেই নির্বাচনের দ

প্রবল চাপের কাছে নতি স্বীকার মোদী সরকারের। তিন বিতকিত কৃষি আইন প্রত্যাহার করে নিল মোদী সরকার। বিতকিত আইন তুলে নেওয়ার পরেও বিরোধীদের তোপের মুখে কেন্দ্র। আগামী বেশ কয়েকটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। আর সেই নির্বাচনের দিকে তাকিয়েই এই সিদ্ধান্ত বলে দাবি কংগ্রেস সহ সমস্ত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির।

যদিও এই সিদ্ধান্তের জন্যে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বিজেপি। তবে এদিন প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে বলেন, কৃষক বিল ছিল কৃষকদের স্বার্থে। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত দেশের স্বার্থে। কিন্তু এক রাতেই এই সিদ্ধান্ত নিলেন প্রধানমন্ত্রী?

কার্যনির্বাহী বৈঠকে বসে ভারতীয় জনতা পার্টি

কার্যনির্বাহী বৈঠকে বসে ভারতীয় জনতা পার্টি

গত কয়েকদিন আগেই জাতীয় কার্যনির্বাহী বৈঠকে বসে ভারতীয় জনতা পার্টি। দিল্লিতে এই বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে কৃষকদের নিয়ে সরকারের যে সমস্ত সিদ্ধান্ত রয়েছে সেগুলি নিয়ে আলোচনা হয়। শুধু তাই নয়, কৃষকদের স্বার্থে বেশ কিছু রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আর সেখানেই বিতর্কিত এই তিন কৃষি আইনের বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। কৃষি আইনের উল্লেখ সম্পূর্ণ ভাবে বাদ দেওয়া হয়। মনে করা হচ্ছে ওঁই বৈঠকেই কৃষক আইন নিয়ে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে আলোচনা হয়। আর এই জায়গা থেকেই বোঝা যাচ্ছে যে সরকার এবং দলের মধ্যে বিতর্কিত কৃষক আইন নিয়ে রণনীতি তৈরি হয়ে গিয়েছিল।

বিজেপির আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়

বিজেপির আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়

এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে বিজেপির আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে সমস্ত রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্বরা উপস্থিত ছিলেন। সেই বৈঠকে কৃষকদের স্বার্থেই এই বিল বলে দাবি করা হয়েছিল। আর এই বিলকে আইন হিসাবে লাঘু করার জন্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রসংসাও করা হয়।

জানুয়ারিতে সরকার এবং আন্দোলনরত কৃষকদের সঙ্গে আলোচনা হলেও তা ভেস্তে যায়। আর এরপর প্রায় একমাসের মাথাতে ফেব্রুয়ারি মাসে প্রধানমন্ত্রী মোদীর উপস্থিতিতে প্রস্তাবও নেওয়া হয়েছিল। যদিও এই বিষয়ে সরকার কিংবা দলের তরফে কোনও বক্তব্য দেওয়া হয়নি।

তবে এই সিদ্ধান্তে আগামী পঞ্জাবের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ভালো জায়গাতে থাকতে পারে বলে মত রাজনৈতিক কারবারীদের।

কৃষক আইন নিয়ে উল্লেখ করা হয়নি

কৃষক আইন নিয়ে উল্লেখ করা হয়নি

গত ৭ নভেম্বর হওয়া রাষ্ট্রীয় কার্যকরী সমিতিতে হওয়া প্রস্তাবে কৃষক বিল নিয়ে কোনও আলোচনা করা হয়নি। এমনটাই দাবি এক সংবাদমাধ্যমের। যেখানে কৃষক সংক্রান্ত একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। শুধু তাই নয়, কৃষকদের জন্যে চলা একাধিক প্রকল্পের বিষয়েও আলোচনা করা হয়। তাহলে কি উত্তর প্রদেশ এবং গ পঞ্জাব ভোটের দিকে তাকিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে? ভোটের দিকে তাকিয়ে দলের শীর্ষ স্তরে কৃষি বিল নিয়ে আলোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত। সম্ভবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে বিতর্কিত কৃষি বিল তুলে নেওয়ার জন্যে মোদীকে বিজেপির তরফে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।

আলোচনাতে রাজি ছিল সরকার

আলোচনাতে রাজি ছিল সরকার

বিজেপির জাতীয় কার্যনির্বাহী বৈঠকে নেওয়া রাজনৈতিক প্রস্তাব নিয়ে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বারবার জানিয়েছেন, কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমার আন্দোলনরত কৃষকদের সঙে একাধিকবার আলোচনা করতে চেয়েছিল। সরকার কৃষক আইন নিয়ে প্রথমদিন থেকে সংবেদনশীল ছিল। বিল নিয়ে ভাবনা চিন্তা করা হয়। এমনকি আলোচনার পরে বিতর্কিত এই বিল তুলে নেওয়া হবে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী। তাহলে কি গত ১৫ দিন আগেই সবকিছু ঠিক হয়ে গিয়েছিল? ঘোষণা হল শুধু আজ।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+