বিজেপির জোট ভেঙে বেরিয়ে যাচ্ছেন নীতীশ কুমার! বিধানসভা ভোটে লক্ষ্যে স্থির জেডিইউ
বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের জোটসঙ্গী বিজেপি। কিন্তু ঝাড়খণ্ডে বিজেপিকে সঙ্গে নিয়ে ভোট করতে রাজি নয় জনতা দল ইউনাইটেড।
বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের জেডিইউ-এর জোটসঙ্গী বিজেপি। কিন্তু ঝাড়খণ্ডে বিজেপিকে সঙ্গে নিয়ে ভোট করতে রাজি নয় জনতা দল ইউনাইটেড। আসন্ন ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনের বিজেপিকে জোটের বাইরে রেখেই নির্বাচনে লড়তে চাইছেন নীতীশ কুমার। তবে এর কোনও প্রভাব বিহারে পড়বে না বলে জানানো হয়েছে দুই দলের পক্ষ থেকেই।

জেডিইউয়ের টার্গেট
ঝাড়খণ্ডে ভোটের আগে জেডিইউ-এর এক প্রবীণ নেতা জানিয়েছেন, রাজ্যের ৮১টি আসনের মধ্যে ৬৫ টিরও বেশি আসনে জয় আমাদের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যপূরণে আমাদের সর্বোচ্চ সংখ্যক আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে। তাই বিজেপির সঙ্গে জোটে যাওয়ার কোনও অভিপ্রায় নেই জেডিইউয়ের।

২০১৩ সাল থেকে বিচ্ছিন্ন
২০০০ সালের নভেম্বরে বিহার থেকে বিচ্ছিন্ন হয় ঝাড়খণ্ড। তারপর এ রাজ্যে তিনটি বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে। কিন্তু কোনও আসনেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি জেডিইউ। বিজেপি ও জেডিইউ ঝাড়খণ্ডে জোট শরিক ছিল আগে। ২০১৩ সালে বিচ্ছেদ হয় বিজেপি-জেডিইউয়ের।

মোদীর উত্থানের বিরোধিতায়
২০১৩ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রচার কমিটির প্রধান হিসাবে নরেন্দ্র মোদীর উত্থানের বিরোধিতা করে এনডিএ থেকে বেরিয়ে আসেন নীতীশ কুমার। সেই যে বিচ্ছেদ ঘটে বিজেপি-জেডিইউ জোটের, আর জোড়া লাগেনি এ রাজ্যে। যদিও বিহারে ফের দুই দল জোট করে সরকার চালাচ্ছে।

গত তিন নির্বাচনে জেডিইউ
উল্লেখ্য, ২০০৫ সালে প্রথম বিধানসভা নির্বাচনে জেডিইউ ৬টি আসন পেয়েছিল। মাত্র ৪ শতাংশ ভোট পেয়ছিল নীতীশ কুমারের দল। এরপর ২০০৯ সালে ২টি আসন কমে দাঁড়ায় জেডিইউ। ভোট শতাংশ নেমে আসে ২.৮-এ। ২০১৪ সালে জেডিইউ মাত্র ১ শতাংশ ভোট পায়। ২০১৪ সালের বিধানসভা ভোটে ৮টি আসনে প্রার্থী দিতে সমর্থ হয় জেডিইউ।

২০১৯-এর লক্ষ্য নীতীশের
বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের ঘনিষ্ঠ জেডিইউ-এর কার্যনির্বাহী সভাপতি জানান, আমরা ডিসেম্বর নির্বাচনে একটি শক্তিশালী দল হিসেবে উঠে আসতে চলেছি। তার জন্য ভিত গড়ে তোলা হয়েছে। এবার সেইমতো এ রাজ্যে সাফল্ আনাই আমাদের মূল লক্ষ্য।












Click it and Unblock the Notifications