রাজ্যের বকেয়া ১৬৯৮২ কোটি পরিশোধের সিদ্ধান্ত জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে, বড় ঘোষণা নির্মলার
জিএসটির সম্পূর্ণ হিসেব এখনও উপলব্ধ নয়। সরকার তাদের নিজস্ব সম্পদ থেকে এই বকেয়া মিটিয়ে দেবে বলে জানিয়েছে
রাজ্যের জিএসটি বকেয়া বাবদ ১৬৯৮২ কোটি টাকা পরিশোধের সিদ্ধান্ত নিলেন অর্থমন্রী া নির্মলা সীতারামন। শনিবার জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেন জুনের মধ্যে জিএসটি কমপেনশেসন বাবব বকেয়া মিটিয়ে দেওয়া হবে রাজ্যগুলির।
কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বলেন, রাজ্যগুলি জিএসটি ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত বকেয়া মেটানোর দাবিতে সরব হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। সেই বকেয়া মিটিয়ে দেবে কেন্দ্র। শনিবারের বৈঠকে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শনিবার থেকেই এই বকেয়া মেটানো শুরু হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এদিনের বৈঠকে জানিয়েছেন জিএসটি বাবদ বকেয়ার সম্পূ্র্ণ অর্থ একেবারে মেটানো সম্ভব নয়। জিএসটির সম্পূর্ণ হিসেব এখনও উপলব্ধ নয়। সরকার তাদের নিজস্ব সম্পদ থেকে এই বকেয়া মিটিয়ে দেবে বলে জানিয়েছে। পরে এই অর্থ সেস থেকে পুনরুদ্ধার করা হবে।
অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন আরও বলেন, জিএসটি কাউন্সিল তরল গুড়ের উপর জিএসটি হার ১৮ শতাংশ থেকে শূন্য বা ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জিএসটি হার শূন্য হবে যদি প্যাকেজিং না হয়। জিএসটির হার ৫ শতাংশ হবে যদি এটি প্যাকেজিং এবং লেবেল করা হয়।
এছাড়া পেন্সিল শার্পেনারে জিএসটি হার ১৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১২ শতাংশ করা হয়েছে। শর্তসাপেক্ষে, ট্যাগ ট্র্যাকিং ডিভাইসে জিএসটি হ্রাস করা হয়েছে। জিএসটি কাউন্সিল রিভার্স চার্জ মেকানিজমের অধীনে আদালত এবং ট্রাইব্যুনাল দ্বারা প্রদত্ত পরিষেবার উপর কর কার্যকর করার কথাও ঘোষণা করেছে এদিনের বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী।
জিএসটি কাউন্সিল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য প্রবেশিকা পরীক্ষা পরিচালনার জন্য জাতীয় সংস্থার পরিষেবাগুলির উপরও জিএসটি ছাড়ও থাকবে। সরকার বিলম্বিত বার্ষিক রিটার্ন দাখিলের জন্য জিএসটি বরাদ্দ করবে। বিশেষ করে ২০২৩ সাল থেকে ডিএসটি ফর্ম নাইনের জন্য তা ধার্য হবে।
এদিকে জিএসটি কাউন্সিল জিএসটি আপিল ট্রাইব্যুনালে ভাষা পরিবর্তনের অনুমোদন দিয়েছে। সংশোধিত খসড়া এক সপ্তাহের মধ্যে প্রদান করা হবে। জিএসটি ট্রাইব্যুনালের আপডেট করা সরকারের রিপোর্ট ১ মার্চের মধ্যে তৈরি করা হবে এবং ফিনান্স বিলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
জিএসটি ট্রাইব্যুনাল গঠনের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি জানান, শিল্প ক্ষেত্র থেকে চাপ ছিল তা করার জন্য। সেইমতো জিএসটি ট্রাউব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। এই ট্রাইব্যুনাল হাইকোর্টে মামলা মোকদ্দমা কমাতেও সাহায্য করবে। আগামী ত্রৈমাসিকের শেষে এ বিষয়ে মধ্যে চূড়ান্ত নির্দেশিকা জারি করা হতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications