Nipah Virus: কেরল কাঁপাচ্ছে নিপার বাংলাদেশ ভ্যারিয়েন্ট, ভয়ঙ্কর সংক্রামক, ২ দিনের স্কুল ছুটি কোঝিকোড়েতে
কেরলে ছড়ানো িনপা ভাইরাসের সংক্রমণের নেপথ্যে রয়েছে বাংলাদেশ ভ্যারিয়েন্ট। দ্রুত এক ব্যক্তি থেকে আরেক ব্যক্তির শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। ভয়ঙ্কর সংক্রামক এই ভ্যারিয়েন্ট। সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করেছেন চিকিৎসক এবং গবেষকরা। ইতিমধ্যেই কেরলে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
৫ জনের শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে সংক্রমণ। একাধিক জায়গায় তার জেরে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। কোঝিকোড়েতে সব স্কুল কলেজে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে ২ দিনের জন্য। কন্টেনমেন্ট জোন ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে। কন্টেনমেন্ট এলাকায় বন্ধ রাখা হয়েছে স্কুল-কলেজ-অফিস-ব্যাঙ্ক। সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অত্যাবশ্যকীয় জিনিসের দোকান খোলা রাখার অনুমতি রয়েছে।

যদিও নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ কেরলে এই প্রথম নয়। এর আগে ২০১৮ সালে প্রথম নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ কেরলে দেখা গিয়েছিলেন। বাদুর থেকেই এই ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছিল কেরলে। সেবার কেরলে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণে ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল। তারপরে আবার ২০২১ সালে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়ায় কেরলে। করোনার মাঝে নিপার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় নয়া উদ্বেগ দেখা দিয়েছিল দেশে।
যদিও নিপা প্রথম চিহ্নিত হয়েছিল ১৯৯৯ সালে। মালয়েশিয়া এবং সিঙ্গাপুরে প্রথম নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়ায়। প্রায় ৩০০ জন তাতে সংক্রমিত হয়েছিলেন। মারা গিয়েছিলেন ১০০ জনেরও বেশি। নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে গবেষকরা তখন থেকেই সতর্ক করেছিলেন। এর থেকে গোটা বিশ্বে মহামারী ছড়িেয় পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। নিপা ভাইরাসকে জোনোটিক ভাইরাস বলে দাবি করেছেন গবেষকরা। জোনোটিক অর্থাৎ পশুপাখি থেকে মানুষের শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে এই ভাইরাস।
নিপা ভাইরাসের বাহত বাদুড়। যেসব বাদুড় ফল খায় সেই সব বাদুড়ের শরীরে নিপা ভাইরাস থাকে। আবার ফ্লাইং ফক্সও এই নিপা ভাইরাসের বাহক। এমকি শুয়োর থেকেও নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়ায়। কোরলে যে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়েছে ফল খাওয়া বাদুড় থেকে। যদি কড়া হাতে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা না হয় তাহলে ভারতের অন্যান্য রাজ্যেও ছড়িয়ে পড়বে এই ভাইরাসের সংক্রমণ। এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন গবেষকরা।
করোনার মতো দ্রুত সংক্রমণ ছড়ায় না ঠিকই তবে সংক্রমিত ব্যক্তির কাছাকাছি থাকলে এই ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। নিপা দ্রুত না ছড়ালেও এর মারণ ক্ষমতা বেশি। সেকারণেই নিপা ভাইরাস নিয়ে বেশি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন গবেষকরা। প্রথম হালকা জ্বর দিয়ে শুরু হয়। ১৪ দিনের মধ্যে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ মারাত্মক আকার নিতে পারে। সংক্রমনের পর প্রথম তিনদিন জ্বর আর মাথাব্যাথার উপসর্গ দেখা দেয়। তারপরে ধীরে ধীরে শ্বাসকষ্ট, সর্দিকাশি, গলা ব্যাথা শুরু হয়। এনসেফ্যালাইটিসে আক্রান্ত হতে শুরু করেন আক্রান্ত ব্যক্তি। মস্তিষ্কের পেশীগুলি ফুলে যায়। আচ্ছন্ন হয়ে পড়েন আক্রান্ত ব্যক্তি। মানসিক বিভ্রান্তি তৈরি হয়। ঠিক মতো চিকিৎসা না হলে কোমাতেও চলে যেতে পারেন আক্রান্ত ব্যক্তির।












Click it and Unblock the Notifications