দেশে কার্যকর নতুন টেলিযোগাযোগ আইন! গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি আমার-আপনার জানা জরুরি
বুধবার থেকে সারা দেশে চালু টেলিকমিউনিকেশন অ্যাক্ট ২০২৩। এর বিধানগুলি ভারতীয় টেলিগ্রাফ অ্যাক্ট ১৮৮৫, টেলিগ্রাফি অ্যাক্ট ১৯৯৩, টেলিগ্রাফ অয়্যার্স অ্যাক্ট ১৯৫০-কে প্রতিস্থাপন করবে। নতুন আইনটি টেলিযোগাযোগের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য প্রযুক্তিগত অগ্রগতির কথাই বলছে।
কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে টেলিকমিউনিকেশন অ্যাক্ট ২০২৩ চালু করতে ২৬ জুন নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই দিন থেকে ওই আইনের ১,২,১০ থেকে ৩০, ৪২ থেকে ৪৪, ৪৬, ৪৭. ৫০, ৫৮, ৬১, ৬২ ধারাগুলি বলবত হবে। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে এমনটাই বলা হয়েছে।

বুধবার অর্থাৎ ২৬ জুন থেকে চালু টেলিকমিউনিকেশন অ্যাক্ট ২০২৩। সেখানে বলা হয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে, বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে সঙ্গে সম্পর্ক কিংবা যুদ্ধের ক্ষেত্রে সরকার যে কোনও টেলি যোগাযোগা পরিবেষা বা নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ কিংবা পরিচালনার দায়িত্ব নিতে পারবে।
নতুন আইনে সাধারণ মানুষ নিজের নামে সর্বাধিক নয়টি সিম কার্ড নথিভুক্ত করতে পারবে। তবে জম্মু ও কাশ্মীর এবং উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির ক্ষেত্রে এই সংখ্যা ছয়ে বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এই সীমা প্রথমিবার লঙ্ঘন করলে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দেওয়া হবে। আর দ্বিতীয়বার লঙ্ঘন করলে আরও দুইলক্ষ টাকা জরিমানা দেওয়া হবে।
এক্ষেত্রে যদি কেউ প্রতারণা করে অর্থাৎ শান্ককরণের নথি ব্যবহার করে সিম কার্ড নেয়, তাহলে তিন বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে কিংবা উভয় দণ্ডই হতে পারে। এছাড়া ব্যবহারকারীর সম্ময়তি ছাড়া বাণিজ্যিক বার্তা প্রেরিত হলে সংশ্লিষ্ট অপারেটরকে দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে। এছাড়া সেই অপারেটরকে কোনও পরিষেবা প্রদানে নিষিদ্ধ করা হতে পারে। ফলে নতুন আইনে ব্যবহারকারীরা স্প্যাম ও ম্যালিসিয়াস যোগাযোগ থেকে রক্ষা পাবেন।
এই নতুন নিয়মগুলি চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইউনিভার্সাল সার্ভিস অবলিগেশন ফান্ড পরিবর্তিত হয়ে ডিজিটাল ভারত নিধি হয়ে যাবে। সেই অর্থ গ্রামীণ এলাকায় টেলিকম পরিষেবা প্রতিষ্ঠায় সহায়তার পরিবর্তে গবেষণা, উন্নয়ন ও পাইলট প্রকল্পগুলির অর্থায়নের জন্য ব্যবহার করা হবে। নতুন আইনের ধারাগুলি বাস্তবায়িত হলে, কেন্দ্রীয় সরকার কেবিল করিডর স্থাপন করতে পারবে।












Click it and Unblock the Notifications