• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

দাদরির ছায়া হরদায় : ব্যাগে গো-মাংস রয়েছে ভেবে মার মুসলিম দম্পতিকে

ভোপাল, ১৫ জানুয়ারি : উত্তরপ্রদেশের দাদরির পরে এবার পাশের রাজ্য মধ্যপ্রদেশের হরদা। ব্যাগে গো-মাংস রয়েছে, শুধুমাত্র এই অভিযোগে এবার মার খেতে হল এক মুসলমান দম্পতিকে।

মধ্যপ্রদেশের হরদা জেলায় উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন 'গো-রক্ষা সমিতি' এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। কুশীনগর এক্সপ্রেসের সাধারণ কামরায় উঠে এই সংগঠনের সদস্যরা যাত্রীদের ব্যাগ তল্লাশি করতে শুরু করেন। কেউ গো-মাংস নিয়ে যাচ্ছে, এমনটাই নাকি তাদের কাছে খবর ছিল।

দাদরির ছায়া হরদা : ব্যাগে গো-মাংস ভেবে মার মুসলিম দম্পতিকে

কেউ কেউ ব্যাগ তল্লাশিতে অনুমতি দিলেও রাজি হননি মহম্মদ হোসেন (৪৩) ও তাঁর স্ত্রী। আর তার বদলে জোর করে তাদের ব্যাগ তল্লাশি তো করা হয়ই, এমনকী মারধরও করে গো-রক্ষক সমিতির গুণধর সদস্যরা।

মহম্মদ হোসেন ও তাঁর স্ত্রী জানান, তাঁরা হায়দ্রবাদ থেকে নিজেদের বাড়ি হরদাতে ফিরছিলেন। সেইসময়ই তাঁদের উপরে হামলা হয়। সাহায্যের জন্য চিৎকার করতে এক কনস্টেবল এসে দুজনকে উদ্ধার করেন।

ঘটনায় বিস্মিত ও অপমানিত মহম্মদ হোসেন বলেন, "আমরা ভারতে থাকি ও জানি কী করতে হয় আর কী হয় না। আমরা শুধুমাত্র ছাগলের মাংস খাই। অন্য কিছু খাই না। আর যে কালো প্যাকেটে মাংস পাওয়া গিয়েছে তা আমাদের নয়।"

ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সমিতির দুই সদস্যকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় কমপক্ষে সাতজন জড়িত রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে পুলিশ। বাকীদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

প্রসঙ্গত, গত বছরের সেপ্টেম্বরে উত্তরপ্রদেশের দাদরিতে মহম্মদ আখলাক নামে একজনকে গো-মাংস রাখার ও খাওয়ার অভিযোগে হত্যা করা হয়। যা নিয়ে সারা দেশে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। পরে জানা যায়, আখলাকের বাড়িতে থাকা মাংস গো-মাংস ছিল না।

English summary
MP shocker! Muslim couple beaten on suspicion of carrying beef, bags searched
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more