গালোয়ান উপত্যকায় ফের লালফৌজের মুখোমুখি ভারতীয় সেনা, নয়াদিল্লির উত্তরে জল্পনা
পূর্ব লাদাখের (eastern ladakh) গালোয়ান উপত্যকায় (galwan valley) ফের লালফৌজের মুখোমুখি ভারতীয় সেনা (indian army)। মে মাসের প্রথম সপ্তাহে এই ঘটনা ঘটে বলে সূত্রের খবর। তবে কোনও সংঘর্ষের হয়নি। দুপক্ষই একে ওপরকে সরিয়ে ন
পূর্ব লাদাখের (eastern ladakh) গালোয়ান উপত্যকায় (galwan valley) ফের লালফৌজের মুখোমুখি ভারতীয় সেনা (indian army)। মে মাসের প্রথম সপ্তাহে এই ঘটনা ঘটে বলে সূত্রের খবর। তবে কোনও সংঘর্ষের হয়নি। দুপক্ষই একে অপরকে সরিয়ে নেয় খুব তাড়াতাড়ি।

গালোয়ানে নো পেট্রোলিং জোন
২০২০-র ১৫ জুন। গালোয়ানে লালফৌজের অতর্কিত আক্রমণে মৃত্যু হয়েছিল ২০ জন ভারতীয় সেনার। তারপর থেকে সেখানকার ৩ কিমি এলাকায় নো পেট্রোলিং জোন তৈরি করা হয়েছিস। দুপক্ষের ১.৫ কিমি এলাকা নিয়ে তৈরি হয়েছিল এই এলাকা। পায়ে টহল দেওয়ার ক্ষেত্রে ৩০ দিনের একটি স্থগিতাদেশও তখন কার্যকর করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে এই সময়সীমা বাড়ানো হয়েছিল কিনা তা জানা নেই।

ভারতীয় সেনার অস্বীকার
মে মাসের প্রথম সপ্তাহের গালোয়ানে ফের মুখোমুখি হয়ে পড়ে ভারতীয় সেনা ও লালফৌজ। যদিও ভারতীয় সেনার তরফে জানানো হয়েছে এমন কোনও ঘটনা ঘটেনি। পূর্ব লাদাখ নিয়ে যে আলোচনা চলছে, তাকে লাইনচ্যুত করতেই এই ধরনের খবর পরিবেশন করা হচ্ছে বলে, মন্তব্য করা হয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর তরফে।

মুখোমুখি দুপক্ষ
সূত্রের খবর অনুযায়ী , গতবছর যে যে নো পেট্রোলিং এলাকা তৈরি করা হয়েছে, তা ঠিকমতো মানা হচ্ছে কিনা, একপক্ষ অন্যপক্ষের সীমানা অতিক্রম করছে কিনা, তা নিয়ে সজাগ দুপক্ষই। বিভিন্ন সময়ে পেট্রোলিং চলে। মেমাসের শুরুতে কিন্তু নির্দিষ্ট একটি দিনে, ভারত এবং চিনের সেনা একই সময়ে এলাকায় পৌঁছে গিয়েছিল। কিন্তু দুপক্ষই খুব তাড়াতাড়ি সরে যায়। ওই সূত্রটি আরও জানাচ্ছে নো পেট্রোলিং জোনের বাইরে চিনের ক্যাম্প এখনও রয়েছে। আর গতবছরের থেকে সেনার সংখ্যা কমায়নি তারা।

১১ রাউন্ড আলোচনা হয়েছে
গতবছরে এপ্রিল-মে মাসে ভারতীয় ভূখণ্ডকে নিজেদের বলে দাবি করে চিনের সেনাবাহিনী। কিন্তু ভারতীয় বাহিনীর তরফে বলা হয়, প্রতিদিন তারা এলাকায় টহল দেয়। ফলে সেটা ভারতেরই নিয়ন্ত্রণ রেখা। আগে চিনের সেনা এলাকায় টহল দিত এবং চলে যেত। কিন্তু গত এপ্রিল-মে মাসের পর থেকে সেখানে ভারতের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার ৬০০-৮০০ মিটারের মধ্যে অবস্থান করছে চিনা সেনারা। গত বছরের এপ্রিলে লালফৌজ ভারতীয় সেনাকে ১০ টি পেট্রোলিং পয়েন্টে যেতে বাধা দেয়। পরবর্তী সময়ে গত একবছরে ভারত ও চিনের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে ১১ রাউন্ড কথা হয়েছে। তবে এলাকায় চিনের সেনার তৎপরতার কারণে এপ্রিলের শুরু থেকে ভারতীয় এলাকায় গবাদি পশুর চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications