মহারাষ্ট্রে শিবসেনা-বিজেপির 'মধুচন্দ্রিমা' মিটতেই দিল্লিতে কী দাবি করলেন 'সেনা' সাংসদ
রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় মুম্বইয়ে বৈঠক শেষে গাড়িতে উঠতে উঠতেও শিবসেনার সঞ্জয় রাউত সাংবাদিকদের সদর্পে জানিয়ে দিয়েছেন মহারাষ্ট্রে যদি কোনও সরকার গঠিত হয়, তাহলে তার মুখ্যমন্ত্রী হবেন শিবসেনার কেউ। এই মন্তব্যের আগে পরে আরব সাগরের উপকূল একাধিক রাজনৈতিক সাইক্লোন দেখেছে গত কয়েক সপ্তাহ। বিজেপির ১০৫ আর শিবসেনার ৫৬ টি আসনের মধ্যে 'পাওয়ার'এর লড়াই নিয়ে ভোট পরবর্তী সময় থেকেই রাজনৈতিক পারদ তুঙ্গে রেখেছে গেরুয়া শিবির। শেষে মারাঠাভূমে শিবসেনা-বিজেপির ' মধুচন্দ্রিমা পর্ব' কেটে যেতেই এবার দিল্লির তখতেও শুরু হয়েছে দ্বন্দ্বের খেলা!

অরবিন্দ সাওয়ান্তের ইস্তফা
শিবসেনা সাংসদ অরবিন্দ সাওয়ান্ত যে দিল্লিতে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার ছেড়ে দিচ্ছেনই তা আগেই জানা গিয়েছিল। এদিন সরকারিভাবে তা ঘোষিত হয়েছে।
|
অরবিন্দ সাওয়ান্তের বোমা
মারাঠাভূমে যখন বিজেপি -শিবসেনা কোন্দল তুঙ্গে তখন অরবিন্দ সাওয়ান্তে দিল্লিতে এনডিএ সরকারের হাত ছাড়লেন। এরপরই তিনি টুইটারে লেখেন যে , শিবসেনার পক্ষই হল সত্যের পক্ষ। এমন পরিস্থিতিতে দিল্লির সরকারে থেকে আর কী লাভ!
প্রসঙ্গত, অরবিন্দের এই টুইট থেকেই স্পষ্ট যে মহারাষ্ট্রে সরকার গঠনের জমি পোক্ত করতে কতটা মরিয়া শিবসেনা।

মারাঠা রাজনৈতিক গণিত
মহারাষ্ট্রের 'স্ট্রং ম্যান' শারদ পাওয়ারের এনসিপি শিবসেনার দিকে সরকার গঠনের হাত বাড়াতেই বিজেপির সঙ্গে প্রকাশ্যেই দূরত্ব বাড়াতে শুরু করে শিবসেনা। ঠাকরে পরিবারের তরফে আদিত্যকে মহারাষ্ট্রের তখতে বসাতে মরিয়া শিবসেনা এরপর থেকে মহারাষ্ট্রে সরকার গঠনের জন্য গেমপ্ল্যান স্থির করে ফেলে। প্রসঙ্গত, পাওয়ার গোষ্ঠীর শর্ত ছিল, শিবসেনা যদি বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে,তাহলেই এই জোট সম্ভব হবে। আর এদিন খাতায় কলমে কার্যত শিবসেনা-বিজেপি জোট বিচ্ছেদের সুর ধরে নিয়েছে।

ফের নির্বাচন!
মহারাষ্ট্রে ফের একবার নির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে দাবি করেছেন কংগ্রেসের সঞ্জয় নিরুপম। কংগ্রেসের এই 'বম্বশেল ' মন্তব্যে মারাঠা রাজনীতির অন্দরমহলের গতিবিধি নিয়ে ফের জল্পনা তুঙ্গে ওঠে।












Click it and Unblock the Notifications