ভোটারদের আধারের তথ্য বিজেপির হাতে! নির্বাচন পিছোনো সম্ভব কি না প্রশ্ন হাইকোর্টের
দেশের চারটি রাজ্যের পাশাপাশি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে কেন্দ্র শাসিত রাজ্য পুদুচেরিতেও। তবে এই নির্বাচন উপরই দেখা দিল প্রশ্নচিহ্ন। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি পুদুচেরিতে অভিযোগ ওঠে, মোবাইল ফোনের সঙ্গে লিঙ্ক থাকা আধার কার্ডের থেকে তথ্য সংগ্রহ করে ভোটারদের প্রভআবিত করার চেষ্টা করছে বিজেপি। এই প্রেক্ষিতে একটি মামলা হয় মাদ্রাস হাইকোর্টে। সেই প্রেক্ষিতে এদিন আদালতের পক্ষ থেকে প্রশ্ন করা হয়, পুদুচেরির নির্বাচন পিছোনো সম্ভব কি না।

'পুদুচেরির নির্বাচন কেন পিছোনো সম্ভব নয়?'
৬ এপ্রিল একদফায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা পুদুচেরিতে। এই আবহে আধারের তথ্য ব্যবহার করে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ ওঠায় সেরাজ্যের রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মাদ্রাস হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়। সেই প্রেক্ষিতে মাদ্রাস হাইকোর্ট এদিন প্রশ্ন করে, 'পুদুচেরির নির্বাচন কেন পিছোনো সম্ভব নয়?'

ভোটারদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ইনভিটেশন পাঠানো হচ্ছে
এখনও পর্যন্ত যত জনমত সমীক্ষা হয়েছে, সবকটিতেই দেখা গিয়েছে বিপুল ব্যবধানে এবার পুদুচেরিতে সরকার গঠন করতে চলেছে বিজেপির এনডিএ জোট। তবে এরই মধ্যে অভিযোগ ওঠে, আধার কার্ডের সঙ্গে যুক্ত ফোন নম্বরের তথ্য হাতিয়ে নাকি বিজেপির তরফে বুথ পর্যায়ে ভোটারদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ইনভিটেশন পাঠানো হচ্ছে।

ব্যক্তিগত তথ্য চুরির অভিযোগ
এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বাম যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই মাদ্রাস হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়। মামলা দায়ের হতেই বিজেপির তরফে জানানো হয়, দলের আইনি দলের তরফে এই বিষয়ে জবাব জমা দেওয়া হবে মাদ্রাস হাইকোর্টে। যদিও মামলাকারীর অভিযোগ, এভাবে ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করা আইনত অপরাধ। তবে বিজেপি তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে এসব করছে।

নির্বাচন কমিশন কী করছে?
এদিকে আদালত এদিন এই মামলার প্রেক্ষিতে বলে, 'নির্বাচন কমিশন এই ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব সাইবার ক্রাইম বিভাগের উপর দিয়েছে। তবে শুধু তদন্তের দায়িত্ব দিয়ে পার পাওয়া যাবে না। নির্বাচন কমিশনকে নিজে এই বিষয়ের তদন্ত করতে হবে। কারণ বর্তমানে সেখানে তারাই প্রশাসনের দায়িত্বে। এই ইস্যুটিকে চূড়ান্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।'
বাঁকুড়ায় দলীয় প্রার্থী সায়ন্তিকার প্রচারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়












Click it and Unblock the Notifications