কাশ্মীরে ড্রোন হামলার তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে, NIA-কে কী জানালেন স্থানীয়রা
কাশ্মীরে ড্রোন হামলার তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে, NIA-কে কী জানালেন স্থানীয়রা
জম্মু বিমান বন্দরে বিস্ফোরণের ঘটনায় এনআইএ-র হাতে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে যে তথ্য তদন্তকারীরা পেয়েছেন তাতে তাঁরা নিশ্চিত যে দুটি ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছিল বিস্ফোরণের জন্য। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন তাঁরা বিস্ফোরণের দিন জম্মুর আকাশে দুটি ড্রোন দেখতে পেয়েছিলেন। ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের দিক থেকেই ড্রোন গুলি উড়ে এসেছিল বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

কোন দিক থেকে এসেছিল ড্রোন
জম্মু বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের জেরা করে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে এসেছে এনআইএ-র তদন্তকারীদের কাছে। তাঁরা জানতে পেরেছেন ঘটনার দিন দুটি ড্রোন দেখা গিয়েছিল আকাশে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানে জানা গিয়েছে পাকিস্তানের দিক থেকেই ড্রোন গুলি উড়ে এসেছিল। তাওই নদীর আনের উঁচু দিয়ে ড্রোন গুলি উড়ে এসেছিল বিমান বন্দরের দিকে।

ইরাকের অনুকরণে বিস্ফোরণ
জম্মু বিমানবন্দরে আরডিএক্স দিয়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল। ড্রোনের সাহায্যে যেভাবে আরডিএক্স ফেলা হবে বিমানবন্দরে তাতে ইরাকের গৃহযুদ্ধের ঘটনা মনে করিয়ে দিয়েছে। ইরাকে এভাবেই জিহাদিরা হামলা চালাত। সেখান থেকে দেখেই জঙ্গিরা এই ড্রোন বোমা তৈরি করেছিল বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। ২০১৭ সালে ইসলামিক স্টেটস জিহাদিরা এভাবেই ইরাকে হামলা চালিয়েছিল।

লস্কর যোগ
তদন্তকারীরা মনে করছেন পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবা এই হামলার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। ঘটনাস্থল থেকে একাধিক নমুনা সংগ্রহ করে এনআইএ জানতে পেরেছি জিপিএস বসানো ছিল ড্রোনে। সেই জিপিএস ট্র্যাক করেই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে সঠিক সময়ে। গত মাসে শুধু জম্মু এলাকায় ৩০ টি ড্রোন উড়তে দেখা গিয়েছে। একাধিক জায়গায় ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্র এবং বিস্ফোরক ফেলার ঘটনাও প্রকাশ্যে এসেছে।

পাকিস্তানের পাল্টা অভিযোগ
এদিকে আবার পাকিস্তানে হাফিজ সইদের বাড়ির সামনে বিস্ফোরণের ঘটনায় ভারতের হাত আছে বলে দাবি করেছেন ইমরান খান। তিনি দাবি করেছেন পাক গুপ্তচর সংস্থা 'র'-র হাত রয়েছে এই ঘটনায়। যদিও ভারতের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। পাল্টা ভারত দাবি করেছে নশকতা ঘটানোর কাজ ভারত করতে পারে না।












Click it and Unblock the Notifications