লাদাখে অন্ধকার নামতেই রেচিন লা এলাকায় মল্লযুদ্ধ! চিনের ড্রাগনবাহিনীর আগ্রাসন ঘিরে পারদ চড়ল
লাদাখের পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠতে শুরু করেছে। মস্কোয় চিনের বিদেশ মন্ত্রী ওয়াং ইয়ের সঙ্গে ভারতের বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করের বৈঠকের ২ দিন আগে লাদাখে রাতের অন্ধকারে চিন ভারত সেনার মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে বলে একাধিক সূত্রের দাবি। এদিকে, চিন জানিয়েছে ভারতের তরফে মধ্যরাত পার হতেই 'ওয়ার্নিং শট' এসেছে। এমন পরিস্থিতিতে ফোকাসে উঠে আসছে লাদাখের রাচিং লা।

রেচিন লাতে কী ঘটেছে?
এক সূত্রের খবর অনুযায়ী, পূর্ব লাদাখের রেজাং , রেচিন লা রিজলাইন বরাবর চিন ভারত দুই দেশের সেনার মধ্যে সংঘাচ বাড়তে থাকে। আগ্রাসী চিনের ড্রাগন বাহিনী সেখানে দাপট দেখানোর পথে হাঁটে। পাল্টা তা মেনে নিতে পারেনি ভারত। শুরু হয়ে যায় সংঘাত।

চিন কী চাইছিল?
সূত্রের দাবি, চিন এখখভাবে নিয়ন্ত্রণ রেখার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি বদলাতে চাইছিল। বিস্তারবাদে বুঁদ চিন ক্রমাগত আগ্রাসন দেখাতেই পাল্টা ভারতও জবাব দিয়েছে বলে খবর। শোনা যাচ্ছে , দুই তরফেই আহতের সংখ্য়া রয়েছে। যদিও এই প্রসঙ্গে ভারতীয় সেনার তরফে এখনও কোনও অফিসিয়াল বার্তা আসেনি।

কোন সময় থেকে সংঘাত শুরু হয়?
জানা গিয়েছে লাদাখে অন্ধকার নামতেই এই সংঘাতের আমেজ জোরালো হয়। চিনের আগ্রাসন ঠেকাতে গিয়ে পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে ভারত। সন্ধ্যে ৬:১৫ মিনিট নাগাদ রেজাং-রাচিং-লা রিজ লাইনে দুই দেশের সেনার মধ্যে হাতাহাতি হওয়ার খবর রয়েছে ,সূত্র অনুসারে।

গ্রাউন্ড জিরোর খবর
ওয়ার্নিং শট নিয়ে এদিন ভারতীয় সেনাকে দোষারোপ করেছে চিন। উল্লেখ্য, এর আগে অগাস্টের শেষ সপ্তাহে যখন চিন প্যানগংয়ে আগ্রাসন দেখায়, তখনও ভারত পাল্টা একই পন্থায় এগোতে বাধ্য হয়। যদিও সরকারি সূত্রের খবর লাদাখে গতরাতে গুলি চলেনি। এদিকে, পূর্ব লাদাখে গ্রিন লাইনকে পাখির চোখ করে চলা চিন, দুই দেশের মধ্যে সমস্ত বিবাদিত এলাকায় প্রচুর সংখ্যায় সেনা মোতায়েন করতে শুরু করেছে।

ভারতের মুখ্য উদ্দেশ্য একটাই
নিজের সীমানাকে সুরক্ষিত রাখার ক্ষেত্রে ভারত যে বদ্ধ পরিকর তা বুঝিয়ে দিয়েছে দিল্লি। আর জিনপিংয়ের অধীনে থাকা লালফৌজকে তা বোঝাতে বেশি দেরি করেনি ভারত। সেই সূত্র ধরেই সোমবার লাদাখের বুকে সন্ধ্যে নামতেই পারদ চড়ে চিনা সেনার আগ্রাসনের জেরে।












Click it and Unblock the Notifications