লাদাখের নয়া সংঘর্ষ চিনের কোন গোপন নীতির অংশ! দিল্লিকে তাতিয়ে বেজিং কী পেতে চাইছে
লাদাখের নয়া সংঘর্ষ চিনের কোন গোপন নীতির অংশ! দিল্লিকে তাতিয়ে বেজিং কী পেতে চাইছে
উদ্দেশ্য খুব সহজ ছিল। কোনও প্রকারে দিল্লিকে তাতিয়ে দিয়ে বেজিং নিজের গোপন অভিসন্ধি চারিতার্থ করতে চাইছিল। ১৯৬০ সালে চিনের প্রিমিয়ার চাউ এন লাইয়ের সময় থেকেই লাদাখে আগ্রাসনের বহু প্যাঁয়তারা কষেছে চিন। তবে লাভের লাভ হয়নি। তবে এবার জিনপিং সেই পথ নিখুতভাবে ধরতে শুরু করেছেন। তোয়াক্কা করেননি , যে একটি মাত্র চিনা বুলেট গোটা দক্ষিণ এশিয়ার শান্তি বিঘ্নিত করতে পারে! আর সেই ছকেই চুশুলে মেপে ঝুপে পদক্ষেপ নিয়েছে চিন।

যা ইচ্ছে তাই পেতে চাইছেন জিনপিং!
জিনজিয়াংয়ে ইউঘুর ইস্যু, হংকং ইস্যু , দক্ষিণ চিন সাগরে চিনের দাপট সমস্ত কিছুকেই চিনের দুর্গ রক্ষা করতে নিজের অধীনে নিয়ে আসার চেষ্টা করছেন জিনপিং। এক্ষেত্রে সেনার বাহুবল ব্যবহার করতেও তিনি পিছপা হচ্ছেন না। আর এই মুহূর্তে সাম্রাজ্য বিস্তারের এই নেশার নেপথ্যে একটাই কারণ ..করোনা। যা চিনের উহানেই প্রথম শোনা গিয়েছে।

চিনের লক্ষ্য
মোট ৩,৪৮৮ কিলোমিটারের নিয়ন্ত্রণরেখা জুড়ে সীমান্তে চিনের আস্ফালন কমানোর প্রচেষ্টায় রয়েছে ভারত। আর এই জায়গা থেকেই ভারতকে মেপে নিতে ক্রমাগত 'মাইন্ড গেম' দিয়ে যুদ্ধের মানসিক চাপ বাড়াচ্ছে চিন।

কেন এমন পদক্ষেপ চিনের?
এই চাপের সামনে দিল্লি এক মিনিট যদি মাথা নত করে , বা কোনও বুলটের দিন ভ্রষ্ট হয়, তাহলে তা নিয়ে আন্তর্জাতিক দরবারে ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশকে কোণঠাসা করতে পারবে চিন। যার ফলে এশিয়ার বুকে গ্লোবাল পাওয়ার হওয়ার রাস্তায় প্রথম কাঁটা ভারতকে ছাঁটতে পারবে চিন।

চুশুলের উস্কানি
চুশুলে ২৯-৩০ অগাস্ট রাতের অন্ধকারে চিনের পদক্ষেপ বহু বিশেষজ্ঞের মতে কেবলমাত্র উস্কানি ছিল। পাশাপাশি, ভারত সেই জায়গায় দুর্বলতা দেখালেই,তারা ভারতের অন্দরে প্রবেশের সুযোগ পেয়ে যেত।

আড়ালে কোন কারণ
এর আড়ালের কারণ, চিনা অ্যাপে নিষেধাজ্ঞার পর ভারতের একাধিক আর্থিক পদক্ষেপে রীতিমতো ফুঁসছে চিন। চিন ইতিমধ্যেই ভুগছে ,দেশজুড়ে খাবারে টান পড়ার ঘটনায়। বন্ধ রয়েছে বহু কলকারখানা। তার ওপর রয়েছে করোনা।এমন পরিস্থিতিতে চুশুলে উস্কানি মেপে ঝুপেই নিয়েছে চিন। যাতে চিনের মানুষের নজর ঘোরানো যায়, ও করোনা বিধ্বস্ত ভারতকে যুদ্ধরে মানসিক চাপে রাখা যায়।












Click it and Unblock the Notifications