পাকিস্তানকে মোক্ষম জবাব দিয়ে'জল কেড়ে নেওয়ার' রাস্তায় ভারত! কবে শুরু নদীপথ ঘোরানোর কাজ
পাকিস্তানকে মোক্ষম জবাব দিয়ে'জল কেড়ে নেওয়ার' রাস্তায় ভারত! কবে শুরু নদীপথ ঘোরানোর কাজ
পুলওয়ামা হামলা পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক রীতিমতো ছিন্ন হয়ে যায় ভারতের। দুইদেশের মধ্যে বাণিজ্যিক লেনদেন তথা রেল যোগাযোগ পাকিস্তান স্তব্ধ করে দেয় কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার সময় থেকে। পাশাপাশি কাশ্মীর ইস্যুতে বারবার বিশ্ব আঙিনায় পাকিস্তান ভারতকে অপদস্ত করতে উদ্যত হয়। এবার তার মোক্ষম জবাব দিতে পাকিস্তানের থেকে জল কেড়ে নেওয়ার রাস্তায় হাঁটছে ভারত।

জল কেড়ে নিতে তৎপরতা!
জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের থেকে ২ হাজার মিলিয়ন কিউবিক জল কেড়ে নেওয়ার রাস্তায় ভারত নেমেছে। আর এই কাজের জন্য রবি নদী ও তার উপনদী উঝের গতিপথ ঘুরিয়ে পাকিস্তানের থেকে জলের অংশ সরিয়ে নেওয়ার কাজ এবার শুরু করবে দিল্লি।

কোথা দিয়ে যায় এই নদীগুলি?
কাশ্মীরের কাঠুয়া জেলা দিয়ে এই নদী বয়ে যায়। আর সেখান থেকেই নদীর গতিপথ ঘুরিয়ে দেওয়ার রাস্তায় হাঁটতে চলেছে এই নদীগুলি। জানা গিয়েছে ইতিমধ্যেই প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা এই মর্মে কাজ শুরু করে দিয়েছেন। তবে এবার সরকারি 'গ্রিন সিগন্যাল' পেলেই এই কাজ শুরু হবে।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কী জানিয়েছেন?
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতীন গড়করি জানিয়েছেন, উত্তরাখণ্ডে ৩ টি বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করেছে কেন্দ্র। যাতে যে নদীর জল পাকিস্তানে যাচ্ছে তা ভারত ব্যবহার করতে পারে। এতদিন ভারত এই জল ব্যবহার করতে পারছিল না। বাঁধ দেওয়ার ফলে তা ব্যবহৃত হবে।

নদী ঘিরে চুক্তি ও ভারত
১৯৬০ সালে সিন্ধু জল চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্কের উদ্যোগ এই বিষয়ে ছিল। সেক্ষেত্রে কীভাবে সিন্ধু নদের জল ব্যবহৃত হবে , সেবিষয়ে কয়েকটি নিয়ম বলা হয়েছে। নিয়মে জানানো হয়, বিপাশা, শতদ্রু রবি নদীর জল পাকিস্তানকে ব্যবহার করতে দেবে ভারত।

উরি হামলা ও ভারতের পদক্ষেপ
১৯৬০ সালের এই চুক্তি ঘিরে ভারত পুনর্বিবেচনা শুরু করে ২০১৬ সালে। যখন উরি হামলায় পাক জঙ্গিরা ভারতীয় সেনার প্রাণ কেড়ে নেয়। মুহূর্তে পাকিস্তানগামী নদীপথের উপর বাঁধের কাজ শুরু করে ভারত। এরপর, এবছর ডিসেম্বর মাস থেকে সেই নদীপথের গতিপথ ঘুরিয়ে জল ভারতের দিকে আনবার প্রকল্পের কাজ শুরু হবে বলে খবর।

জল নিয়ে মোদীর বার্তা
উল্লেখ্য, এর আগে পুলওয়ামায় হামলার পর দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, জল আর রক্ত একই সঙ্গে বইতে পারেনা। আর তা থেকেই স্পষ্ট ইঙ্গিত যায় যে পাকিস্তানকে এবার 'জল' এ 'মারতে' চায় ভারত। মোদীর বার্তার পরই নদীপথ সংক্রান্ত কাউন্সিল গঠিত হয়। তাতে থাকেন বিশিষ্ট প্রযুক্তিবিদরা। আর সেই পদক্ষেপ এবার বাস্তব রূপ পেতে চলেছে।












Click it and Unblock the Notifications