বিশ্রী হার, হাজারও বিতর্কে জড়িয়ে আপ ঝাঁটায় কাবু সিধু

বিশ্রী হার, হাজারও বিতর্কে জড়িয়ে আপ ঝাঁটায় কাবু সিধু

অতি বার বেরো না ঝড়ে উড়ে যাবে। পাঞ্জাবে এল আম আদমি পার্টির ঝাঁটা ঝড়। আর তাতেই সেখানে সাফ হয়ে গিয়েছে কংগ্রেস। নিজেদের ঘাঁটি নিজেদের অন্তৰ্কলহ করে হারিয়েছে কংগ্রেস নেতৃত্বে বলা যেতে পারে নভজ্যোত সিং সিধু। দলের সবার সঙ্গে ঝগড়া করে , ঝগড়া বাঁধিয়ে সমস্ত ঘেঁটে দিয়ে নিজেও আপের ঝাঁটা খেয়ে বিদায় নিয়েছেন। যিনি তাঁকে হারিয়েছেন সেই আপ নেত্রী হয়তো বলছেন, মার ঝাড়ু মার সিধুকে মেরে ঝেঁটিয়ে বিদেয় কর। বলেই না করিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন তিনি।

বিশ্রী হার, হাজারও বিতর্কে জড়িয়ে আপ ঝাঁটায় কাবু সিধু

ক্রিকেট মাঠেও নিজের জায়গা ধরে রাখতে পারেননি কিন্তু ক্ষমতা ছিল, কমেন্ট্রি বক্সে মজা করে কমেন্ট্রি করতেন। উত্তেজিত হয়ে ভুলভাল কথা বলে সেখান থেকে বিদায় নেন। মাঝে ছিল লাফটার শো। সেখানে সারাক্ষন হেসেই খুন আর এবার বিশেষজ্ঞরা বলছেন কার্যত রাজনীতিতে জোকারগিরি করে লোক হাসিয়ে নিজেই পাঞ্জাবে চরম হার হারলেন সিধু।

পাঞ্জাব কংগ্রেসের সভাপতি নভজ্যোত সিং সিধু বৃহস্পতিবার অমৃতসর পূর্ব বিধানসভা আসন থেকে এএপি-র জীবন জ্যোত কৌরের কাছে হেরেছেন। শিরোমণি আকালি দলের নেতা এবং পাঞ্জাবের প্রাক্তন মন্ত্রী বিক্রম সিং মাজিথিয়া এবং বিজেপির জগমোহন সিং রাজুও এই কেন্দ্রে প্রার্থী ছিলেন।

অনেকেই এটাকে আশ্চর্যজনক উত্থান বলছেন। কারন, আপ এর জীবন জ্যোত কৌর যে আসনে বিজয়ী হয়েছেন সেখানে তার নিকটতম প্রার্থী ছিলেন তথাকথিত কংগ্রেসের হেভিওয়েট নেতা নভজ্যোত সিং সিধু। ওয়েট লস এবং হার। পাশাপাশি বিক্রম সিং মাজিথিয়ার সঙ্গেও তাঁকে লড়তে হয়েছে। মূল লড়াইটা ছিল সিধুর সঙ্গে যাতে তিনি লেটার মার্কস নিয়ে উত্তীর্ণ। হেরে গিয়ে সিধু বলেছেন, 'এই হার মাথা পেতে নিচ্ছি। মানুষের রায় আমার কাছে ভগবানের বার্তা সম। আপকে অনেক শুভেচ্ছা জানাই'।

সিধু মাজিথিয়াকে অমৃতসর পূর্ব থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সাহস করেছিলেন, যার পরে সাড সভাপতি সুখবীর বাদল মাজিথিয়াকে কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করার ঘোষণা করেছিলেন।

২০১৭ সালের পাঞ্জাব নির্বাচনে, সিধু বিধানসভা আসনে বিজেপি নেতা রাজেশ কুমার হানিকে ৪২৮০০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী পদের মনোনয়নের জন্য কংগ্রেসের দ্বারা প্রত্যাখ্যান করার পরে অমৃতসর পূর্ব আসন জয় সিধুর জন্য সম্মানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

আজ, প্রাথমিক প্রবণতাগুলি ইঙ্গিত দেয় যে পাঞ্জাবে ক্ষমতাসীন কংগ্রেস ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি সাড, যারা বিএসপির সাথে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল, খুব বেশি প্রভাব ফেলতে ব্যর্থ হয়েছে।

প্রাথমিক প্রবণতায় যারা পিছিয়ে ছিলেন তাদের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নিও রয়েছেন। চন্নি তার আসন চামাকুর সাহেব থেকে পিছিয়ে রয়েছেন, যেখান থেকে তিনি বিধায়ক এবং ভাদৌরও রয়েছেন, যেখান থেকে তিনি ভোটে নেমেছিলেন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ সিং বাদল, অমরিন্দর সিং এবং রাজিন্দর কৌর ভাট্টলও পিছিয়ে ছিলেন, প্রাথমিক প্রবণতা এটাই দেখায়। সাড সভাপতি সুখবীর সিং বাদলও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এবং আপ প্রার্থী জগদীপ কাম্বোজের পিছনে ছিলেন তার জালালাবাদ আসনে।

১১৭ সদস্যের পাঞ্জাব বিধানসভার জন্য নির্বাচন ২০ ফেব্রুয়ারি একক পর্বে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। নির্বাচন কমিশন প্রাথমিকভাবে ১৪ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণের তারিখ ঘোষণা করেছিল, কিন্তু গুরু রবি দাস জয়ন্তীকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলির দাবির পর এটি পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৬ ফেব্রুয়ারিতে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+