Fugitives: বিজয় মালিয়া থেকে নীরব মোদী, ৫ পলাতক অপরাধীর প্রত্যর্পণে বিদেশে আইনি লড়াই ভারতের
Fugitives: ২০০৮ সালে মুম্বই হামলার (Mumbai Attack) ঘটনায় অন্যতম চক্রী তাহাউর রানাকে (Tahawwur Rana) ভারতে ফেরাতে আর কোনও বাধা রইল না। মার্কিন সরকার এবার তাকে ভারতের হাতে তুলে দিতে পারবে।
আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট তাহাউর রানার প্রত্যর্পণে (Extradition) ছাড়পত্র দিয়েছে। তবে তাহাউর রানা ছাড়াও দেশ থেকে পলাতক একাধিক অপরাধীকে ফেরাতে চায় ভারত। সেই দাবিতে বিদেশের মাটিতে এমনই ৫ জনের বিরুদ্ধে প্রত্যর্পণের লড়াই চালাচ্ছে দেশ।

তাহাউর হুসেন রানা
২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর মুম্বইয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলা হয়েছিল। তদন্তে উঠে আসে হামলার নেপথ্যে রয়েছে পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গি গোষ্ঠী লষ্কর-ই-তৈবা। সেই হামলারই অন্যতম চক্রী ছিলেন পাক বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক ডেভিড কোলম্যান হেডলি। তারই সহযোগী এই তাহাউর রানা। পাকিস্তানি রানা কানাডার ব্যবসায়ী। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীতেও কাজ করেছেন তিনি। ডেনমার্কে সন্ত্রাসবাদের দায়ে ২০০৯ সালে গ্রেফতারও হতে হয় তাঁকে। লষ্কর ই তৈবাকে বিভিন্ন সহায়তা প্রদান করতেন এই রানা।
আর্শ ডালা
খালিস্তানি জঙ্গি আর্শদ্বীপ সিং গিল ওরফে আর্শ ডালা, কানাডা নিবাসী হলেও তাঁকে প্রত্যর্পণ করাতে চায় ভারত। তাঁর বিরুদ্ধে কমপক্ষে ৫০টি খুনের মামলা, খুনের চেষ্টার মামলা, জোরজুলুম ও নাশকতামূলক কাজের অভিযোগ রয়েছে। ২০০৪ সালে তাকে জঙ্গি তকমা দেওয়া হয়।
আনমোল বিষ্ণোই
কুখ্যাত গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ভাই আনমোল বিষ্ণোই। একাধিক হাই প্রোফাইল মামলায় তাঁকে দেশে ফেরাতে চায় ভারত। পাঞ্জাবি গায়ক সিধু মুসেওয়ালা খুনের ঘটনায় মামলা রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। সম্প্রতি মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মন্ত্রী কংগ্রেস নেতা বাবা সিদ্দিকী খুনেও অভিযুক্ত সে। গত নভেম্বরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ ডকুমেন্ট ছাড়াই প্রবেশের কারণে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
বিজয় মালিয়া
৯ হাজার কোটিরও বেশি টাকার আর্থিক তছরুপের অভিযোগ রয়েছে বিজয় মালিয়ার বিরুদ্ধে। ২০১৬ সালে ভারত ছেড়ে পালায় কিংফিসার কর্তা। বর্তমানে ব্রিটিশ যুক্তরাজ্যে রয়েছেন তিনি। কিংফিসার এয়ারলাইনসের দেউলিয়া হওয়ার পর প্রতারণার দায়ে তাঁকে দেশে প্রত্যর্পণ করাতে চায় ভারত। ২০১৯ সালে তাঁকে দেশত্যাগী অপরাধী ঘোষণা করা হয়।
নীরব মোদী
হীরে ব্যবসায়ী নীরব মোদী ও তাঁর কাকা মেহুল চোকসির বিরুদ্ধে পিএনবির আর্থিক প্রতারণার মামলা রয়েছে। ১৪ হাজার কোটি টাকার ঋণ নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। ২০১৮ সালে ভারত ছেড়ে পালন দুজনেই। লন্ডনে গ্রেফতার হন নীরব মোদী। প্রত্যর্পণের বিরুদ্ধে আদালতে আবেদন করেও আপাতত সব আইনি লড়াইতেই পরাজিত হয়েছেন তিনি। এদিকে অ্যান্টিগুয়ায় রয়েছেন মেহুল চোকসি।












Click it and Unblock the Notifications