দুবাই ফেরার তথ্য লুকিয়েছে করোনা আক্রান্ত যুগল, অভিযোগ দায়ের পুলিশে
দুবাই ফেরার তথ্য লুকিয়েছে করোনা আক্রান্ত যুগল, অভিযোগ দায়ের পুলিশে
বিদেশ ফেরা সহ একাধিক তথ্য লুকানোর অভিযোগে মঙ্গলবার আহমেদাবাদের এক যুগলের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হল বলে জানা যাচ্ছে। সম্প্রতি তারা দুবাই থেকে ফেরার পর করোনা আক্রান্ত হিসেবে চিহ্নিত হন বলে জানা যাচ্ছে। অভিযোগ, তারা তাদের সংস্পর্শে আসা দুই আত্মীয়ের নাম গোপন করেন এবং তাদের বিদেশ ফেরার তথ্যও প্রাথমিক পর্যায়ে গোপন করেন। এক স্বাস্থ্যকর্তার সূত্রে জানা যায়, ওই দুই আত্মীয়ও পড়ে করোনা টেস্টে পজিটিভ বলে ধরা পড়েন।

পুলিশের কাছে দায়ের হল এফআইআর
এই প্রসঙ্গে যথেষ্ট উদ্বেগ প্রকাশ করে স্বাস্থ্যকর্তা আরও জানান, দুই আত্মীয়ের মধ্যে একজন যুবকের কাকা, যিনি পরে করোনা টেস্টে পজিটিভ বলে ধরা পড়েন। স্বাস্থ্য দপ্তরের থেকে তথ্য লুকানোর অপরাধে তাঁর বিরুদ্ধেও এফআইআর দায়ের হয়েছে।

১৬ই মার্চ দেশে ফেরেন করোনা আক্রান্ত যুগল
১৬ই মার্চ দুবাই থেকে যুগল দেশে ফেরে। ২৮বছর বয়সী যুবকের করোনা ধরা পড়ে ২০শে মার্চ এবং পরেরদিন তার স্ত্রীরও করোনা ধরা পড়ে। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, দেশে ফেরার পরে যুগল যাঁদের যাঁদের সংস্পর্শে এসেছে, তাঁদের প্রত্যেকের নাম সরকারের কাছে নথিভুক্ত করতে বলা হয়। লিস্টে ৫৪জনের নাম নথিভুক্ত হলেও ছিল না যুবকের কাকা ও কাকিমার নাম, যাঁরা সোমবারে করোনা টেস্টে পজিটিভ বলে ধরা পড়েন।
গান্ধীনগরের কালেক্টর কুলদীপ আর্য জানান, "দুবাই ফেরত যুগলের সংস্পর্শে আসেন যুবকের কাকা ও কাকিমা। কিন্তু লিস্টের ৫৪জনের মধ্যে ওঁদের নাম না থাকায় স্বাস্থ্য দপ্তরের কাছ থেকে তথ্য লুকিয়ে যাওয়ার অপরাধে যুগল ও কাকার বিরুদ্ধে আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করি।"

মহামারি াইনের ৩ নম্বর ধারায় অভিযোগ দায়ের
দুবাই থেকে আসার পরেরদিনই অর্থাৎ ১৭ই মার্চ যুগলের সংস্পর্শে আসেন যুবকের কাকা ও কাকিমা। স্বাস্থ্য দপ্তরের নিয়মাবলী লঙ্ঘন ও তথ্য লুকানোর অপরাধে গান্ধীনগরের সেক্টর-২১ থানায় অভিযোগ দায়ের হয় চারজনের বিরুদ্ধে। ভারতীয় ফৌজদারি আইনের ধারা ১৮৮(সরকারী কর্মচারী দ্বারা যথাযথভাবে আদেশিত আদেশ অমান্য করা), ধারা ২৭০(জীবনের পক্ষে বিপজ্জনক রোগ ছড়ানো) এবং মহামারি আইনের ধারা ৩(আইন ও নির্দেশ অমান্য করা)-এর আওতায় অভিযোগ দায়ের হয়।












Click it and Unblock the Notifications