সকালেই শুরু ট্রাক্টর র্যালি, সিঙ্ঘু সীমান্ত দিয়ে দিল্লিতে প্রবেশ! বাধা দিতে কৃত্রিম দেওয়াল প্রশাসনের
এদিন সকালে সিঙ্গু সীমান্ত (singhu border) দিয়ে ট্রাক্টর র্যালি শুরু করেন বিক্ষোভরত কৃষকরা (farmers) । তিনটি নতুন কৃষি আইনের বিরুদ্ধে কৃষকরা প্রতিবাদ শুরু করেন সিঙ্ঘু সীমান্তে। এদিন সকালে তারা সিঙ্ঘু সীমান্ত দিয়ে দিল
এদিন সকালে সিঙ্গু সীমান্ত (singhu border) দিয়ে ট্রাক্টর র্যালি শুরু করেন বিক্ষোভরত কৃষকরা (farmers) । তিনটি নতুন কৃষি আইনের বিরুদ্ধে কৃষকরা প্রতিবাদ শুরু করেন সিঙ্ঘু সীমান্তে। এদিন সকালে তারা সিঙ্ঘু সীমান্ত দিয়ে দিল্লিতে প্রবেশ করেন। তাঁদের লক্ষ্য কাঞ্ঝাওয়ালা চক-অচুণ্ডি সীমান্চ- কেএমপি-জিটি রোড জংশনে যাওয়া।

ট্রাক্টর র্যালির প্রবেশে বাধা দিতে কৃত্তিম দেওয়াল
এদিকে ট্রাক্টর র্যালির দিল্লিতে প্রবেশে বাধা দিতে কার্নাল বাইপাস সিল করে দেওয়া হয়েছে। সেখানে কৃত্তিম দেওয়ালও তৈরি করা হয়েছে।

সকাল থেকেই প্রস্তুতি শুরু
এদিন সকাল থেকে অবশ্য কৃষকরা প্রস্তুতি শুরু করেন দেন। ত্রিবর্ণ রঞ্জিত পতাকা দিয়ে ট্রাক্টরগুলিকে সাজানো হয়। মূলত কেন্দ্রের তিনটি কৃষি আইনের বিরুদ্ধে ২৬ নভেম্বর থেকে তাঁদের এই প্রতিবাদ।

দিল্লির নিরাপত্তা জোরদার
এদিকে প্রজাতন্ত্র দিবস এবং ট্রাক্টর র্যালির কারণে দিল্লির নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। জায়গায় জায়গায় ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছে। বিশেষ করে আইটিও, জমুনা ব্রিজ এবং অন্য জায়গাগুলিতে বিশেষভাবে নজর দেওয়া হয়েছে। দিল্লি পুলিশের ইন্টেলিজেন্স সেলের স্পেশাল কমিশনার দ্বিপেন্দ্র পাঠক জানিয়েছেন, ট্রাক্টর র্যালি টিকরি, সিঙ্ঘু এবং গাজিপুর সীমান্ত দিয়ে দিল্লিতে ঢুকবে। ফের তারা তাদের আগেকার অবস্থানে ফিরে যাবে। সিঙ্ঘু দিয়ে ঢুকে ট্রাক্টর র্যালি কাঞ্ঝাওয়ালা, বাওয়ানা, অচান্ডি সীমান্ত, কেএমপি এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে ফের তা সিঙ্ঘুতে ফিরে যাবে।

দিল্লির বিভিন্ন সীমান্তে কৃষকদের প্রতিবাদ
২৬ নভেম্বর থেকে মূলত রাজস্থান, পঞ্জাব, হরিয়ানা এবং পশ্চিম উত্তর প্রদেশের কৃষকরা রাজধানী দিল্লির বিভিন্ন সীমান্তে প্রতিবাদ করছেন। যে তিনটি আইনের বিরুদ্ধে কৃষকরা প্রতিবাদ করছেন তা হল, ফার্মার্স প্রোডিউস ট্রেড অ্যান্ড কমার্স অ্যাক্ট ২০২০, ফার্মার্স এমপাওয়ারমেন্ট অ্যান্ড এগ্রিমেন্ট অ্যান্ড প্রাইস অ্যাসিওরেন্স অ্যান্ড ফার্ম সার্ভিস অ্যাক্ট ২০২০ এঅবং এসেন্সিয়াল কমোডিটিস অ্যাক্ট ২০২০।

শুক্রবার পর্যন্ত ১১ রাউন্ড বৈঠক
এদিকে শুক্রবার পর্যন্ত সরকার এবং আন্দোলনরত কৃষকদের মধ্যে এগারো রাউন্ড বৈঠক হয়েছে। কৃষকরা আইন প্রত্যাহারের দাবিতে অনড় থাকায় সরকার ও কৃষকদের মধ্যে আলোচনা ভেস্তে যায়। যদিও সোমবার কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমার জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় কৃষি আইনের বিরুদ্ধে দুমাস ব্যাপী চলা কৃষক বিক্ষোভ শীঘ্রই শেষ হতে চলেছে।












Click it and Unblock the Notifications