Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

মাঝ আকাশে তলানিতে যাত্রীর অক্সিজেন! মৃত্যুর মুখ থেকে বাঁচিয়ে হিরো চিকিৎসক

এ যেন সিনেমাকেও হার মানাবে! একেবারে মাঝ আকাশে পাশে বসে থাকা এক যাত্রীকে বাঁচিয়ে হিরো এক চিকিৎসক। আর পুরো ঘটনা ওই চিকিৎসক নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম X-এ তুলে ধরেছেন। আর সেই পেজটির নাম TheLiverDoc এরপরেই সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে একেবারে চিকিৎসকের প্রশংসায় পঞ্চমুখ নেটিজেনরা।

কেউ জানাচ্ছেন স্যালুট কেউ বলছেন, চিকিৎসক হিসাবে নিজের পেশার প্রতি দায়বন্ধতার প্রমাণ রেখেছেন উনি! কিন্ত্যু কি ঘটেছিল? কোচি থেকে মুম্বইয়ের জন্যে আকাশ এয়ারলাইন্সের বিমান ধরেছিল ওই চিকিৎসক। বিমানের প্রত্যেকটি আসনই একেবারে 'হাউস ফুল'।

মাঝ আকাশে তলানিতে যাত্রীর অক্সিজেন!

প্রায় হাজার কিলোমিটার উঁচুতে উড়ছিল বিমানটি। সবকিছু ঠিক ছিল! হঠাত করেই পাশে বসে থাকা এক যাত্রীর শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। শ্বাস নিতে রীতিমত সমস্যা হচ্ছিল। সংশ্লিষ্ট বিমানটির বিমানসেবিকারা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। নেবুলাইজার দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু কিছুতেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় না।

বরং পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হতে শুরু করে। অক্সিজেন লেভেল একেবারে নিচে ৩৬ শতাংশে পৌঁছে যায়। কার্যত ওই যাত্রীর বেঁচে থাকা রীতিমত চ্যালেঞ্জের হয়ে দাঁড়াচ্ছিল। অন্যদিকে বিমানে ওই চিকিৎসক সারাদিনের কাজের পর কিছুটা হলেও ক্লান্ত ছিলেন। ফিরছিলেন মুম্বইতে।

পরিস্থিতি এমন দেখে নিজেকে আর আটক রাখতে পারেননি ওই চিকিৎসক। একেবারে ঝাঁপিয়ে পড়েন পরিস্থিতি সামাল দিতে। একেবারে জরুরি অবস্থায় কাজ শুরু করেন। কিন্তু কেন এমন অবস্থা! প্রথমে বুঝতে কিছুটা বেগ পেতে হয় চিকিৎসককে!

কিন্তু দ্রুত স্টেথোস্কোপ নিয়ে হৃদকম্পন মাপতে শুরু করেন। কিন্তু কোনও আওয়াজ পান না। ফলে উদ্বেগ বাড়তে শুরু করে। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়। ফুসফুসে জল জমে থাকায় কোনও শব্দ শোনা যাচ্ছিল না। ডাক্তারি ভাষায় একে ফ্লুরল ইনফেকশন বলে।

এই বিষয়ে যাত্রীর কাছ থেকে ওই চিকিৎসক বিস্তারিত জানতে চান। জানতে পারেন তাঁরা কিডনিতে সমস্যা আছে। এমনকি ডায়লেসিস চলছে বলেও জানান ওই যাত্রী। এরপর চিকিৎসকের কাছে বিষয়টি অনেকটাই স্পষ্ট হয়।

চিকিৎসক লিখছেন, এই অবস্থায় আমি ভেবে নিয়েছিলাম আমি একটা আইসিইউয়ের মধ্যে আছি। দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আর সেভাবেই চিকিৎসক শুরু করে দেন। তখনও বিমানটি অবতরণ করতে এক ঘনটা বাকি।সেই সময় একটি ইঞ্জিকশ দেওয়ার প্রয়োজন ছিল! তা দিতে গিয়েও বিপত্তি। মিলছিল না ভেন আবার প্রেসারও ছিল অনেক হাই। এই অবস্থায় মাসেলেই দিতে হয় frusemide নামে ইঞ্জিকেশনটি। রোগীকে চিকিৎসক আগে জানিয়েছিলেন যে এটিতে শরীরে প্রবল যন্ত্রণা হতে পারে।

যদিও তাঁর কাছে আর কোনও অপশন খোলা ছিল না বলেও জানাচ্ছেন ওই চিকিৎসক। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছিল। এই অবস্থায় ওই রোগী এতটা অবসন্ন হয়ে পড়েছিলেন ওই চিকিৎসক তাকে শোওয়র ব্যবস্থা করে দেন।

তিনি জানাচ্ছেন, আকাশা এয়ার সংস্থার বিমানসেবিকারা এতটাই ঠাণ্ডা মাথায় কাজ করছিলেন তাতে চিকিতসা করতে কোনওই সমসা হয়নি। এরপর যথাস্থানে ওই রোগীকে নামিয়ে হাসপাতালে ভরতি করা হয়। নামার সময় চিকিৎসকের ফোন নম্বর নিয়ে জান ওই ব্যক্তি। পরের দিন খবর নিতে গিয়ে জানতে পারেন ওই রোগীর শারীরিক অবস্থা উন্নতি হয়েছে। অক্সিজেনের মাত্রা স্বাভাবিক হয়েছে।

রিপরট শুনে চিকিৎসক বুঝতে পারেন, সেদিন বিমানের হার্ট অ্যাটাক হতে পারত ওই রোগীর। কিন্তু রক্ষা করা গিয়েছে। বিমান সংস্থার সব কর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন ওই চিকিৎসক।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+