বিহার নির্বাচনের দায়িত্বে দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ, এলজেপি-জেডিইউ শরিকি দ্বন্দ্বের অবসান কি তাঁর হাতেই?
বিহার নির্বাচনের দায়িত্বে দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ, এলজেপি-জেডিইউ শরিকি দ্বন্দ্বের অবসান কি তাঁর হাতেই?
দিন যত গড়াচ্ছে ততই বাড়ছে বিহার বিধানসভা নির্বাচনের পারদ। এদিকে আসন সমঝোতা নিয়ে এনডিএ শিবিরে মত পার্থক্যের মাঝেই এবার বিহার বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির তরফে ভারপ্রাপ্ত নেতার দায়ভার পেলেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। এদিকে বিহারে নির্বাচনের প্রাক্কালে বিজেপির দুশ্চিন্তা ক্রমেই বাড়িয়ে চলেছে পুরনো জোটসঙ্গী তথা চিরাগ পাসওয়ানের এলজেপি।

নীতীশ কুমারের জেডিইউকে চাপে রেখেই দ্রুত বিহার ভোটের নির্বাচনী আসনে প্রার্থী ঘোষণার জন্য বিজেপির উপরেও চাপ বাড়াচ্ছে এলজেপি। এদিকে বুধবারই বিহারের বিজেপি নেতাদের নিয়ে বৈঠক করতে দেখা যায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডাকে। সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে অংশ নেন দেবেন্দ্র ফড়ণবিশও। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্বমন্ত্রী অমিত শাহ ও ভূপেন্দ্র যাদবও। এদিকে দেবেন্দ্র ফড়ণবীশকে যে বিহার ভোটের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে সেই বিষয়ে গত মাস থেকেই কানাঘুঁষো শোনা যাচ্ছিল রাজনৈতিক মহলে।
এদিকে এনডিএ জোটে থাকলেও নীতীশকে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চাইছে না এলজেপি নেতা চিরাগ পাসওয়ান। এমনকী আসন বন্টন নিয়ে সামনে এসেছে শিরিকি কোন্দল। কিন্তু এদিকে নীতীশকেই মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চাইছে বিজেপি। এমতাবস্থায় গেরুয়া শিবিরের অন্যতম প্রধান ভরসা এখন মহারাষ্ট্রের এই পোড় খাওয়া রাজনীতিবিদ। এলজেপিকে ঠান্ডা করে এই দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ শরিকি দ্বন্দ্বের অবসান ঘটাতে পারেন কিনা এখন সেটাই দেখার। এদিকে করোনা আবহে অক্টোবর ও নভেম্বরেই তিন দফায় ভোটগ্রহণ হতে চলেছে বিহারে। ফলপ্রকাশ হবে আগামী ১০ নভেম্বর।












Click it and Unblock the Notifications