জামিয়াকাণ্ডে ধৃত ১০ জনের পরিচিতি আসলে কী! দিল্লির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পাশে পেল কাদের
রবিবার রাত থেকে গোটা দিল্লি দেখেছে শহরের এক অচেনা রূপ। পুলিশ -ছাত্র খণ্ডযুদ্ধের জেরে স্তব্ধ হয়ে যায় রাজধানীর চেনা জনজীবন। বন্ধ হয়ে যায় বিভিন্ন মেট্রো স্টেশন। এদিকে, হিংসার আঁচ জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছড়িয়ে পড়ে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে। গোটা দিল্লি উত্তাল হতে শুরু করে। সেই রবিবার রাতের ঘটনার পর দিল্লি পুলিশের জালে এসেছে ১০ জন। আর ধৃতদের পরিচিতি নিয়ে উঠছে বেশ কিছু তথ্য।

দিল্লির পরিস্থিতি কেমন?
জামিয়াকাণ্ডে দিল্লিতে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে ১০ জনকে। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে কোনও পড়ুয়া নেই। দিল্লিতে রবিবার জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে হিংসা ছড়াবার কারণে যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের সকলেরই 'ক্রিমিনাল ব্যাকগ্রাউন্ড' রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

ক্রাইম ব্রাঞ্চ নামছে ময়দানে!
দিল্লির হিংসার ঘটনা নিয়ে এবার তদন্তে নামছে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। সেই রাতের ঘটনায় কার্যত ২০০০ জন মানুষ বিক্ষোভে নেমে পড়েন বলে জানিয়েছেন দিল্লির পুলিশ কমিশনার। জামিয়া নগরে বাস পোড়ানো দিয়ে শুরু হয় ঘটনা। এরপর পড়ুয়াদের মিছিল শুরু হলে পরিস্থিতি আরও বিপাকে চলে যায়। উঠে আসে পুলিশ বনাম পড়ুয়াদের রণক্ষেত্রের ছবি। আর সেই রাতের সমস্ত ঘটনা ঘিরে এবার শুরু হতে চলেছে তদন্ত।

জামিয়ার পাশে রয়েছে দেশের ৩ আইআইটি
দিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পুলিশকে কেন ঢুকতে দেওয়া হল? এই প্রশ্ন তুলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশে এসেছে দেশের ৩ টি নামী আইআইটি। কানপুর, বম্বে ও মাদ্রাজ আইআইটির তরফেও এদিন দিল্লি কাণ্ডের প্রতিবাদে নামবেন পড়ুয়ারা। এর আগে জেএনইউ, প্রেসিডেন্সি, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে পাশে পেয়েছে জামিয়া।
|
'লাইব্রেরিতে ঢুকে পুলিশি মারধর'
এদিকে, জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, রবিবার রাতে শুধু বাইরে থাকা পড়ুয়াদেরই মারধর করেনি পুলিশ, সেই সময় যাঁরা লাইব্রেরিতে পড়াশোনা করছিলেন তাঁদের ওপরেও মারধর চলে। কর্তৃপক্ষের এমন দাবির পর দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, কেবলমাত্র টিয়ার গ্যাসের শেল ফাটানো হয়েছে সেদিন। অন্যদিকে, পড়ুয়াদের দাবি পুলিশের বুলেটে ২ পড়ুয়া গুরুতর জখম।












Click it and Unblock the Notifications