নজরে সাইবার জালিয়াতি, আম-আদমির পাশে দাঁড়াতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক উদ্যেগে চালু নয়া হেল্পলাইন

নজরে সাইবার জালিয়াতি, আম-আদমির পাশে দাঁড়াতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক উদ্যেগে চালু নয়া হেল্পলাইন

এটিএম থেকে ইউপিআই পরিষেবা, হ্যাকারদের হাতে পড়ে টাকা উধাও হচ্ছে সকল জায়গা থেকেই। সাইবার জালিয়াতির রমরমায় ডিজিটাল অর্থ লেনদেন পরিষেবাকে রীতিমত ভয় পাচ্ছেন গ্রাহকরা। এহেন সমস্যা দূরীকরণে এবার এগিয়ে এল কেন্দ্র। এ বছরের পয়লা এপ্রিলে সাইবার জালিয়াতি সম্পর্কিত হেল্পলাইন চালুর কথা প্রাথমিকভাবে ঘোষণা করে কেন্দ্র। অবশেষে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তত্ত্বাবধানে ভারতীয় সাইবার ক্রাইম কোঅর্ডিনেশন সেন্টার (আই৪সি) চালু করল সাইবার নিরাপত্তা হেল্পলাইন ১৫৫২৬০। এক্ষেত্রে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সহ অন্যান্য সকল রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিও পাশে দাঁড়িয়েছে বলে খবর কেন্দ্রীয় সূত্রে।

২ মাসে ১.৮৫ কোটি টাকা বাঁচিয়েছে হেল্পলাইন

২ মাসে ১.৮৫ কোটি টাকা বাঁচিয়েছে হেল্পলাইন

আইন ব্যবস্থা, ব্যাঙ্ক এবং অন্যান্য আর্থিক মধ্যস্থতাকারী সংস্থাগুলিকে এক ছাতার তলায় এনে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করে ফেলেছে আই৪সি। বর্তমানে ১৫৫২৬০ হেল্পলাইন নম্বরটি সুরক্ষা প্রদান করছে ছত্তিশগড়, দিল্লি, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, তেলেঙ্গানা, উত্তরাখন্ড ও উত্তরপ্রদেশে। কেন্দ্রীয় বিবৃতি অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে চালু হওয়ার মাত্র দুইমাসের মধ্যে তছরূপ হওয়া প্রায় ১.৮৫ কোটি টাকা উদ্ধার করতে পেরেছে ১৫৫২৬০। সূত্রের খবর, দিল্লিতে ৫৮ লক্ষ ও রাজস্থানে প্রায় ৫৩ লক্ষ টাকা জালিয়াতির কবল থেকে উদ্ধার করেছে আই৪সি।

 ডিজিটাল পথেই জালিয়াত পাকড়াও করবে আই৪সি

ডিজিটাল পথেই জালিয়াত পাকড়াও করবে আই৪সি

সকল ব্যাঙ্ক এবং অন্যান্য আর্থিক লেনদেনকারী সংস্থাকে একত্রিত করার ফলে বেশ দ্রুত গতিতে জালিয়াতদের পাকড়াও করতে পারবে আই৪সি, মত কেন্দ্রীয় আধিকারিকদের। উন্নতমানের প্ৰযুক্তি ব্যবহার করে জালিয়াতির কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই জালিয়াতদের ডিজিটাল ঠিকানা বের করার পন্থায় জোর দিচ্ছে আই৪সি। কেন্দ্রীয় সূত্রে খবর, ১৫৫২৬০ নম্বরে ফোন করলে স্থানীয় পুলিশ প্রথমে অভিযোগকারীর থেকে সকল তথ্যাদি লিপিবদ্ধ করে। পরবর্তীতে আই৪সির সিটিজেন ফিনান্সিয়াল সাইবার ফ্রডস রিপোর্টিং এন্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সেই তথ্যানুসারে কাজ শুরু করে।

টিকিট আকারে আই৪সিকে তথ্য পাঠায় পুলিশ

টিকিট আকারে আই৪সিকে তথ্য পাঠায় পুলিশ

কেন্দ্রীয় বিবৃতি অনুযায়ী, অভিযোগকারীর থেকে প্রাপ্ত সকল তথ্য 'টিকিট' আকারে আই৪সিকে প্রেরণ করে পুলিশ। সেই টিকিট ব্যাঙ্ক, ওয়ালেট এবং অন্যান্য আর্থিক মধ্যস্থতাকারী সংস্থার কাছে চলে যায়। এরপরে আই৪সির সিস্টেম মারফত অভিযোগকারীর ফোন নম্বরে একটি এসএমএস আসে। এসএমএসে অভিযোগের ক্রমিক সংখ্যা (অ্যাকনলেজমেন্ট নম্বর) উল্লিখিত থাকে। এসএমএস পাওয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যে https://cybercrime.gov.in/ -পোর্টালে সেই ক্রমিক সংখ্যা বসিয়ে জালিয়াতি সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য পেশ করতে হয় প্রতারিতকে।

 কোন পদ্ধতিতে ধরা যাবে জালিয়াতদের ?

কোন পদ্ধতিতে ধরা যাবে জালিয়াতদের ?

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নয়া বিবৃতি বলছে, অভিযোগের বয়ান সম্পন্ন ওই 'টিকিট'-ই রুখবে প্রতারককে। অনলাইন মাধ্যমে সিস্টেমে ব্যাঙ্ক ওই টিকিটের তথ্য দেখতে পারবে। যদি জালিয়াত সেই ব্যাঙ্ক থেকে অন্য ব্যাঙ্কে টাকা সরিয়ে থাকে, তবে টাকার প্রবাহ অনুসরণ করে টিকিট পৌঁছে যাবে দ্বিতীয় ব্যাঙ্কে। এইভাবে টাকার প্রবাহ ডিজিটাল মাধ্যমে যতক্ষণ না রদ করা যাচ্ছে, ততক্ষণ চালাচালি হবে এই টিকিট! সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই এই সিস্টেমের আওতায় চকে এসেছে এসবিআই, পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক, ব্যাঙ্ক অফ বরোদা, ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এবং পেটিএম, ফোনপে, মোবিক্যুইকের ন্যায় ব্যাঙ্ক ও ওয়ালেট সংস্থাগুলি।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+