করোনা আবহে রাম-লাদাখ ফ্যাক্টর! রাহুলের আক্রমণ সত্ত্বেও মোদীর জনপ্রিয়তা অন্যন্য শিখরে
করোনা সংক্রমণে জর্জরিত দেশ এহেন পরিস্থিতিতে আবার লাদাখে চিনের সঙ্গে সংঘাত চরমে। তা সত্ত্বেও তিন আগে দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর শুরু হয় রামমন্দির নির্মাণ কাজ। এই অবস্থায় মোদী সরকারে জনপ্রিয়তা এই মুহূর্তে কোথায়? আগামী কয়েক মাসে দেশের একাধিক রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে মোদী সরকারকে নিয়ে দেশ কী ভাবছে? এই সমস্ত কিছুর উত্তর উঠে এল 'মুড অফ দ্য নেশন' এর সমীক্ষায়।

৭৮ শতাংশ মানুষ এখনও মোদীর পাশে রয়েছেন
মুড অফ দ্য নেশন-এর এই সমীক্ষায় জানা গিয়েছে যে দেশের ৭৮ শতাংশ মানুষ এখনও মোদীর পাশে রয়েছেন। সমীক্ষা বলছে, মোদী লাদাখ সংঘাত নিয়ে যা যা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তার সমস্তটাই সঠিক বলে মনে করছেন ৬৯ শতাংশ মানুষ। তাছাড়া পুরো পরিস্থিতির পর্যালোচনার নিরিখে দেশের ৭৮ শতাংশ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদীর। যা গত এক বছরের মধ্যে সব থেকে উপরে। তাদের মতে প্রধানমন্ত্রী মোদীর কাজ অসাধারণ হয়েছে। অবশ্য এর নেপথ্যে রামমন্দির ভূমিপুজো একটা বড় ফ্যাক্টর বলে মত বিশেষজ্ঞদের। জানুয়ারি মাসেই মোদীর কাজে সন্তুষ্ট ছিলেন ৬৮ শতাংশ মানুষ।

চিনা অ্যাপ ব্যান নিয়ে ৯১ শতাংশ মানুষ মোদীর পাশে
গত মাসেই মোদী সরকার জানিয়েছে যে চিনের একাধিক অ্যাপ ভারতে নিষিদ্ধ। টিকটকের মতো জনপ্রিয় অ্যাপ ছিল সেই তালিকায়। প্রথম ধাপে ৫৯ টি ও পরের একাধিক ধাপে বহু চিনা অ্যাপ ভারতে নিষিদ্ধ হয়। তার জেরেই ভারতের ৯১ শতাংশ মানুষ মোদীর পাশে রয়েছে। ৯১ শতাংশ মানুষ মনে করেন মোদী সরকার চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করে কার্যকরী ভূমিকা পালন করেছেন।

৬৭ শতাংশ মানুষ চিনা পণ্য বর্জনের পক্ষে
মোদী তাঁর আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পের রাস্তায় হেঁটে চিনা দ্রব্য বয়কটের ডাক দেন। আর সেই ইশারাই যথেষ্ট ছিল ভারতীয়দের জন্য। মুড অফ দ্যা নেশন ২০২০ এর সমীক্ষা বলছে, দেশের ৬৭ শতাংশ মানুষ চিনা পণ্যের জায়গায় দেশের পণ্যের জন্য পকেটের টাকা বেশি খরচ করতে প্রস্তুত।

৯ শতাংশ মানুষ মনে করেন যে সরকার লাদাখ নিয়ে তথ্য লুকোচ্ছে
সমীক্ষা বলছে দেশের ৫৯ শতাংশ মানুষ মনে করেন যে চিনের সঙ্গে ভারতের যুদ্ধ হওয়া উচিত। আর তাতে তারা কেন্দ্রের সমর্থনে থাকবে। দেশের ৮৪ শতাংশ মানুষ মনে করেন যে চিন অবিশ্বাসের পাত্র। তাই চিনকে কোনও মতেই বিশ্বাস করা যায় না। এদিকে দেশের ৯ শতাংশ মানুষ মনে করেছেন যে সরকার লাদাখ নিয়ে তথ্য লুকোচ্ছে। উব্বেখ্য, এক্ষেত্রে চিনা অনুপ্রবেশ নিয়ে মোদীর বার্তা ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তথ্য ফাঁসের ঘটনা প্রাসঙ্গিক হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications