কেন্দ্রের উদাসীনতার কারণেই গতি কমছে টিকাকরণে, ফের আক্রমণে রাহুল
কেন্দ্রের উদাসীনতার কারণেই গতি কমছে টিকাকরণে, ফের আক্রমণে রাহুল
গত কয়েকদিনে দেশজুড়ে নতুন করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় খানিক পারাপতন দেখা গেলেও করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে কিছুতেই কমছে না উদ্বেগ। এদিকে বর্তমানে ভারতে যে পরিমাণ ভ্যাকিসেনর চাহিদা রয়েছে তার কাছে জোগান নিতান্তই কম। এমনকী রাজ্যেগুলিতে দেখা দিয়েছে চূড়ান্ত ঘাটতি। এমতাবস্থা এবার ফের কেন্দ্রের টিকাকরণ নীতি ও টিকা বণ্টন নিয়ে তীব্র আক্রমণ শানালেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।

ফের আক্রমণে রাহুল
রাহুলের দাবি কেন্দ্রের উদাসীনতার কারণে দেশজুড়ে ধাক্কা খাচ্ছে টিকাকরণ প্রক্রিয়া। সোমবার একটি টুইটে এই প্রসঙ্গে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে রাহুল বলেন, করোনা ঠেকাতে আমাদের একমাত্র অস্ত্র টিকাকরণ কিন্তু ভারত সরকারের তাতে বিন্দুমাত্র ভ্রুক্ষেপ নেই।সেই সঙ্গে গত কয়েকমাসে দেশে করোনা টিকাকরণের নিম্নমুখী গ্রাফ তুলে ধরেও আক্রমণ শানান তিনি।
|
কেন্দ্রের উদাসীনতার কারণেই গতি কমছে টিকাকরণে
সঙ্কটকালে টিকাকরণে গতি বাড়ার জায়গায় কেন্দ্রের উদাসীনতার কারণেই তা ক্রমেই নিম্নমুখী হয়েছে বলে অভিযোগ করেন সোনিয়া পুত্র। এমনকী মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, দিল্লির মতো রাজ্যগুলিতে কী ভাবে ১৮ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যের নাগরিকদেক টিকাকরণ প্রক্রিয়া ধাক্কা খাচ্ছে সেই পরিসংখ্যানও এদিন তুলে ধরেন ওয়ানাদের সাংসদ। পাশাপাশি টিকাকরণের ক্ষেত্রে রাজ্য ভিত্তিক তথ্য তুলে ধরার জায়গায় জেলা স্তরের পরিসংখ্যাণ তুলে ধরারও দাবি জানানো হয় কংগ্রেসের তরফে।

আক্রমণে চিদাম্বরম
কংগ্রেস নেতা পি চিদাম্বরম একটি টুইটে দাবি করেন, " রাজ্য ভিত্তিক তথ্য প্রকাশে অনেক ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়ই এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে। তাই এই কঠিন সময়ে জেলা ভিত্তিক করোনা টিকাকরণের চিত্র প্রকাশ করা অবশ্য প্রয়োজন।" সেই সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রীর বিরুদ্ধেও চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ শানিয়ে তাঁর দাবি, স্বাস্থ্য মন্ত্রী বারবার দাবি করছেন কোনও রাজ্যেই টিকার কোন ঘাটতি নেই। আমার তাঁর কাছে অনুরোধ দয়া করে দিল্লি, তেলেঙ্গাার পরিস্থিতি নিয়ে একটু মুখ খুলুন।

কী বলছে ভারতের টিকা পরিসংখ্যান
এদিকে পরিসংখ্যান বলছে গত প্রায় সাড়ে চার মাসের বেশি সময় ধরে গোটা দেশে টিকাকরণ চললেও বর্তমানে ভারতের প্রায় ১৪০ কোটি জনতার মধ্যে ৩.৮ শতাংশের টিকাকরণ সম্পূর্ণ হয়েছে। এদিকে বর্তমানে দেশে প্রতিমাসে সাড়ে ৬ কোটি কোভিশিল্ডের ডোজ তৈরি করছে সিরাম ইন্সস্টিটিউট। সেখানে মাসে ২ কোটি কোভ্যাক্সিনের ডোজ তৈরি করছে ভারত বায়োটেক। মাসে ৩০ লক্ষের কাছাকাছি স্পুটনিক-ভি তৈরি হচ্ছে বলেও জানা যাচ্ছে। যদিও তা প্রয়োজনের তুলনায় নিতান্তই নগন্য।












Click it and Unblock the Notifications