নীতীশ বিরোধিতায় নয়া সমীকরণ বিহারে, চিরাগের 'রিমোট কন্ট্রোল' প্রশান্ত কিশোরের হাতে
বিহারে জেডিইউর মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন এলজেপি প্রধান তথা সাংসদ চিরাগ পাসোয়ান। তবে এই বিদ্রোহের পিছনে জেডিইউ-র একাংশ বিজেপির হাত দেখছে। এদিকে রাজ্যের জোট থেকে বেরিয়ে গেলেও কেন্দ্রে এখনও এনডিএর অংশ এলজেপি, যা নিয়ে অস্বস্তিতে জেডিইউ। এবার চিরাগের নীতীশ বিরোধিতার নেপথ্যে প্রশান্ত কিশোরের থাকার ইঙ্গিত দিলেন জেডিইউ নেতা সঞ্জয় ঝা।

বিজেপি-জেডিইউ জোটে চিড়
বিজেপি যেভাবে জনসমক্ষে চিরাগের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে ব্যর্থ হয়েছে, তাতে ক্ষুব্ধ জেডিইউ। পরিস্থিতি সামাল দিতে ও শরিক দলকে শান্ত করতে ময়দানে নামেন স্বয়ং নরেন্দ্র মোদী। তবে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে বিজেপি-জেডিইউর দূরত্বের বিষয়টি চোখে পড়ে অনেকেই। তাই সেই সফরেও কাজ হয়নি। তবে বিজেপিকে ছাড়া জেডিইউ বিহারে ক্ষমতা দখল করে রাখতে পারবে না। এই পরিস্থিতিতে বিজেপিকে না চটিয়েই চিরাগ অস্বস্তির দায় অন্য কারোর ঘাড়ে চাপাতে চাইছে জেডিইউ।

নীতীশ বিরোধিতায় সরব চিরাগ
প্রশান্ত কিশোরকেই জেডিইউ ২০১৮ সালে নিজের ডেপুটি বানিয়েছিলেন নীতীশ কুমার। তবে পরবর্তীতে বিজেপির সঙ্গে জেডিইউ হাত মেলানোয় নীতীশের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। এরপর মনে হয়েছিল যে পিকে নিজেই একটি রাজনৈতিক দল খুলবেন। তবে সেটি আর হয়নি। তবে এনডিএ থেকে চিরাগের বিদায় বিহারে নয়া সমীকরণ তৈরি হয়েছে। এরই মাঝে আক্রমণাত্মক চিরাগ দাবি করেন, সরকার গঠন করলে তিনি নীতীশকে জেলে পাঠাবেন। যার পরই আরও রেগে গিয়েছে জেডিইউ।

চিরাগকে পাল্টা আক্রমণ জেডিইউর
এই পরিস্থিতিতে জেডিইউ নেতা সঞ্জয় ঝায়ের বক্তব্য, 'নীতীশ কুমারকে নিয়ে করা চিরাগ পাসোয়ানের বক্তব্যে স্পষ্ট যে তাকে কেউ পরিচালিত করছে। চিরাগ আদপে একটি 'জমুরা'র মতো আচরণ করছে। এবার আপনারা সকলেই বুঝতে পারবেন যে ওর পিছনে দাঁড়িয়ে থাকা 'মাদারি' কে। কেউ একজন চিরাগকে তাঁর সুরে নাচতে বাধ্য করছেন।'

নীতীশ বিরোধিতায় জোটবদ্ধ চিরাগ-প্রশান্ত
চিরাগ নীতীশের বিরোধী। বিজেপির সঙ্গ ছাড়ার কথা একবারও বলেননি চিরাগ। আগেই জানিয়েছিলেন, কেন্দ্রে বিজেপির হাত ছাড়ার প্রশ্নই নেই। উল্টে বার্তা দেন, বিহার ভোটের পর বিজেপির সঙ্গে জোট গড়ে সরকার গড়বে এলজেপি। সেজন্য কর্মীদের প্রস্তুত হতে বলেন। এবং এই নীতীশ বিরোধিতাই চিরাগ-পিকেকে এক সঙ্গে এনেছে বলে সন্দেহ জেডিইউর।












Click it and Unblock the Notifications