'ফাইভ-ফোল্ড' পদ্ধতিতে আনলকের পথে হাঁটতে রাজ্যগুলিকে উপদেশ কেন্দ্রের
দ্বিতীয় ওয়েভের পর সম্প্রতি সারা দেশে করোনা সংক্রমণ নিম্নমুখী। জুলাইয়ের এক তারিখ থেকে আস্তে আস্তে আনলকের পথে হাঁটার প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজ্যগুলি৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বঙ্গে লকডাউনের কড়া বিধিনিষেধ শিথিল করে বাস, অটো, টোটো চালানোর অনুমতি দিয়েছেন৷ কিন্তু আনলকডাউন নিয়ে রাজ্যগুলিকে সাবধানী পদক্ষেপ নিতে বলল কেন্দ্র৷ পাশাপাশি আনলকে 'ফাইভ-ফোল্ড' পদ্ধতি মেনে চলার উপদেশও দিয়েছে কেন্দ্র।

টেস্ট-ট্র্যাক-ট্রিট-ভ্যাকসিনেশন এবং কোভিডের চরিত্র বদলের উপর নজর এই পাঁচটি বিষয়কে একত্রে 'ফাইভ-ফোল্ড' পদ্ধতি বলছে কেন্দ্র৷ টেস্ট অর্থাৎ বেশি সংখ্যায় কোভিড পরীক্ষা৷ ট্র্যাক, সংক্রমণ কমা বাড়া এবং সংক্রমিতদের স্পর্শে আসা মানুষদের সঠিক তথ্য সংরক্ষণে রাখা। প্রয়োজনীয় ও জরুরি চিকিৎসা৷ কোভিচ-১৯কে হারানোর জন্য জরুরি ভ্যাকসিনেশন। এবং কোভিডের চরিত্র বদলের উপর নজর। জেলা ভিত্তিক এই 'ফাইভ-ফোল্ড' পদ্ধতি গ্রহণ করার কথা বলেছে কেন্দ্র।
স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভাল্লা একটি সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, রাজ্যগুলির উচিৎ জেলা ভিত্তিক পর্যবেক্ষণ৷ প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যার উপরে করোনভাইরাস সংক্রমণ চিহ্নিত করা। এবং বেশি সংক্রমণ থাকা জেলাগুলিকে নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ করা। যাতে এই জেলাগুলিতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরিকাঠামো গড়ে তুলতে সময় না লাগে৷
দেশে ইতিমধ্যেই ডেল্টা প্লাস করোনা ভাইরাস স্ট্রেনের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে ১২টির বেশি রাজ্যে৷ করোনার সবচেয়ে সাম্প্রতিক তম এই মিউটেন্ট স্ট্রেনে দেশে মারা গিয়েছেন দু'জন। করোনার এই স্ট্রেনটিকে ভাইরাস অফ কনসার্ণ ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এই স্ট্রেনের হাত ধরেই দেশে করেনার তৃতীয় ঢেউ আসার সম্ভাবন জোরদার হচ্ছে৷ তাই লকডাউন উঠে যাবার কিংবা কিছুটা শিথিল করার পর সাধারণ মানুষ করোনার সমাজিক দুরত্ব বিধান ও অন্যান্য বিধি নিষেধ না মানলে হিতে বিপরীত হবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রাথমিকভাবে নিজের রাজ্যে প্রতিটি অংশে করোনার উপর পাখির চোখ রাখার কথা বলেছে কেন্দ্র। কোথাও হাসপাতালের শয্যা বাড়াতে হলে কিংবা অক্সিজেনের বড় ঘাটতি থাকলে তা সময় মতো জানানো এবং সেই ঘাটতি পূরণে দ্রুত ব্যবস্থা করার কথা বলেছে কেন্দ্র।












Click it and Unblock the Notifications