সুপ্রিমকোর্টের ধমকে হাথরাসে অতি তৎপরতা, নির্যাতিতার পরিবারের উপর 'নজর' যোগীর
হাথরাস কাণ্ডে বারংবার মুখ পুড়েছে যোগী আদিত্যাথের প্রশাসনের। নির্যাতিতার পরিবার একাধিকবার অভিযোগ তুলেছে পুলিশি অত্যাচার বা প্রশাসনের হুমকির বিষয়ে। তাঁদেরকে আটকে রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলে নির্যাতিতার পরিবার। এরপর সুপ্রিমকোর্টেও নির্যাতিতার পরিবারের নিরাপত্তার ইস্যুতে প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় যোগী সরকারকে।

নড়েচড়ে বসে যোগী সরকার
এরপরই নড়েচড়ে বসে যোগী সরকার। সুপ্রিমকোর্টের ধমকের একদিনের মাথায় হাথরাস কাণ্ডের নির্যাতিতার পরিবারের নিরাপত্তার বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এদিন নির্যাতিতার বাড়ির বাইরে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়। পাশাপাশি সেই দলিত পিবারের নিরাপত্তার স্বার্থে বাড়তি বাহিনীও মোতায়েন করা হয়। চবে বিষয়টি নিরাপত্তা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে নাকি সেই পরিবারের উপরই নজরদারি করতে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।

হাথরাসের ঘটনায় দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে
প্রসঙ্গত, হাথরাসের ঘটনায় দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। ঘটনায় এক দলিত যুবতিকে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে উঁচুজাতের চার ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এই পরিস্থিতিতে যুবতীর পরিবার ও মামলায় সাক্ষীদের নিরাপত্তার বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা উত্তরপ্রদেশ পুলিশের কাছে জানতে চেয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। বৃহস্পতিবারের মধ্যে এই সংক্রান্ত জবাব চেয়েছে শীর্ষ আদালত। যুবতীর পরিবারের পক্ষে মামলা লড়ার জন্য আইনজীবীর ব্যবস্থা হয়েছে কি না তাও জানতে চায় আদালত।

হাথরাসের ঘটনা নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি
হাথরাসের ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যে কম জলঘোলা হয়নি৷ এর আগে যুবতীর মৃত্যুর পর তাঁর দেহ হাসপাতাল থেকে সোজা নিয়ে যাওয়া হয়েছিল অন্তিমক্রিয়ার জন্য। পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়নি দেহ। গভীর রাতে প্রায় আড়াইটা নাগাদ দেহ সৎকার করে দেয় পুলিশ। যা নিয়ে বিতর্কের ঝড় বয়ে যায় দেশে।

আদিত্যনাথের বিরুদ্ধে বিরোধীরা সরব
উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের বিরুদ্ধে বিরোধীরা সরব হয়েছে৷ তারমধ্যেই কয়েকদিন আগে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের তরফে জানানো হয়, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে ধর্ষণের কোনও প্রমাণ মেলেনি৷ আর এরপর ফরেনসিক রিপোর্টেও একই কথা জানানো হয়৷ যদিও ঘটনার ১১ দিন পর নমুনা পরীক্ষা কতটা সঠিক, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা।












Click it and Unblock the Notifications