তিনমাসেই দিল্লির জনসংখ্যার টিকাকরণ সম্ভব, কীভাবে? তার কৌশল জানালেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল
তিনমাসেই দিল্লির জনসংখ্যার টিকাকরণ সম্ভব, কীভাবে? তার কৌশল জানালেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল
দেশজুড়ে করোনা ভাইরাসের মারণ থাবা ফের আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। দেশের বেশ কিছু রাজ্যে তা উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। টিকাকরণের দ্বিতীয় দফার কর্মসূচী ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। এরই মধ্যে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানিয়েছেন যে কেন্দ্র টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে যোগত্যার মানদণ্ড শিথিল করলে তিনমাসের মধ্যে দিল্লির জনসংখ্যাকে টিকা দেওয়া সম্পন্ন হয়ে যাবে। এছাড়াও করোনা রোগীদের চিহ্নিত, কোভিড পরীক্ষা ও কোভিড রোগীদের আইসোলেট করার জন্য মুখ্যমন্ত্রী জাতীয় রাজধানীতে কড়া নির্দেশ দিয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস
দেশে সম্প্রতি করোনা ভাইরাসের বৃদ্ধি নিয়ে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল জানান, চিন্তিত হওয়ার কোনও কারণ নেই, এই বৃদ্ধি খুবই সাধারণ। প্রসঙ্গত, বুধবারই দিল্লিতে একদিনে রেকর্ড ৫৩৬টি নতুন কোভি-১৯ কেস সনাক্ত হয়েছে। গত বছর দিল্লির করোনা মহামারির সংখ্যাকে স্মরণ করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, একটা সময় জাতীয় রাজধানীতে প্রতিদিন নতুন করোনা কেস ৬ থেকে ৭ হাজার করে ধরা পড়ত। সেই তুলনায় বর্তমান সংখ্যা নিমিত্ত মাত্র।

দ্বিগুণ টিকাকরণ কেন্দ্র
অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানান, জাতীয় রাজধানীতে দ্বিগুণ টিকারণ কেন্দ্র খোলা হবে এবং আগামী দিনগুলিতে আরও বেশি করে টিকাকরণের কাজ করা হবে। বৃহস্পতিবার এক ভার্চুয়াল বৈঠকে বক্তব্য করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রতিদিন দিল্লিতে ৩০-৪০ হাজার কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন পরিচালিত হয়। এটি দৈনিক ১.২৫ লক্ষ ডোজ বৃদ্ধি পেয়েছে।

টিকা নেওয়ার আর্জি মুখ্যমন্ত্রীর
যাঁরা টিকা নিতে দ্বিধাবোধ করছেন তাঁরা নির্ভয়ে গিয়ে টিকা নিয়ে আসতে পারেন বলে আর্জি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কেজরিওয়াল জানান যে তিনি এবং তাঁর পরিবারও টিকা নিয়েছেন এবং অন্যরাও নিচ্ছেন। দিল্লিতে ভ্যাকসিন কেন্দ্রগুলিকে দ্বিগুণ করা হবে এবং টিকাকরণের সময় বাড়িয়ে সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা করে দেওয়া হয়েছে, যাতে দিল্লিবাসী তাঁদের সময় অনুযায়ী গিয়ে টিকা নিয়ে আসতে পারেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

তিনমাসে টিকাকরণ দিল্লির
কেন্দ্রের কাছে মুখ্যমন্ত্রী আর্জি করেন, যদি যোগ্যতার মানদণ্ড শিথিল করে দেওয়া হয়, তবে দিল্লিবাসীর টিকাকরণ তিনমাসেই সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। ইতিমধ্যেই নয়ডায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে ৷ করোনা কালে হোলি, শব-এ-বরাত, গুড ফ্রাইডে, নবরাত্রি, আম্বেদকর জয়ন্তি, হনুমান জয়ন্তি সহ একাধিক পর্বে যাতে ভিড় না হয়, তার জন্য এই পদক্ষেপ ৷ ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত এভাবেই উৎসবের সময় ১৪৪ ধারা জারি থাকবে ৷












Click it and Unblock the Notifications