নেতাজি ও পরিবারের উপর গোপন নজরদারি চালানোর ঘটনা সত্য : নিজামুদ্দিন, নেতাজির দেহরক্ষী
আজমগড়, ১৭ এপ্রিল : নেতাজি বিতর্কে নয়া মোড় যোগ করলেন একসময়ের নেতাজির দেহরক্ষী, ১১৫ বছর বয়সী উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা কর্নেল নিজামুদ্দিন। তাঁর যে দাবিগুলি তিনি সামনে রেখেছেন তা দিয়ে নতুন করে ভারতের ইতিহাস লেখা যেতে পারে।
বিমান দুর্ঘটনায় নয়, ১৯৮৫ সালে স্বাভাবিক মৃত্যু হয় নেতাজির! , নেতাজি সংক্রান্ত ৬৪টি ফাইল কলকাতার 'গোপন সেলে' বন্দী! ,
নেতাজির অন্তর্ধান রহস্য নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই সংবাদমাধ্যম সহ আসমুদ্র হিমাচল আমজনতার মন তোলপাড় হচ্ছে। এর মূলত দুটি দিক রয়েছে। প্রথমত, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর অন্তর্ধান রহস্য নিয়ে জটিলতা। তিনি কবে প্রয়াত হয়েছেন, কীভাবে সেইসময় নিজেকে সবকিছু থেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন তা নিয়ে অনেক প্রশ্ন। এর পাশাপাশি আর একটা বিষয় যা নিয়ে বিতর্ক চলছে তা হল নেহেরু সরকার দুই দশক ধরে নেতাজির পরিবারের উপর গোপনে নজরদারি চালিয়েছে কি না।

এই দুটি প্রশ্নেরই উত্তর জানা রয়েছে কর্নেল নিজামুদ্দিনের। একদা নেতাজির দেহরক্ষী এই মানুষটি দৃঢ়তার সঙ্গে জানাচ্ছেন, শুধু নেতাজির পরিবার নয়, খোদ নেতাজির উপরও নেহেরু সরকার দীর্ঘদিন নজরদারি চালিয়েছে।
তিনি জানিয়েছেন, ১৯৫০ সালে তিনি একবার কলকাতায় গিয়েছিলেন। সেইসময় নেতাজির বাড়ির আশেপাশে ঘোরাঘুরি করতে গিয়ে তিনি সিআইডির খপ্পরে পড়েন। নিজেকে ভিক্ষুক বলে পুলিশকে বোঝানোর চেষ্টা করেন তিনি। বলেন, "আমি ভিক্ষা করে খাই। নেতাজি বা তাঁর সৈন্যদলের ব্যাপারে কিছুই জানি না।" এরপর ঘণ্টাখানেক জেরার পরে তিনি ছাড়া পান। নিজামুদ্দিন এই ঘটনার উদাহরণ টেনে বলেন, "আমি নিশ্চিত সেইসময় সরকার নেতাজিকে সর্বক্ষণ পর্যবেক্ষণে রেখেছিল।"












Click it and Unblock the Notifications