বিতর্কের মাঝে উঠল নতুন দাবি, সব মসজিদের জলাশয় খুঁজে দেখার আর্জি জানিয়ে মামলা
সম্প্রতি জ্ঞানব্যাপী মসজিদ নিয়ে একটি মামলা হয়েছে। মসজিদের নীচে শিবলিঙ্গ রয়েছে বলে দাবি করেছে এক পক্ষ। আর এবার সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হল একটি জনস্বার্থ মামলা, যেখানে আবেদন করা হয়েছে, যাতে দেশের সব মসজিদ, যেখানেই জলাশয় আছে,
সম্প্রতি জ্ঞানব্যাপী মসজিদ নিয়ে একটি মামলা হয়েছে। মসজিদের নীচে শিবলিঙ্গ রয়েছে বলে দাবি করেছে এক পক্ষ। আর এবার সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হল একটি জনস্বার্থ মামলা, যেখানে আবেদন করা হয়েছে, যাতে দেশের সব মসজিদ, যেখানেই জলাশয় আছে, সেগুলি যাতে খুঁজে দেখা হয়। জ্ঞানব্যাপী ও কুতুব মিনার বিতর্কের মাঝেই নতুন মামলা হল শীর্ষ আদালতে।

মসজিদে থাকা কুয়ো ও পুকুরগুলিতে গোপন সমীক্ষা করার আর্জি জানানো হয়েছে। আর্কিওলজিক্যাল সার্ভের তরফ থেকে যাতে সে সমীক্ষা চালানো হয়, তেমনটাই বলা হয়েছে আবেদনে। ইসলাম রীতিতে উজু বা উদু নামে একটি প্রথা রয়েছে, যাতে প্রার্থনা করার আগে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ পরিস্কার করতে হয়।
অনেক মসজিদের মধ্যেই জলাশয় রয়েছে, যেখানে মুসলিমরা ওয়াজু করেন। আর সে সব জলাশয় শতবর্ষ পুরনো। আবেদনকারীদের দাবি, গোপন সমীক্ষা চালিয়ে দেখা উচিত, কারণ ভবিষ্যতে যদি কোনও বিতর্কিত বিষয় সামনে আসে, তাহলে যেন কোনও হিংসা না ছড়ায়। দিল্লির আইনজীবী শুভম অবস্তী ও সপ্তর্ষি মিশ্র এই আবেদন জানিয়েছেন।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্প্রতি জ্ঞানব্যাপী মসজিদের মধ্যে একটি জলাশয়ের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে, যেখানে মুসলিমরা ওয়াজু করতেন। গত কয়েক দশক ধরে সেখানে এই রীতি পালিত হয়ে আসছে। এতে হিন্দুদের ভাবাবেগে আঘাত করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। আরও উল্লেখ করা হয়েছে, মধ্যযুগে হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ বা জৈনদের একাধিক ধর্মীয় স্থলকে নষ্ট করা হয়েছে।
আর তা থেকেই স্পষ্ট, এমন অনেক মসজিদেই এমন মূর্তি পাওয়া যাবে, যা ভিন্ন কোনও ধর্মের। সম্প্রতি একাধিক ঐতিহাসিক সৌধ নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। সেই তালিকায় উঠে এসেছে কুতুব মিনারের নাম। তবে সেই বিতর্কে নিজেদের অবস্থান জানিয়ে দিয়েছে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া।
কুতুব মিনারে হিন্দু বা জৈন দেবদেবীর মূর্তি স্থাপনের দাবি জানানো হয়েছিল। আর তার পরিপ্রেক্ষিতে এএসআই জানিয়ে দিয়েছে কুতুব মিনার একটি ঐতিহাসিক সৌধ ছাড়া আর কিছু নয়। পূজা-অর্চনার কোনও জায়গা নেই এখানে। আর এই তত্ত্বের কোনও বদল হবে না। এ দিকে, বারাণসীর জ্ঞানব্যাপী মসজিদ নিয়ে বিতর্কও অনেকদিনের।
সম্প্রতি সেই বিতর্ক আরও একবার সামনে আসে। একটি সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছিল, মসজিদটি যে জমির ওপরে তৈরি, সেখানে আদতে হিন্দু মন্দির ছিল। মামলাকারীর এক আইনজীবী দাবি করেছেন মসজিদের ভিতর একটি কুয়ো থেকে ১২ ফুট লম্বা ও ৪ ফুট চওড়া এবং ৩ ফুট পুরু শিবলিঙ্গ উদ্ধার হয়েছে।
কিন্তু মসজিদ কমিটির দাবি, শিবলিঙ্গ' সম্পর্কে আবেদনকারীর দাবি বিভ্রান্তিকর। জ্ঞানব্যাপী মসজিদের অজুখানায় শুধু একটি ফোয়ারা রয়েছে, সেটাকেই শিবলিঙ্গ বলে দাবি করা হচ্ছে, এমনটাই বলছে মসজিদ কমিটি।












Click it and Unblock the Notifications