বিহার বিধানসভা ভোট ২০২০ : প্রতিশ্রুতি পূরণে কতটা সফল নীতীশ রিপোর্ট কার্ডে পেশ করল NDA
বিহার বিধানসভা ভোট ২০২০ : প্রতিশ্রুতি পূরণে কতটা সফল নীতীশ রিপোর্ট কার্ডে পেশ করল NDA
দিন ক্রমশ এগিয়ে আসছে বিহারের। জনতার রায় কার পক্ষে থাকবে তাই নিয়ে শুরু হয়েছে জোর লড়াই। নীতীশ ফিরছেন এ দাবি সমীক্ষকরাও করে দিয়েছেন। তবু না আচালে বিশ্বাস নেই। জনতার রায়ে অনেক কিছুই অসম্বভ ঘটতে পারে। তাই ঝুঁকি না নিয়েই নীতীশ সরকারের কাজ জনমানসে প্রচার করতে শুরু করেছে এনডিএ। নীতীশ কুমার গত ৫ বছরের শাসন কালে কী কী প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে তার রিপোর্ট কার্ড পেশ করেছে এনডিএ।

নীতীশের রিপোর্ট কার্ড
বিহারের বিধানসভা ভোেটর আদে নীতীশের কাজের খতিয়ান দিল এনডিএ। গত ৫ বছরে কী কী কাজ নীতীশ কুমার করেছেন এবং কী কী প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছেন তার রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে। ২০১৫ সালে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর সাতটি উন্নয়নের কাজে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন রাজ্যবাসীকে। যাকে তিনি বলেছিলেন 'সাত নিশ্চয়'। তার জন্য ২.৭ কোটি টাকা খরচের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি।

কী ছিল 'সাত নিশ্চয়'
মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের সাত নিশ্চয়ের মধ্যে ছিল সড়ক নির্মাণ। বিহারের প্রতিটি গ্রামকে পাকা সড়কে যুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। তার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭৮,০০০ কোটি টাকা। এনডিএ রিপোর্ট কার্ডে দাবি করেছে সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছেন নীতীশ কুমার। গত পাঁচ বছরের বিহারের সব গ্রামে সড়ক যোগাযোগ তৈরি হয়েছে। যদিও কয়েকদিন আগেই নীতীশ নিজেই বলেছিলেন অনেক গ্রামেই এখনও সড়ক যোগাযোগ হয়নি। তিনি ক্ষমতায় এসে সেগুলি পূরণ করবেন। গ্রামে গ্রামে বৈদ্যুতিকরণ। এবং সেই বৈদ্যুতিকরণ হবে নিরবিচ্ছিন্ন অর্থাৎ লোডশেডিং হবে না। তার জন্য ৫৫,৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল।

পানীয় জলের প্রতিশ্রুতি
বিহারে জলসংকট চরম। বিশেষ করে গরম কালে প্রবল জল সংকট তৈরি হয় বিহারের প্রত্যন্ত এলাকায়। সেই জলসংকট দূর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন নীতীশ। তার সঙ্গে শৌচাগার নির্মাণেরও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি।
বরাদ্দ করেছিলেন ৪৭,৭০০ কোটি টাকা। এনডিএ রিপোর্ট কার্ডে দাবি করেছে বিহারের ১.৬২ ঘরের পৌঁছে গিয়েছে পরিশ্রুত পানীয় জল। যদিও শৌচাগার নির্মাণের কোনও তথ্য রিপোর্ট কার্ডে উল্লেখ করা হয়নি।

কর্মসংস্থান, শিক্ষা আর নারী কল্যাণ
এই তিনটি ক্ষেত্রই হাইভোল্টেজ সব রাজনৈতিক দলের কাছে। এই তিনটি ক্ষেত্র কারণেই একাধিক গদি ওলট পালট হতে পারে। আর কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে নীতীশ কুমার একটু পিছিয়ে পড়েছেন। ইতিমধ্যেই আরজেডি কোমড় বেঁধে নেমে পড়েছে কর্মসংস্থান ইস্যুতে। যদিও রিপোর্ট কার্ডে দাবি করা হয়েছে স্বনির্ভরতার লক্ষ্যে বিহারের জেলায় জেলায় পলিটেকনিক কলেজ খোলা হয়েছে। সেখানে কারিগরি শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। উচ্চশিক্ষার প্রতিশ্রুতি। বিহারের দুঃস্থ ছাত্রছাত্রীদের উচ্চ শিক্ষার জন্য ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন নীতীশ সরকার। সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে রিপোর্ট কার্ডে। সপ্তম প্রতিশ্রুতি ছিল সরকারি চাকরিতে মেয়েদের জন্য ৩৫ শতাংশ সংরক্ষণ। সেই প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে পূরণ করেছে নীতীশ সরকার।












Click it and Unblock the Notifications