দেশে ২০ হাজারের গণ্ডি ছাড়াল করোনা আক্রান্ত সংখ্যা, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত আরও ৫০
দেশে ক্রমেই লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান বলছে, বর্তমানে দেশে করোনা আক্রান্তের মোট সংখ্যা ১৯,৯৮৪ জন। তবে অসমর্থিত সূত্র মারফত জানা গিয়েছে এখন দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২০১১৩।

গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৫০
এদিকে একদিনেই করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল ৫০ জনের। এই প্রথম একদিনে এতোজনের মৃত্যু হল এই মাহামারীর জেরে। বর্তমানে করোনা ভাইরাসের জেরে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা ৬৪৫।

মঙ্গলবার করোনা মুক্ত হয়েছেন ৬১৮ জন
করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এভাবে লাফিয়ে বাড়ার পাশাপাশি সুস্থও হয়ে উঠেছেন অনেকে। বুধবার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ১৯.৩৬ শতাংশ মানুষ সুস্থ হয়েছেন। মঙ্গলবারদিন করোনা মুক্ত হয়ে মোট ৬১৮ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন বলে জানায় কেন্দ্র।

সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্য মহারাষ্ট্র
দেশের মধ্যে করোনার জেরে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্য মহারাষ্ট্র। ইতিমধ্যে সেই রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫ হাজারের গণ্ডি। এর মধ্যে সবথেকে ক্ষতিগ্রস্ত মুম্বই। তারপরেই সব থেকে বেশি সংখ্যক আক্রান্ত হয়েছে সেরাজ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর পুনে। এখনও পর্যন্ত মহারাষ্ট্রে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪২০০ জন। মারা গিয়েছেন ২৫১ জন।

কেমন আছে মুম্বই?
মুম্বইতে এখন শ্মশানের নিস্তব্ধতা। মহারাষ্ট্রের মধ্যে সবচেয়ে বেশি করোনা আক্রান্ত রয়েছে বাণিজ্যনগরীতেই। সেখানে ৩৪০০-র বেশি জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। সেখানে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ওই মারণ ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে অন্তত শতাধিক মানুষের।

আতঙ্কে দিন কাটছে ধারাভির
এছাড়া মুম্বইয়ের সব থেকে বড় আতঙ্কের কারণ এখন ধারাভিতে করোনার সংক্রমণ। ধীরে ধীরে এবার করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে এশিয়ার বৃহত্তম বস্তি ধারাভিতে। এর জেরে সেখানে মোট ১০০ জনেরও বেশি এখনও করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। মারা গিয়েছে ৯ জন। এই পরিস্থিতিতে ১০ লক্ষের বাসস্থান এই বস্তিতে দ্রুত করোনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এবং তা হলে মুম্বই তো বটেই, গোটা দেশে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

করোনায় জরবার দিল্লি ও উত্তরপ্রদেশ
এদিকে করোনার আক্রমণে জেরবার উত্তরপ্রদেশও। মঙ্গলবার সন্ধে নাগাদ যোগী প্রশাসন ঘোষণা করেছে যে, করোনা সংক্রমণের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসাবে দিল্লি ও নয়ডার মধ্যবর্তী সীমান্ত এলাকা পুরোপুরি সিল করে দেওয়া হয়েছে। দিল্লিতে এখনও পর্যন্ত ২ হাজারেরও বেশি করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগী রয়েছে। দেশের মধ্যে এখন করোনা আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ওই রাজ্য। এদিকে উত্তরপ্রদেশেও করোনা আক্রান্তের সংখঅযা ১৩০০-র উপরে।












Click it and Unblock the Notifications