নাগরিকত্ব আইন বিরোধী আন্দোলন ঘিরে হিংসা একের পর এক জায়গায়, সারা দেশে মৃত্যু বেড়ে ১৭
দিল্লি থেকে বারাণসীই হোক কিংবা ম্যাঙ্গালুরু থেকে অসম নাগরিকত্ব আইন বিরোধী আন্দোলনে উত্তাল দেশের বিভিন্ন জায়গায়।
দিল্লি থেকে বারাণসীই হোক কিংবা ম্যাঙ্গালুরু থেকে অসম নাগরিকত্ব আইন বিরোধী আন্দোলনে উত্তাল দেশের বিভিন্ন জায়গায়। শুক্রবার এই আন্দোলন হিংসাত্মক আকার নেয়। উত্তর প্রদেশে সব থেকে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে শুক্রবার। সংখ্যাটি হল ৯। সব মিলিয়ে সারা দেশে মৃতের সংখ্যা ১৭। যার মধ্যে অসমের ৫ জনও রয়েছেন।
|
উত্তর প্রদেশে মৃত্যু ৯ জনের
মিরাটে তিন, বিজনৌর-এ দুই, বারানসি, ফিরোজাবাদ, সম্ভবল এবং কানপুরে একজন করে বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়েছে শুক্রবার। শুক্রবার বারানসিতে ৮ বছরের এক বালকের মৃত্যু হয়। পুলিশের লাঠি চালনার জেরে সেখানে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। উত্তর প্রদেশ পুলিশের ডিজিপি ওপি সিং জানিয়েছেন, কমপক্ষে ৫০ জন পুলিশকর্মী শুক্রবার আহত হয়েছেন। মসজিদ থেকে বেরনো জনগণ পুলিশের ওপর ব্যাপকভাবে পাথর বৃষ্টি করে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

বিভিন্ন জায়গায় জারি ১৪৪ ধারা, নিষেধাজ্ঞা ইন্টারনেটে
আন্দোলনে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত যোাগী রাজ্য উত্তর প্রদেশ। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ প্রায় ৩৩০০ জনকে ঘরেই আটক করে। পাশাপাশি ২০০ জনকে হেফাজতে নেওয়া হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় ১৪৪ ধারাও জারি করা হয় কমপক্ষে ১৬ টি জেলায়। আর ইন্টারনেট সংযোগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় ৪৫ টি জেলায়। লখনৌ-এ এক বর্ষীয়ান পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে একই সময়ে একসঙ্গে এত মানুষ বেরিয়ে আসা তিনি কখনও দেখেননি। তিনি আরও জানিয়েছেন, কানপুরে প্রতিবাদ মিছিল ছিল প্রায় ৪ কিমি দীর্ঘ। প্রত্যেক জায়গাতেই বিক্ষোভের প্রকৃতি ছিল একইরকমের। পুলিশের দিকে পাথর ছোড়ার পাশাপাশি সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসও ছিল তার মধ্যে।

অসম, ম্যাঙ্গালুরুতেও মৃত্যুর ঘটনা
ইতিমধ্যেই সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বিরোধী আন্দোলনে হিংসা জেরে পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে অসমে। কর্নাটকের ম্যাঙ্গালুরুতে মৃত্যুতে মৃত্যু হয়েছে ২ জনের। শুক্রবার জুম্মার নমাজের পরে জামা মসজিদ থেকে বেরনো মানুষজন বিংসা জড়িয়ে পড়ে বলে অভিযোগ। বহু গাড়ি ভাঙচুর করা হয় দিল্লির রাজপথে। আগুন ধরানো হয়।

এনআরসির পরিকল্পনা নেই
প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুক্তার আব্বাস নাকভি জানিয়েছেন, সারা দেশে এনআরসির কোনও পরিকল্পনা নেই সরকারের। যদি দিন কয়েক আগেই সংসদে অমিত শাহ বলেছিলেন অন্য কথা।

কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনে প্রিয়ঙ্কা
শুক্রবার নিজের কন্যা মিরায়াকে সঙ্গে নিয়ে ইন্ডিয়া গেটে আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন প্রিয়ঙ্কা গান্ধী।












Click it and Unblock the Notifications