সিঙ্গুর আর নন্দীগ্রামের লড়াই আলাদা ছিল! বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের উদারতায় বেড়েছেন মমতা, মন্তব্য শুভেন্দুর
Suvendu Adhikari: সিঙ্গুর আর নন্দীগ্রাম। দুই জায়গার লড়াই এক ছিল না। সিঙ্গুরের লড়াইয়ে সাধারণ মানুষের সমর্থন ছিল না। এদিন সিঙ্গুরে বিজেপির প্রতিবাদ সভা থেকে এমনটাই মন্তব্য করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
বিরোধী দলনেতা বলেন, বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের বোকামির জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই সিঙ্গুরকে শ্মশানে পরিণত করেছেন। তিনি আরও বলেন, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের উদারতা এবং প্রাক্তন রাজ্যপাল গোপালকৃষ্ণ গান্ধীর মতো মহান ব্যক্তির ভদ্রতার সুযোগ নিয়ে এই রাজ্যের নেত্রী গুজরাতে শিল্প ভাগিয়েছেন এবং সিঙ্গুরকে ধ্বংস করেছেন।

সেই সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সিঙ্গুর প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ২০০৬ সালে সিঙ্গুরের অধিকাংশ মানুষ, যাঁরা জমির মালিক তাঁরা চেক নিয়ে নিয়েছিলেন। সামান্য কজন বর্গাদারকে নিয়ে সিঙ্গুরে শিল্প বিরোধিতা করতে এসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
রাজ্যের কৃষি বিপণন মন্ত্রী বেচারাম মান্নাকে আক্রমণ করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, বেচা ঘরে ঢুকে গিয়েছিল। একটা সময় ।টাটার কারখানায় চুন-সুড়কির সাপ্লাইয়ের কাজ করত। সেই বেচা মান্নাকে ভয়ের কী আছে! বেচা মান্নাকে তিনিই দেখবেন বলে জানিয়ে বিরোধী দলনেতা বলেন, তিনি জানেন একটা বিড়িকে সে নিভিয়ে নিভিয়ে খেত। আর এখন পিছনে তুলো লাগানো লম্বা সিগারেট খায়।
তিনি আরও বলেন, আগে ফাটা পায়জামা পরতো। একটা পাঞ্জাবি পাঁচদিন পড়তো তারপর ধুতো। সেই বেচা এখন সারাদিনের তিনটে সিল্কের পাঞ্জাবি পরে। এখন অনেক কিছু করেছে, কোথা থেকে হয়েছে তিনি (শুভেন্দু) জানেন না। বেচারাম মান্নাকে কার্যত হুঁশিয়ারির সুরে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বেচা আর করবী (বেচারাম মান্নার স্ত্রী) মাল আর কোথায় রাখবে। শুভেন্দু অধিকারী পঞ্চায়েত অফিসকে লুটের পঞ্চায়েত বলেও নিশানা করেন।
তিনি বলেন, দেশে এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট রয়েছে। মাটির ভিতরে মাল থাকলে বার করে। তিনি বলেন, কেউ ভাবতে পেরেছিল দেড়শ কেজি ওজনের, পঁচাত্তর বছরের একটা বুড়া, নাম তার পার্থ, মাল নিয়ে গিয়ে অপার ঘরে ঢুকিয়েছিল! সেখান থেকে দুদিনে ৫১ কোটির মাল বেরিয়েছে। সেই মমতার অন্যতম প্রিয় ছিল, বলেন শুভেন্দু অধিকারী।












Click it and Unblock the Notifications