Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

লিভারপুলের কাছে ৭ গোলে বিধ্বস্ত ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড! বিরক্ত ম্যানেজার, এই ব্যবধানে হার অবশ্য প্রথম নয়

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হার ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের। ৯২ বছর পর কোনও দলের কাছে সাত গোল হজম। লিভারপুল ম্যাচে দলের পারফরম্যান্সে বিরক্ত ম্যানেজার এরিক টেন হ্যাগ।

৯২ বছর পর লজ্জাজনক পরাজয় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের। অ্যানফিল্ডে এরিক টেন হ্যাগের প্রশিক্ষণাধীন দলকে ৭-০ গোলে চূর্ণ করল লিভারপুল। এই নিয়ে চারবার ০-৭ গোলে পরাস্ত হলো ম্যান ইউ। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের বিরুদ্ধে নিজেদের রেকর্ডটিকেও উন্নত করে ফেলল লিভারপুল। এই পরাজয়কে বাজে ও অপেশাদার হিসেবেই চিহ্নিত করেছেন এরিক টেন হ্যাগ।

লিভারপুলের কাছে ৭ গোল হজম, ৯২ বছর পর বড় হার

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচটিতে ৪৩ মিনিটে প্রথম গোলটি হয়। তার আগে অবধি অবশ্য ম্যান ইউ-ই প্রতিপক্ষের চেয়ে তুলনামূলকভাবে ভালো ফুটবল খেলছিল। কডি গাকপোর গোলে প্রথমার্ধে লিভারপুল ১-০ গোলে এগিয়ে ছিল। দ্বিতীয়ার্ধে হলো ৬টি গোল। ৪৭ মিনিটে ডারউইন নুনিয়েস ব্যবধান বাড়ান। ৫০ মিনিটে গাকপোর দ্বিতীয় গোলে ব্যবধান বেড়ে হয় ৩-০। মোহাম্মদ সালাহ ৬৬ মিনিটে গোল করেন। লিভারপুলের পঞ্চম গোলটি আসে ৭৫ মিনিটে, যা নুনিয়েসের দ্বিতীয় গোল। এরপর ৮৩ মিনিটে সালাহর দ্বিতীয় গোল। লিভারপুলের সপ্তম গোলটি এসেছে রবার্তো ফিরমিনোর পা থেকে। এর আগে, ম্যান ইউকে ৭-১ গোলে হারিয়েছিল লিভারপুল। সেই রেকর্ডটি আরও উন্নত হলো।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে এটিই ম্যান ইউয়ের সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হার। তবে ০-৭ গোলে তারা হারল এই নিয়ে চতুর্থবার। ১৯২৬ সালের ১০ এপ্রিল ব্ল্যাকবার্ন রোভার্স, ১৯৩০ সালে ২৭ ডিসেম্বর অ্যাস্টন ভিলা ও ১৯৩১ সালের ২৬ ডিসেম্বর উলভারহ্যাম্পটন ৭-০ গোলেই হারিয়েছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে। ম্যান ইউ-য়ের সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়টি এসেছিল ১০-০ গোলে। ১৯৫৬ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর ইউরোপিয়ান কাপে প্রথম রাউন্ডের দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে তারা আন্ডারলেচট (Anderlecht)-কে।

ফেব্রুয়ারির ২৬ তারিখ লিগ কাপ জিতেছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। গত ৬ বছরে এটিই ছিল তাদের প্রথম ট্রফি জয়। তার কয়েক দিনের মধ্যেই ইপিএলে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে পরাস্ত হওয়ার লজ্জার সম্মুখীন ম্যান ইউ। দলের ম্যানেজার এরিক টেন হ্যাগ বলেন, চূড়ান্ত অপেশাদার ফুটবল খেলার ফলেই এই পরাজয়। অনেক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে অপেশাদারিত্বের নমুনা রয়েছে। রক্ষণভাগ ও মাঝমাঠে অনেকটা জায়গা ফাঁকা হয়ে যাওয়ার ফায়দা তুলেই লিভারপুল যখন ৩ গোলের লিড নিয়ে নেয়, তখনই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যায় বলে উপলব্ধি ম্যান ইউ ম্যানেজারের। পিছিয়ে পড়ার পর দলকে সঙ্ঘবদ্ধভাবে ঘুরে দাঁড়াতে যা যা করতে হতো তার কিছুই দেখতে না পেয়ে তিনি যে অবাক তা জানাতে দ্বিধা করেননি টেন হ্যাগ। তিনি বলেন, যেভাবে দল খেলেছি তাতে মনে হয়নি এটি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড! অত্যন্ত বাজে ও জঘন্য ফুটবল খেলেছে দল।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+