আইএসএল নিয়ে নয়া প্রস্তাব এআইএফএফের, ক্লাবগুলির প্রতিক্রিয়ায় অনেকাংশে নির্ভর করছে লিগের ভবিষ্যৎ
আইএসএল চলতি মরশুমে আদৌ হবে কিনা তা নিয়ে বা়ড়ছে সংশয়। এরই মধ্যে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন (এআইএফএফ) আজ ইন্ডিয়ান সুপার লিগ (আইএসএল)-এর জন্য একটি নতুন কাঠামোর প্রস্তাব দিয়েছে।
এই প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী ২০টি মরশুমের জন্য লিগের মালিকানা ও পরিচালনার ভার থাকবে এআইএফএফ-এর, নতুন সংবিধান মেনে। আইএসএল ক্লাবগুলির সঙ্গে বৈঠকের পর এআইএফএফ এই নতুন প্রস্তাবটি তৈরি করেছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, আসন্ন মরশুম থেকেই 'প্রমোশন ও রেলিগেশন' পদ্ধতি চালু করা হবে। প্রতি মরশুমের গণনা হবে পয়লা জুন থেকে পরের বছরের ৩১ মে পর্যন্ত। এআইএফএফ সূত্রে খবর, ক্লাবগুলির কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তাদের প্রতিক্রিয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। তারপর ফেডারেশন পরিকল্পনা চূড়ান্ত করবে।
ফেডারেশন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ক্লাবগুলি প্রতিক্রিয়া দেওয়ার পর সেই বক্তব্য শুনে একটি সমাধান খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হবে। আশা করা হচ্ছে, এআইএফএফ এবং ক্লাবগুলির মধ্যে রবিবার ও সোমবার আরও দু'দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। যদি সব কিছু ঠিকঠাক থাকে, তাহলে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই আইএসএল শুরু হতে পারে বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে।
এই প্রস্তাব অনুযায়ী, আইএসএলে প্রতি বছর একটি নির্দিষ্ট 'কেন্দ্রীয় পরিচালন বাজেট' থাকবে। এই বাজেট লিগের সমস্ত 'রাজস্ব ভাগীদার'-এর বার্ষিক অবদান থেকে আসবে, যা তাদের রাজস্ব অংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, "এটি 'লিগ সদস্যপদ অবদান' নামে পরিচিত হবে। লিগ পরিচালনার জন্য এবং ক্লাবগুলির প্রযোজ্য লাইসেন্সিং মানদণ্ড পূরণের পাশাপাশি পুরস্কার বিতরণের জন্য প্রয়োজনীয় যে কোনও পরিচালন ব্যয় এই বাজেট থেকেই সীমাবদ্ধ এবং বহন করা হবে।"
প্রস্তাবে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, "লিগের বাণিজ্যিক বিষয়গুলিতে নির্দিষ্ট কার্যনির্বাহী স্বায়ত্তশাসন-সহ একটি বোর্ড দ্বারা প্রশাসনিক তত্ত্বাবধান করা হবে, যা এআইএফএফ-এর সাধারণ সংস্থা দ্বারা ক্ষমতায়িত হবে। প্রতিটি ক্লাবকে মরশুমের শুরুতে এআইএফএফ-কে বার্ষিক ১ কোটি টাকা 'স্ট্যান্ডার্ড অংশগ্রহণ ফি' বাবদ দিতে হবে। এই ফি 'কেন্দ্রীয় পরিচালন ব্যয়ের' কোনও হিসাবের উপর নির্ভরশীল হবে না।
প্রস্তাবে বলা হয়েছে, "এই অর্থ 'নেট রেভিনিউ' বিতরণের আগে কেন্দ্রীয় রাজস্ব থেকে সম্পূর্ণ পরিশোধযোগ্য হবে। সমস্ত ক্লাবের জন্য মোট অংশগ্রহণ ফি লিগের 'কেন্দ্রীয় পরিচালন বাজেটের' ২০ শতাংশ রাখা হবে। ভবিষ্যতে যদি বোর্ড 'কেন্দ্রীয় পরিচালন বাজেট' ১০ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তবে 'স্ট্যান্ডার্ড অংশগ্রহণ ফি'ও আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি পাবে।" পরিচালন বাজেট থেকে যে কোনও লাভ বা সাশ্রয় সমস্ত রাজস্ব ভাগীদারদের মধ্যে তাদের নিজ নিজ রাজস্ব অংশের অনুপাতে সমানভাবে বিতরণ করা হবে।
এর আগে ২০শে ডিসেম্বর, দেশের শীর্ষ স্তরের এই প্রতিযোগিতার "স্থায়ী" পরিচালন ও বাণিজ্যিক মালিকানার জন্য ১০টি আইএসএল ক্লাবের একটি প্রস্তাব এআইএফএফ-এর সাধারণ সংস্থার অনুমোদন পেতে ব্যর্থ হয়। এরপর বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি কমিটি গঠন করা হয়। এআইএফএফ প্যানেলকে ২২ ডিসেম্বর থেকে ২৯ ডিসেম্বরের মধ্যে পাঁচটি ক্লাবের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, যেগুলি হলো চেন্নাইয়িন এফসি, মুম্বই সিটি এফসি, দিল্লি স্পোর্টিং ক্লাব, নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি এবং মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট।
এআইএফএফ-এর বর্তমান প্রস্তাব অনুযায়ী, আইএসএলের প্রথম মরশুমের মোট ব্যয় হবে ৭০ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রথম মরশুমে এআইএফএফ-এর রাজস্ব অংশ থাকবে ১০ শতাংশ (অর্থাৎ ৭ কোটি টাকা), আর ৫০ শতাংশ (৩৫ কোটি টাকা) আসবে ক্লাবগুলির কাছ থেকে - বর্তমানে ১৪টি ক্লাব রয়েছে, যদি না কেউ সরে দাঁড়ায়। তবে একটি আকর্ষণীয় বিষয় হলো, একটি সম্ভাব্য বাণিজ্যিক অংশীদারের জন্য ৩০ শতাংশ রাজস্ব অংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
বর্তমানে এআইএফএফ এখনও কোনও বাণিজ্যিক অংশীদার পায়নি, কারণ সুপ্রিম কোর্ট-নিযুক্ত কমিটির তত্ত্বাবধানে, একজন অবসরপ্রাপ্ত সুপ্রিম কোর্টের বিচারকের অধীনে, টেন্ডার ভাসানোর পরেও কোনও দরপত্র জমা পড়েনি। যদিও এআইএফএফ প্রস্তাবে একটি সম্ভাব্য বাণিজ্যিক অংশীদারের জন্য ৩০ শতাংশ রাজস্ব অংশ অন্তর্ভুক্ত করেছে। জানা গিয়েছে যে, এই মরশুমে ম্যাচের সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় কম হতে পারে, তাই প্রস্তাবিত ৭০ কোটি টাকার চেয়ে কম 'কেন্দ্রীয় পরিচালন বাজেট' নিয়েও আইএসএল চালানো সম্ভব।
-
ছাবà§à¦¬à¦¿à¦¶à§‡à¦° à¦à§‹à¦Ÿà§‡ ২২৬-à¦à¦° বেশি আসনে জিতবে তৃণমূল, আতà§à¦®à¦¬à¦¿à¦¶à§à¦¬à¦¾à¦¸à§€ মমতা -
ইদের আগে কেন তড়িঘড়ি বদলি? নিরà§à¦¬à¦¾à¦šà¦¨ কমিশনকে তোপ দেগে পà§à¦°à¦¶à§à¦¨ তà§à¦²à¦²à§‡à¦¨ মমতা -
'মেঘের আড়ালে থেকে খেলবেন না, সামনে à¦à¦¸à§‡...'! নিরà§à¦¬à¦¾à¦šà¦¨ কমিশনকে কটাকà§à¦· মমতার, আর কী বললেন? -
তৃণমূলের পà§à¦°à¦¾à¦°à§à¦¥à§€ তালিকায় চমক থাকতে পারে! বাদ পড়তে পারেন হেà¦à¦¿à¦“য়েটরা -
ননà§à¦¦à§€à¦—à§à¦°à¦¾à¦®à§‡à¦° সঙà§à¦—ে মমতার à¦à¦¬à¦¾à¦¨à§€à¦ªà§à¦°à§‡à¦“ লড়বেন শà§à¦à§‡à¦¨à§à¦¦à§, বিজেপির পà§à¦°à¦¥à¦® দফার তালিকায় পà§à¦°à¦¾à¦°à§à¦¥à§€ কারা? -
বাংলায় ৬০ লকà§à¦· বিচারাধীন à¦à§‹à¦Ÿà¦¾à¦°à¦¦à§‡à¦° à¦à¦¬à¦¿à¦·à§à¦¯à§Ž অনিশà§à¦šà¦¿à¦¤, নজর সà§à¦ªà§à¦°à¦¿à¦® কোরà§à¦Ÿà§‡à¦° রায়ে -
à¦à§‹à¦Ÿ ঘোষণার পরই তৎপরতা, মà§à¦–à§à¦¯à¦®à¦¨à§à¦¤à§à¦°à§€à¦° কেনà§à¦¦à§à¦° à¦à¦¬à¦¾à¦¨à§€à¦ªà§à¦°à§‡ কেনà§à¦¦à§à¦°à§€à§Ÿ বাহিনীর টহল শà§à¦°à§ -
রাজà§à¦¯à§‡ আমলা ও পà§à¦²à¦¿à¦¶à§‡à¦° শীরà§à¦· সà§à¦¤à¦°à§‡ বদল আনল কমিশন, তà§à¦™à§à¦—ে রাজনৈতিক তরজা -
কমিশন ও বিজেপি নারীবিরোধী, বাংলা-বিরোধী, মনà§à¦¤à¦¬à§à¦¯ মমতার -
তিন রাজà§à¦¯à§‡ à¦à¦• আসনে বহৠপà§à¦°à¦¾à¦°à§à¦¥à§€, রাজà§à¦¯à¦¸à¦à¦¾ à¦à§‹à¦Ÿà§‡ শà§à¦°à§ রিসরà§à¦Ÿ রাজনীতি -
à¦à§‹à¦Ÿà§‡à¦° আগে কড়া কমিশন, পাà¦à¦š রাজà§à¦¯à§‡ আদরà§à¦¶ আচরণবিধি মানতে আট দফা নিরà§à¦¦à§‡à¦¶ -
à¦à§‹à¦Ÿ ঘোষণার পর বড় রদবদল! ডিজিপি ও কলকাতার পà§à¦²à¦¿à¦¶ কমিশনার বদলাল নিরà§à¦¬à¦¾à¦šà¦¨ কমিশন, নতà§à¦¨ দায়িতà§à¦¬à§‡ কারা?












Click it and Unblock the Notifications