রাজ্যে বামেদের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধলে কেন্দ্রে বিপদের আশঙ্কা কংগ্রেসের!
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে প্রতিবারেই নানা রঙ্গ হয়। অন্তত ২০০১ থেকে শুরু করে এই শতকের সবকটি নির্বাচনেই নতুন নতুন চমক ও গিমিক উপস্থিত ছিল।
সেই সূত্র ধরে এবারের ভোটেও যে চমক থাকবে তা বলাই বাহুল্য ছিল আর তা রয়েওছে। সেটা হল বাম-কংগ্রেস জোট। একসময়ের ঘোর বিরোধী, যাদের নীতি, আদর্শ, রাজনৈতিক ঘরানা ও সর্বোপরি দৃষ্টিভঙ্গি একেবারেই আলাদা তারা জোট বাঁধতে চাইছে।

এব্যাপারে সিপিএম সহ বাম নেতৃত্ব যতোটা ফ্রন্টফুটে, শত চেয়েও ততোটা সামনে খেলতে পারছে না প্রদেশ কংগ্রেস। সৌজন্যে হাইকম্যান্ড। সনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীর দিক থেকে যতক্ষণ না গ্রিন সিগন্যাল পাওয়া যাচ্ছে, ততক্ষণ অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই অধীররঞ্জন চৌধুরীদের।
অন্যদিকে খোশমেজাজেই রয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লাল ও হাত শিবিরের এই 'দৈন্য' দশা দেখে নিশ্চয়ই মুখ টিপে হাসছেন মমতা! অগ্নিকন্যা নামটি রয়ে গেলেও ক্ষমতায় এসে এই সাড়ে চার বছরে অনেক পরিণত মমতা। তার এই পরিণীতি বোধ ও একইসঙ্গে বিরোধীদের সাইনবোর্ডে পরিণত হওয়া অনেকটা স্বস্তি জোগাচ্ছে তৃণমূল শিবিরকে।
শাঁখের করাতের মতো অবস্থা কংগ্রেসের
অন্যদিকে শাঁখের করাতের মতো অবস্থা কংগ্রেসের। কেরলে প্রধান প্রতিপক্ষ বামেদের কোন পথে এরাজ্যে গলা জড়িয়ে ধরলে শ্যাম ও কূল দুটোই বাঁচবে সেটা নিশ্চিত করতেই এখন মাথায় ঘাম পায়ে ফেলতে হচ্ছে।
কয়েকদিন আগে কেরলে গিয়ে বিজেপি সম্পর্কে কড়া আক্রমণ শানালেও বামেদের সম্পর্কে খানিক সুর নরম করে বার্তা দিয়েছেন রাহুল গান্ধী। তবে সনিয়া ও রাহুলের প্রধান সমস্যা অন্য।
রাজ্য বিধানসভার চেয়ে ২০১৯ লোকসভা ভোটকে বেশি গুরুত্ব
পশ্চিমবঙ্গে প্রায় সাইনবোর্ডে পরিণত হওয়া প্রদেশ কংগ্রেসকে বাঁচিয়ে রাখার চেয়ে ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন সনিয়ারা। কারণ তাঁরা বুঝতে পারছেন, পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস বামেদের হাত ধরলেও ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। বস্তুত এমন কোনও মুখই নেই যাকে সামনে রেখে লড়াই করা যেতে পারে।
অন্যদিকে, বামেদের হাত ধরার মধ্য দিয়ে কোনওভাবে জাতীয় রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিকতা নষ্ট হয়ে যায় তাহলে আগামিদিনে সারা দেশে সাইনবোর্ডে পরিণত হতে পারে কংগ্রেস। কারণ মমতার বিরুদ্ধে যাওয়া মানে আগামী লোকসভায় আর কোনওভাবেই দুটি দলের মধ্যে জোট সম্ভব নয়।
সেক্ষেত্রে লোকসভা হোক বা রাজ্যসভা কোনও জায়গাতেই তৃণমূলনেত্রীকে কাছে পাবে না কংগ্রেস হাইকম্যান্ড। আর সেদিক থেকে দেখলে লোকসভা ভোটে ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে এখন থেকেই অনেকটা পিছিয়ে পড়বে শতাব্দি প্রাচীন দল।
প্রদেশ কংগ্রেসের কোনও গ্যারান্টি নেই
তাছাড়াও বামেদের সঙ্গে ভোটে জোট বেঁধে লড়লেই যে বাংলার কংগ্রেসের ঘাঁটি শক্ত হবে সে গ্যারান্টি অধীরবাবুরা দিতে পারবেন না। ২০০১ ও ২০১১ দুটো বছরই তৃণমূলের সঙ্গে মিলে বামেদের বিরুদ্ধে লড়েছিল কংগ্রেস। তেমন হওয়ার থাকলে তা আগেই হয়ে যেত।
আগামী লোকসভা ভোটে যদি ত্রিশঙ্কু অবস্থা তৈরি হয় সেখানে আঞ্চলিক দলগুলির মধ্যে তৃণমূলকেই সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন পড়বে কংগ্রেসের। ফলে সবদিক বিচার করে তৃণমূল নেত্রীকে কতোটা চটাতে চাইবেন সনিয়া-রাহুল তা সময়ই বলবে।
-
ট্রাম্পের যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিতেই চাঙ্গা শেয়ারবাজার! সেনসেক্সে বড় উত্থান, কমে গেল তেলের দাম -
কালীঘাটের পর দক্ষিণেশ্বর! জ্ঞানেশ কুমার পৌঁছতেই মন্দির চত্বরে কালো পতাকা হাতে বিক্ষোভ, কী দাবি বিক্ষোভকারীদের? -
২১ নয়, এবার থেকে ২৫ দিনের অপেক্ষা! গ্যাস বুকিংয়ের নিয়মে বদল, ঘরোয়া চাহিদা মেটাতে নতুন কী পরিকল্পনা কেন্দ্রের? -
SIR বিতর্কে নতুন পদক্ষেপ! অমীমাংসিত ভোটার ইস্যুতে ট্রাইবুনাল গঠনের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
রাজ্যের আবেদনে কড়া সুপ্রিম কোর্ট! 'একটাও বৈধ ভোটার বাদ যাবে না', আশ্বাস প্রধান বিচারপতির -
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত কী শেষের পথে? ইরান যুদ্ধ নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যে জোর জল্পনা -
যোগ্য ভোটারের একজনেরও নাম বাদ পড়বে না, আশ্বাস জ্ঞানেশ কুমারের, সিইসিকে লক্ষ্য করে প্রতিবাদের ঝড়ও -
বাংলাদেশে জ্বালানি সঙ্কট! সেই ভারতের কাছেই অতিরিক্ত ডিজেল চেয়ে আবেদন ঢাকার, ভেবে দেখবে নয়াদিল্লি -
সুপ্রিম কোর্টের অসন্তোষের পরেই পদক্ষেপ! ক্ষমা চেয়ে পাঠ্যবই থেকে আদালতের দুর্নীতি সংক্রান্ত অধ্যায় সরাল NCERT -
ইরানি যুদ্ধজাহাজ ঘিরে নতুন জল্পনা, শ্রীলঙ্কা উপকূল থেকে ৯ নটিক্যাল মাইল দূরে রণতরী -
গরমের মাঝেই স্বস্তির ইঙ্গিত, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে বদলাচ্ছে আবহাওয়া -
এসআইআর নিয়ে ছবি আঁকলেন মমতা, জ্ঞানেশ কুমারকে ভ্য়ানিশ কটাক্ষও ধরনা মঞ্চে












Click it and Unblock the Notifications